ঢাকা ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo নানা সংকটে বান্দরবানের পর্যটন শিল্প, বাড়ছে ভোগান্তি Logo একক আধিপত্য দেখিয়ে স্বর্ণপদকের সেঞ্চুরি চীনের Logo সড়কে রহস্যময় ঘটনা, ‘ভূত-জ্বীন’ থেকে বাঁচতে মিলাদ মাহফিল Logo ইরান-কিউবা ইস্যুতে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা চীনের Logo জবি গেটে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী আটক, পুলিশের কাছে হস্তান্তর Logo বসতভিটা বাঁচাতে গ্রামবাসীই আটক করলেন ড্রেজার, পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা Logo জন্মদিন পালনের আয়োজন করে কেক-মোটরসাইকেল ফেলে পালাল নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতাকর্মীরা Logo ‘ইসরাইলি নির্বাচনের চালিকাশক্তি হলো ফিলিস্তিনিদের রক্ত’ Logo খসড়া হুবহু পাস হয়ে গেলেও সরকার আওয়ামী লীগের মতো করে সেটি ব্যবহার করবে না: তথ্য উপদেষ্টা Logo ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুটি আইসিইউ চালু

দাম্পত্যে ভালোবাসা: নবীজির জীবন থেকে ১০ সুন্নত

দাম্পত্য জীবন সুখের ও দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য পারস্পরিক ভালোবাসা এবং তা প্রকাশের বিকল্প নেই। সমাজে অনেক সময় ভুল ধারণা প্রচলিত থাকে যে স্ত্রীর প্রতি গভীর অনুরাগের কথা মনে পুষে রাখাই পুরুষত্ব বা ব্যক্তিত্বের পরিচায়ক। অথচ ইসলাম ধর্মের সোনালী ইতিহাসে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ সা.-এর জীবন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তিনি জীবনসঙ্গীর প্রতি নিজের ভালোবাসা প্রকাশের ক্ষেত্রে ছিলেন সম্পূর্ণ মুক্ত ও অকপট।

ইসলাম ধর্মে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার সম্পর্ককে অত্যন্ত পবিত্র এবং মর্যাদাপূর্ণ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। মহানবী সা. শুধু নিজ পরিবারে ভালোবাসার চর্চাই করেননি, বরং তার উম্মতদের জন্যও উত্তম নমুনা রেখে গেছেন। প্রিয়তমা স্ত্রীর সঙ্গে কোমল আচরণ করা, তাদের ছোটোখাটো চাওয়া-পাওয়াকে গুরুত্ব দেওয়া এবং সুখে-দুঃখে পাশে থাকা ছিল তার প্রতিদিনের অভ্যাসের অংশ।

নবীজির সুন্নতের মধ্যে এমন বহু সুন্দর দৃষ্টান্ত রয়েছে যা বর্তমান সময়ের দাম্পত্য কলহ ও দূরত্ব দূর করতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। স্ত্রীর সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলা, সুস্বাদু খাবারে অংশীদার হওয়া কিংবা একসঙ্গে সময় কাটানোর মতো ছোট ছোট বিষয়গুলোকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্ব দিতেন। এই আচার-ব্যবহারগুলো প্রমাণ করে যে পারিবারিক জীবনে বিনয় ও ভালোবাসার প্রকাশ দুর্বলতা নয়, বরং সুমহান চরিত্রের লক্ষণ।

আজকের আধুনিক যান্ত্রিক জীবনে অনেক দম্পতির মধ্যে মানসিক দূরত্ব তৈরি হচ্ছে, যার মূল কারণ যথাযথভাবে অনুভূতি প্রকাশ না করা। মহানবী সা.-এর জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে সম্পর্কের মাঝে মাধুর্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব। পারস্পরিক সম্মান, বিশ্বাস এবং ভালোবাসার সঠিক বহিঃপ্রকাশই একটি পরিবারকে স্বর্গীয় সুখে পরিপূর্ণ করে তুলতে পারে।

জনপ্রিয়

নানা সংকটে বান্দরবানের পর্যটন শিল্প, বাড়ছে ভোগান্তি

দাম্পত্যে ভালোবাসা: নবীজির জীবন থেকে ১০ সুন্নত

প্রকাশিত ০৫:০০:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দাম্পত্য জীবন সুখের ও দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য পারস্পরিক ভালোবাসা এবং তা প্রকাশের বিকল্প নেই। সমাজে অনেক সময় ভুল ধারণা প্রচলিত থাকে যে স্ত্রীর প্রতি গভীর অনুরাগের কথা মনে পুষে রাখাই পুরুষত্ব বা ব্যক্তিত্বের পরিচায়ক। অথচ ইসলাম ধর্মের সোনালী ইতিহাসে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ সা.-এর জীবন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তিনি জীবনসঙ্গীর প্রতি নিজের ভালোবাসা প্রকাশের ক্ষেত্রে ছিলেন সম্পূর্ণ মুক্ত ও অকপট।

ইসলাম ধর্মে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার সম্পর্ককে অত্যন্ত পবিত্র এবং মর্যাদাপূর্ণ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। মহানবী সা. শুধু নিজ পরিবারে ভালোবাসার চর্চাই করেননি, বরং তার উম্মতদের জন্যও উত্তম নমুনা রেখে গেছেন। প্রিয়তমা স্ত্রীর সঙ্গে কোমল আচরণ করা, তাদের ছোটোখাটো চাওয়া-পাওয়াকে গুরুত্ব দেওয়া এবং সুখে-দুঃখে পাশে থাকা ছিল তার প্রতিদিনের অভ্যাসের অংশ।

নবীজির সুন্নতের মধ্যে এমন বহু সুন্দর দৃষ্টান্ত রয়েছে যা বর্তমান সময়ের দাম্পত্য কলহ ও দূরত্ব দূর করতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। স্ত্রীর সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলা, সুস্বাদু খাবারে অংশীদার হওয়া কিংবা একসঙ্গে সময় কাটানোর মতো ছোট ছোট বিষয়গুলোকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্ব দিতেন। এই আচার-ব্যবহারগুলো প্রমাণ করে যে পারিবারিক জীবনে বিনয় ও ভালোবাসার প্রকাশ দুর্বলতা নয়, বরং সুমহান চরিত্রের লক্ষণ।

আজকের আধুনিক যান্ত্রিক জীবনে অনেক দম্পতির মধ্যে মানসিক দূরত্ব তৈরি হচ্ছে, যার মূল কারণ যথাযথভাবে অনুভূতি প্রকাশ না করা। মহানবী সা.-এর জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে সম্পর্কের মাঝে মাধুর্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব। পারস্পরিক সম্মান, বিশ্বাস এবং ভালোবাসার সঠিক বহিঃপ্রকাশই একটি পরিবারকে স্বর্গীয় সুখে পরিপূর্ণ করে তুলতে পারে।