ঢাকা ০২:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ৪৬ বছর ধরে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথচলা Logo নারীর দক্ষতা উন্নয়নে বিডব্লিউসিআইয়ের প্রশিক্ষণ, সাফল্য ৭০ শতাংশ Logo দেশ কুষ্ঠমুক্ত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo ২০৬০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ায় জন্মহারকে ছাড়িয়ে যাবে মৃত্যুহার Logo সাইবার অপরাধের মামলায় ৬ বিদেশি তিন দিনের রিমান্ডে Logo গুলশানে ‘বারোক ক্যাফের’ নতুন শাখা Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে নোবিপ্রবিতে সচেতনতামূলক কর্মশালা Logo বেকারত্ব কমাতে কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo প্রধানমন্ত্রীর সফর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ইতিহাসের সূচনা: মাহদী আমিন Logo নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে নোবিপ্রবিতে নতুন উপকেন্দ্র উদ্বোধন

ডেঙ্গু প্রতিরোধে নোবিপ্রবিতে সচেতনতামূলক কর্মশালা

ডেঙ্গু রোগের বিস্তার রোধ এবং সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) একটি বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এডিস মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ও এর আশপাশের এলাকায় স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। নোবিপ্রবির সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ ও আয়োজকরা মনে করেন, শুধু চিকিৎসাধীন থাকা নয়, বরং মশার বংশবিস্তার রোধ করতে পারলে এই রোগ থেকে কার্যকর সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব।

উক্ত কর্মশালায় প্রধান আলোচক ও বিশেষজ্ঞরা ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং এর ভয়াবহতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তারা উপস্থিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের জানান কীভাবে দৈনন্দিন জীবনে পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে এই মারাত্মক রোগ মোকাবিলা করা যায়। এছাড়া, এডিস মশার জীবনচক্র এবং কোন কোন স্থানে এগুলো ডিম পাড়ে, সে বিষয়েও বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি সদস্যের মধ্যে পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতনতা তৈরি করা। বক্তারা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, জমে থাকা পরিষ্কার পানিই এডিস মশার প্রধান প্রজননক্ষেত্র, তাই ফুলের টব, ডাবের খোসা কিংবা পরিত্যক্ত পাত্রে যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে সবাইকে কড়া নজর রাখতে হবে। নিয়মিত ব্লিচিং পাউডার বা মশানাশক স্প্রে ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশ নিরাপদ রাখার ওপরও জোর দেওয়া হয়।

কর্মশালার শেষ পর্যায়ে ক্যাম্পাস এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য একটি বিশেষ দল গঠন করা হয় এবং কিছু দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই কর্মশালার মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান শুধু ক্যাম্পাসের গণ্ডির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ এলাকায় ফিরে গিয়েও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ভূমিকা পালন করতে পারবেন। এর ফলে সামগ্রিকভাবে একটি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে সবাই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয়

৪৬ বছর ধরে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথচলা

ডেঙ্গু প্রতিরোধে নোবিপ্রবিতে সচেতনতামূলক কর্মশালা

প্রকাশিত ১২:৩০:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডেঙ্গু রোগের বিস্তার রোধ এবং সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) একটি বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এডিস মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ও এর আশপাশের এলাকায় স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। নোবিপ্রবির সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ ও আয়োজকরা মনে করেন, শুধু চিকিৎসাধীন থাকা নয়, বরং মশার বংশবিস্তার রোধ করতে পারলে এই রোগ থেকে কার্যকর সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব।

উক্ত কর্মশালায় প্রধান আলোচক ও বিশেষজ্ঞরা ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং এর ভয়াবহতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তারা উপস্থিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের জানান কীভাবে দৈনন্দিন জীবনে পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে এই মারাত্মক রোগ মোকাবিলা করা যায়। এছাড়া, এডিস মশার জীবনচক্র এবং কোন কোন স্থানে এগুলো ডিম পাড়ে, সে বিষয়েও বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি সদস্যের মধ্যে পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতনতা তৈরি করা। বক্তারা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, জমে থাকা পরিষ্কার পানিই এডিস মশার প্রধান প্রজননক্ষেত্র, তাই ফুলের টব, ডাবের খোসা কিংবা পরিত্যক্ত পাত্রে যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে সবাইকে কড়া নজর রাখতে হবে। নিয়মিত ব্লিচিং পাউডার বা মশানাশক স্প্রে ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশ নিরাপদ রাখার ওপরও জোর দেওয়া হয়।

কর্মশালার শেষ পর্যায়ে ক্যাম্পাস এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য একটি বিশেষ দল গঠন করা হয় এবং কিছু দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই কর্মশালার মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান শুধু ক্যাম্পাসের গণ্ডির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ এলাকায় ফিরে গিয়েও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ভূমিকা পালন করতে পারবেন। এর ফলে সামগ্রিকভাবে একটি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে সবাই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।