ঢাকা ১২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বেনাপোল কাস্টমসের রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা ১০ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা Logo স্বাস্থ্যকর খাবার কেনার সামর্থ্য নেই প্রায় ৭ কোটি বাংলাদেশির Logo দল থেকে বহিষ্কার হওয়া এমপি নজরুলের আসন শূন্য হওয়া নিয়ে যা জানালো ইসি Logo রান্না হতেই বদলে গেল রঙ, সবুজ মাংসের কড়াই নিয়ে সোজা থানায় ভুক্তভোগীরা! Logo জুলাই শহীদদের স্মরণে ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল  Logo চরভদ্রাসনে খাল কাটায় ‘ভূতুড়ে শ্রমিক’: কাগজে ১৭৮, মাঠে ৫০ Logo আগামী বছরের শুরুতেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: মির্জা ফখরুল Logo বিক্ষোভকারীদের ওপর বলপ্রয়োগের ঘটনায় ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের Logo এনসিপি নেত্রীদের ‘জামাতের দাসী’ বলে ট্রল ও হেনস্তার প্রতিবাদ Logo কর্মসংস্থানে সমতার অঙ্গীকারে এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন হলো স্বপ্ন

এক মাস পর মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন শুরু

এক মাস বন্ধ থাকার পর পুনরায় উৎপাদনে ফিরেছে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র। আজ (শনিবার, ৩০ নভেম্বর) বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো ৬শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে দায়িত্ব রত কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন মজুমদার।

এর আগে কয়লা সংকট কেটে যাওয়ায় ১ ডিসেম্বর থেকে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন শুরুর বিষয়ে জানানো হয়েছিল। সে সময় বলা হয়, কয়লা সংকট কেটে যাওয়ায় কক্সবাজারের মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এক মাস পর আবারো উৎপাদনে যাচ্ছে। ১ ডিসেম্বর থেকে উৎপাদন শুরুর লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে গত বুধবার (২৭ নভেম্বর) ইন্দোনেশিয়া থেকে পানামার পতাকাবাহী একটি জাহাজে করে আনা হয়েছে ৭০ হাজার টন কয়লা। জাপানের সুমিতমো করপোরেশনের সাথে চুক্তি শেষ হওয়ার পর মেঘনা গ্রুপের আমদানি করা এটিই প্রথম কয়লার চালান।

ওই কয়লা দিয়েই উৎপাদন শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন মজুমদার।

তিনি জানান, শীতকালে বিদ্যুতের চাহিদা যেহেতু কম, তাই একটি ইউনিট চালু করা হয়েছে। চাহিদা বাড়লে জানুয়ারির দিকে উৎপাদন বাড়তে পারে।

এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১২শ মেগাওয়াট। প্রকল্পের একটি ইউনিট ২০২৩ সালের জুলাই ও অপর ইউনিট ডিসেম্বরে চালু হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, সুমিতমো করপোরেশন কয়লার সর্বশেষ সরবরাহ দিয়েছিল গত আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে। উৎপাদন শুরুর পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে আনা হয়েছিল মোট ২২ লাখ ৫ হাজার টন কয়লা।

সেই মজুত পুরোপুরি শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ৩১ অক্টোবর থেকে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির দুই ইউনিটেরই উৎপাদন কার্যক্রম।

জনপ্রিয়

বেনাপোল কাস্টমসের রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা ১০ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা

এক মাস পর মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন শুরু

প্রকাশিত ০৮:৫০:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৪

এক মাস বন্ধ থাকার পর পুনরায় উৎপাদনে ফিরেছে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র। আজ (শনিবার, ৩০ নভেম্বর) বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো ৬শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে দায়িত্ব রত কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন মজুমদার।

এর আগে কয়লা সংকট কেটে যাওয়ায় ১ ডিসেম্বর থেকে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন শুরুর বিষয়ে জানানো হয়েছিল। সে সময় বলা হয়, কয়লা সংকট কেটে যাওয়ায় কক্সবাজারের মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এক মাস পর আবারো উৎপাদনে যাচ্ছে। ১ ডিসেম্বর থেকে উৎপাদন শুরুর লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে গত বুধবার (২৭ নভেম্বর) ইন্দোনেশিয়া থেকে পানামার পতাকাবাহী একটি জাহাজে করে আনা হয়েছে ৭০ হাজার টন কয়লা। জাপানের সুমিতমো করপোরেশনের সাথে চুক্তি শেষ হওয়ার পর মেঘনা গ্রুপের আমদানি করা এটিই প্রথম কয়লার চালান।

ওই কয়লা দিয়েই উৎপাদন শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন মজুমদার।

তিনি জানান, শীতকালে বিদ্যুতের চাহিদা যেহেতু কম, তাই একটি ইউনিট চালু করা হয়েছে। চাহিদা বাড়লে জানুয়ারির দিকে উৎপাদন বাড়তে পারে।

এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১২শ মেগাওয়াট। প্রকল্পের একটি ইউনিট ২০২৩ সালের জুলাই ও অপর ইউনিট ডিসেম্বরে চালু হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, সুমিতমো করপোরেশন কয়লার সর্বশেষ সরবরাহ দিয়েছিল গত আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে। উৎপাদন শুরুর পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে আনা হয়েছিল মোট ২২ লাখ ৫ হাজার টন কয়লা।

সেই মজুত পুরোপুরি শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ৩১ অক্টোবর থেকে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির দুই ইউনিটেরই উৎপাদন কার্যক্রম।