ঢাকা ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo নানা সংকটে বান্দরবানের পর্যটন শিল্প, বাড়ছে ভোগান্তি Logo একক আধিপত্য দেখিয়ে স্বর্ণপদকের সেঞ্চুরি চীনের Logo সড়কে রহস্যময় ঘটনা, ‘ভূত-জ্বীন’ থেকে বাঁচতে মিলাদ মাহফিল Logo ইরান-কিউবা ইস্যুতে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা চীনের Logo জবি গেটে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী আটক, পুলিশের কাছে হস্তান্তর Logo বসতভিটা বাঁচাতে গ্রামবাসীই আটক করলেন ড্রেজার, পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা Logo জন্মদিন পালনের আয়োজন করে কেক-মোটরসাইকেল ফেলে পালাল নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতাকর্মীরা Logo ‘ইসরাইলি নির্বাচনের চালিকাশক্তি হলো ফিলিস্তিনিদের রক্ত’ Logo খসড়া হুবহু পাস হয়ে গেলেও সরকার আওয়ামী লীগের মতো করে সেটি ব্যবহার করবে না: তথ্য উপদেষ্টা Logo ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুটি আইসিইউ চালু

জবি গেটে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী আটক, পুলিশের কাছে হস্তান্তর

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় প্রধান ফটক এলাকা থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের এক নেতাকে আটক করার পর পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়েছে। সম্প্রতি রাতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করেন। আটক হওয়া ওই ব্যক্তির নাম সুমন খান মিরাজ, যিনি কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বলে জানা গেছে। তার বাড়ি পটুয়াখালী জেলার বদরপুর এলাকায় এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই ছাত্রসংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে প্রাথমিক তথ্যে উঠে এসেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাতের বেলা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ফটকের সামনে সন্দেহজনক অবস্থায় ফোনে কথা বলছিলেন ওই ব্যক্তি। তিনি মুঠোফোনে অন্যপ্রান্তের কাউকে আশপাশে লোকজনের অনুপস্থিতি জানিয়ে ক্যাম্পাসের আশপাশে ককটেল বিস্ফোরণ এবং ব্যানার লাগানোর বিষয়ে নির্দেশনা দিচ্ছিলেন। তার এই কথোপকথন শুনে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের সন্দেহ হয় এবং তারা তাকে জেরা করতে শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে শিক্ষার্থীরা তাকে দ্রুত ঘিরে ধরে আটক করতে সক্ষম হন।

আটকের পর উপস্থিত শিক্ষার্থীরা ওই ব্যক্তির মোবাইল ফোন তল্লাশি করে দেখেন যে, তাতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠনের বিভিন্ন মিছিল ও শোডাউনের ছবি ও ভিডিও সংরক্ষিত রয়েছে। তবে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ধরনের মারাত্মক অস্ত্র বা বিস্ফোরক উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে তাকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মীদের একটি কক্ষে নিরাপদে আটকে রাখা হয় এবং পরবর্তীতে কোতোয়ালি থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আজম খান গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনার সময় তিনি বিশ্রামে ছিলেন এবং পরবর্তীতে ফোন পেয়ে শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে নিষিদ্ধ সংগঠনের এক কর্মী আটকের বিষয়টি জানতে পারেন। শিক্ষার্থীরা ককটেল বিস্ফোরণ ও ব্যানার টানানোর পরিকল্পনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ এনেছেন এবং প্রক্টরিয় টিম তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করে। এদিকে এ ঘটনায় অভিযুক্ত ওই নেতার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তবে এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশের দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয়

নানা সংকটে বান্দরবানের পর্যটন শিল্প, বাড়ছে ভোগান্তি

জবি গেটে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী আটক, পুলিশের কাছে হস্তান্তর

প্রকাশিত ০৫:৪৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় প্রধান ফটক এলাকা থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের এক নেতাকে আটক করার পর পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়েছে। সম্প্রতি রাতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করেন। আটক হওয়া ওই ব্যক্তির নাম সুমন খান মিরাজ, যিনি কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বলে জানা গেছে। তার বাড়ি পটুয়াখালী জেলার বদরপুর এলাকায় এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই ছাত্রসংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে প্রাথমিক তথ্যে উঠে এসেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাতের বেলা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ফটকের সামনে সন্দেহজনক অবস্থায় ফোনে কথা বলছিলেন ওই ব্যক্তি। তিনি মুঠোফোনে অন্যপ্রান্তের কাউকে আশপাশে লোকজনের অনুপস্থিতি জানিয়ে ক্যাম্পাসের আশপাশে ককটেল বিস্ফোরণ এবং ব্যানার লাগানোর বিষয়ে নির্দেশনা দিচ্ছিলেন। তার এই কথোপকথন শুনে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের সন্দেহ হয় এবং তারা তাকে জেরা করতে শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে শিক্ষার্থীরা তাকে দ্রুত ঘিরে ধরে আটক করতে সক্ষম হন।

আটকের পর উপস্থিত শিক্ষার্থীরা ওই ব্যক্তির মোবাইল ফোন তল্লাশি করে দেখেন যে, তাতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠনের বিভিন্ন মিছিল ও শোডাউনের ছবি ও ভিডিও সংরক্ষিত রয়েছে। তবে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ধরনের মারাত্মক অস্ত্র বা বিস্ফোরক উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে তাকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মীদের একটি কক্ষে নিরাপদে আটকে রাখা হয় এবং পরবর্তীতে কোতোয়ালি থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আজম খান গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনার সময় তিনি বিশ্রামে ছিলেন এবং পরবর্তীতে ফোন পেয়ে শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে নিষিদ্ধ সংগঠনের এক কর্মী আটকের বিষয়টি জানতে পারেন। শিক্ষার্থীরা ককটেল বিস্ফোরণ ও ব্যানার টানানোর পরিকল্পনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ এনেছেন এবং প্রক্টরিয় টিম তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করে। এদিকে এ ঘটনায় অভিযুক্ত ওই নেতার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তবে এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশের দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।