ঢাকা ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo গ্রিনল্যান্ডে দুটি নতুন সামরিক ঘাঁটি বানাবে যুক্তরাষ্ট্র Logo শ্রীমঙ্গলে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৩ Logo ২০২০ সালে বলিউডের এক তারকার ম্যানেজারের মৃত্যুর মামলা কেন আবারও তদন্ত করা হচ্ছে Logo তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যয় Logo নগদ অ্যাপে আইএফআইসি ব্যাংকের সঞ্চয় ও ঋণসেবা দিতে সমঝোতা চুক্তি Logo আন্তর্জাতিক বাজারে ওয়ালটনের মতো দেশীয় ব্র্যান্ডকে আরো তুলে ধরতে হবে: রাষ্ট্রদূত Logo কুষ্টিয়ায় ভেজাল সার বিক্রির দায়ে লাখ টাকা জরিমানা Logo সওজ বলছে অনুমোদন নেই, বন বিভাগ কাটছে তবু সিলেট-তামাবিল সড়কের গাছ Logo পুরোপুরি চালু হয়নি পিরোজপুর ডাম্পিং স্টেশন, রাজস্ব হারাচ্ছে পৌরসভা Logo জবিতে প্রথমবারের ‘স্পেশাল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন অধ্যাপক ইমরানুল

তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যয়

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ফোরামের ফাঁকে দুই দেশের শীর্ষ নেতার এই গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্বের নানা দিক নিয়ে এ সময় ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

আলোচনাকালে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং কৌশলগত সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়। বিশেষ করে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষাখাতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার ক্ষেত্রে দুই নেতাই প্রবল আগ্রহ প্রকাশ করেন। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পারস্পরিক এই অংশীদারিত্ব কীভাবে আরও অর্থবহ করা যায়, সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনাসমূহ পর্যালোচনা করা হয়।

বৈঠকে দুই দেশের জনগণের কল্যাণে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তিগত আদান-প্রদান আরও ত্বরান্বিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়। দুই রাষ্ট্রপ্রধান একমত হন যে, ভ্রাতৃপ্রতিম এই দুই দেশের সম্পর্ক কেবল কূটনৈতিক গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে অর্থনৈতিকভাবে আরও গভীর হওয়া প্রয়োজন। এ সময় পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে খোলামেলা আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎ শেষে দুই শীর্ষ নেতাই আগামী দিনে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মহল মনে করছে। এর মাধ্যমে দুই দেশের পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও সুদৃঢ় হবে এবং ভবিষ্যতের অংশীদারিত্বের পথ আরও সুগম হবে।

জনপ্রিয়

গ্রিনল্যান্ডে দুটি নতুন সামরিক ঘাঁটি বানাবে যুক্তরাষ্ট্র

তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যয়

প্রকাশিত ০৮:৪৬:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ফোরামের ফাঁকে দুই দেশের শীর্ষ নেতার এই গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্বের নানা দিক নিয়ে এ সময় ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

আলোচনাকালে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং কৌশলগত সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়। বিশেষ করে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষাখাতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার ক্ষেত্রে দুই নেতাই প্রবল আগ্রহ প্রকাশ করেন। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পারস্পরিক এই অংশীদারিত্ব কীভাবে আরও অর্থবহ করা যায়, সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনাসমূহ পর্যালোচনা করা হয়।

বৈঠকে দুই দেশের জনগণের কল্যাণে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তিগত আদান-প্রদান আরও ত্বরান্বিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়। দুই রাষ্ট্রপ্রধান একমত হন যে, ভ্রাতৃপ্রতিম এই দুই দেশের সম্পর্ক কেবল কূটনৈতিক গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে অর্থনৈতিকভাবে আরও গভীর হওয়া প্রয়োজন। এ সময় পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে খোলামেলা আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎ শেষে দুই শীর্ষ নেতাই আগামী দিনে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মহল মনে করছে। এর মাধ্যমে দুই দেশের পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও সুদৃঢ় হবে এবং ভবিষ্যতের অংশীদারিত্বের পথ আরও সুগম হবে।