ঢাকা ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

৪৬ বছর ধরে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথচলা

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ প্রকৃতি গড়ে তোলার প্রত্যয়ে আজ থেকে প্রায় সাড়ে চার দশক আগে দেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ বনায়ন কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। সালটা ছিল ১৯৮০, যখন দেশজুড়ে বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটি হাতে নেওয়া হয়েছিল। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই সংগঠনটি সাধারণ মানুষের মাঝে প্রকৃতিপ্রেম জাগিয়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

দীর্ঘ ৪৬ বছরের এই পথচলায় উদ্যোগটি দেশের পরিবেশগত উন্নয়নে এক অনন্য ভূমিকা পালন করেছে। গত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে এই কর্মসূচির আওতায় সারা দেশের সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাঝে বিনামূল্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। এর ফলে প্রান্তিক জনপদ থেকে শুরু করে শহরাঞ্চলের আনাচে-কানাচে সবুজায়নের পরিধি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিতরণ করা এই বিপুল পরিমাণ চারাগাছের মধ্যে শুধু কাঠ বা বনজ গাছই নয়, বরং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে প্রচুর ফলদ এবং ঔষধি গাছের চারাও অন্তর্ভুক্ত ছিল। দীর্ঘমেয়াদী এই কার্যক্রমের ফলে সময়ের পরিক্রমায় সারা দেশে ১৩ কোটিরও বেশি চারা বিনামূল্যে সফলভাবে বিতরণ করা সম্ভব হয়েছে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন বনায়ন সমৃদ্ধ হয়েছে, অন্যদিকে পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ফলদ ও ঔষধি গাছের ভূমিকাও নিশ্চিত হয়েছে।

পরিবেশবিদ ও সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় এ ধরনের দীর্ঘমেয়াদী বনায়ন কর্মসূচি অত্যন্ত ফলপ্রসূ অবদান রাখছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ও দূষণমুক্ত পৃথিবী উপহার দিতে এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিগত ৪৬ বছরের এই বর্ণাঢ্য অভিযাত্রা প্রমাণ করে যে, সঠিক পরিকল্পনা ও জনসচেতনতার মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক পরিবেশকে অনেকটাই সমৃদ্ধ করা সম্ভব।

জনপ্রিয়

বগুড়ায় জঙ্গল থেকে নবজাতক উদ্ধার

৪৬ বছর ধরে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথচলা

প্রকাশিত ০২:০১:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ প্রকৃতি গড়ে তোলার প্রত্যয়ে আজ থেকে প্রায় সাড়ে চার দশক আগে দেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ বনায়ন কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। সালটা ছিল ১৯৮০, যখন দেশজুড়ে বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটি হাতে নেওয়া হয়েছিল। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই সংগঠনটি সাধারণ মানুষের মাঝে প্রকৃতিপ্রেম জাগিয়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

দীর্ঘ ৪৬ বছরের এই পথচলায় উদ্যোগটি দেশের পরিবেশগত উন্নয়নে এক অনন্য ভূমিকা পালন করেছে। গত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে এই কর্মসূচির আওতায় সারা দেশের সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাঝে বিনামূল্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। এর ফলে প্রান্তিক জনপদ থেকে শুরু করে শহরাঞ্চলের আনাচে-কানাচে সবুজায়নের পরিধি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিতরণ করা এই বিপুল পরিমাণ চারাগাছের মধ্যে শুধু কাঠ বা বনজ গাছই নয়, বরং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে প্রচুর ফলদ এবং ঔষধি গাছের চারাও অন্তর্ভুক্ত ছিল। দীর্ঘমেয়াদী এই কার্যক্রমের ফলে সময়ের পরিক্রমায় সারা দেশে ১৩ কোটিরও বেশি চারা বিনামূল্যে সফলভাবে বিতরণ করা সম্ভব হয়েছে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন বনায়ন সমৃদ্ধ হয়েছে, অন্যদিকে পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ফলদ ও ঔষধি গাছের ভূমিকাও নিশ্চিত হয়েছে।

পরিবেশবিদ ও সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় এ ধরনের দীর্ঘমেয়াদী বনায়ন কর্মসূচি অত্যন্ত ফলপ্রসূ অবদান রাখছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ও দূষণমুক্ত পৃথিবী উপহার দিতে এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিগত ৪৬ বছরের এই বর্ণাঢ্য অভিযাত্রা প্রমাণ করে যে, সঠিক পরিকল্পনা ও জনসচেতনতার মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক পরিবেশকে অনেকটাই সমৃদ্ধ করা সম্ভব।