ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এশিয়ান গেমসের পর্দা উঠল, বাংলাদেশের পতাকা বহন করলেন বাকী-অন্তরা

জাপানের নাগোয়া শহরে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ এবং রঙিন এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পর্দা উঠেছে ২০তম এশিয়ান গেমসের। এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় এই ক্রীড়া উৎসবের সূচনা উপলক্ষে স্টেডিয়ামজুড়ে ছিল আলোকসজ্জা এবং বর্ণিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। মহাদেশের বিভিন্ন দেশের হাজার হাজার ক্রীড়াবিদ, কর্মকর্তা এবং ক্রীড়াপ্রেমী এই জমকালো উদ্বোধনী আয়োজনের সাক্ষী হন। এশিয়া অঞ্চলের ঐক্য ও ক্রীড়াবান্ধব মানসিকতার প্রতীক হিসেবে নাগোয়ার এই আসরটি বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে ইতিমধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

উদ্বোধনী এই অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহী প্যারেড অব নেশনস বা মার্চপাস্টে অংশ নেয় অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর প্রতিনিধিদল। বরাবরের মতো এবারও বিভিন্ন দেশের অ্যাথলেটরা নিজ নিজ দেশের পতাকা উড়িয়ে স্টেডিয়াম প্রদক্ষিণ করেন। বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদ ও প্রতিনিধিরাও এই বর্ণিল মিছিলে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার সাথে অংশ নেন। প্রতিযোগিতার এই উদ্বোধনী মহড়ায় লাল-সবুজের পতাকা উঁচুতে ধরে দেশবাসীর প্রত্যাশা ও সম্মান বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেন অ্যাথলেটরা।

এবারের আসরে বাংলাদেশের পতাকা বহনের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এই দায়িত্ব যৌথভাবে পালন করেছেন দেশের দুই কৃতি ক্রীড়াবিদ বাকী ও অন্তরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে লাল-সবুজের পতাকা হাতে যখন তারা প্যারেডে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন, তখন স্টেডিয়ামের গ্যালারি থেকে ক্রীড়াপ্রেমীরাও তাদের উৎসাহ জুগিয়েছেন। দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে যাওয়া এই তরুণ অ্যাথলেটদের কাঁধে পতাকা অর্পণ করায় ক্রীড়ামোদীদের মধ্যেও ব্যাপক আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

নাগোয়ার এই এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের ক্রীড়াবিদরা তাদের সেরাটা দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন। দেশের ক্রীড়া সংগঠক ও কোচরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, গতবারের তুলনায় এবার অ্যাথলেটরা আরও ভালো পারফরম্যান্স উপহার দেবেন। উদ্বোধনী আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর এখন মূল প্রতিযোগিতার লড়াইয়ে নামার অপেক্ষায় রয়েছে দেশের প্রতিনিধিদল। গোটা দেশের মানুষ এখন তাকিয়ে আছে এই আসরে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের সাফল্য অর্জনের দিকে।

জনপ্রিয়

সৌদি আরবের রাজধানীতে বিমান হামলার সতর্কতা, বিমানবন্দরের কাছে ধোঁয়ার কুণ্ডলী

এশিয়ান গেমসের পর্দা উঠল, বাংলাদেশের পতাকা বহন করলেন বাকী-অন্তরা

প্রকাশিত ০৮:০১:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাপানের নাগোয়া শহরে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ এবং রঙিন এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পর্দা উঠেছে ২০তম এশিয়ান গেমসের। এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় এই ক্রীড়া উৎসবের সূচনা উপলক্ষে স্টেডিয়ামজুড়ে ছিল আলোকসজ্জা এবং বর্ণিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। মহাদেশের বিভিন্ন দেশের হাজার হাজার ক্রীড়াবিদ, কর্মকর্তা এবং ক্রীড়াপ্রেমী এই জমকালো উদ্বোধনী আয়োজনের সাক্ষী হন। এশিয়া অঞ্চলের ঐক্য ও ক্রীড়াবান্ধব মানসিকতার প্রতীক হিসেবে নাগোয়ার এই আসরটি বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে ইতিমধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

উদ্বোধনী এই অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহী প্যারেড অব নেশনস বা মার্চপাস্টে অংশ নেয় অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর প্রতিনিধিদল। বরাবরের মতো এবারও বিভিন্ন দেশের অ্যাথলেটরা নিজ নিজ দেশের পতাকা উড়িয়ে স্টেডিয়াম প্রদক্ষিণ করেন। বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদ ও প্রতিনিধিরাও এই বর্ণিল মিছিলে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার সাথে অংশ নেন। প্রতিযোগিতার এই উদ্বোধনী মহড়ায় লাল-সবুজের পতাকা উঁচুতে ধরে দেশবাসীর প্রত্যাশা ও সম্মান বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেন অ্যাথলেটরা।

এবারের আসরে বাংলাদেশের পতাকা বহনের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এই দায়িত্ব যৌথভাবে পালন করেছেন দেশের দুই কৃতি ক্রীড়াবিদ বাকী ও অন্তরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে লাল-সবুজের পতাকা হাতে যখন তারা প্যারেডে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন, তখন স্টেডিয়ামের গ্যালারি থেকে ক্রীড়াপ্রেমীরাও তাদের উৎসাহ জুগিয়েছেন। দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে যাওয়া এই তরুণ অ্যাথলেটদের কাঁধে পতাকা অর্পণ করায় ক্রীড়ামোদীদের মধ্যেও ব্যাপক আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

নাগোয়ার এই এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের ক্রীড়াবিদরা তাদের সেরাটা দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন। দেশের ক্রীড়া সংগঠক ও কোচরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, গতবারের তুলনায় এবার অ্যাথলেটরা আরও ভালো পারফরম্যান্স উপহার দেবেন। উদ্বোধনী আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর এখন মূল প্রতিযোগিতার লড়াইয়ে নামার অপেক্ষায় রয়েছে দেশের প্রতিনিধিদল। গোটা দেশের মানুষ এখন তাকিয়ে আছে এই আসরে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের সাফল্য অর্জনের দিকে।