ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে  Logo ৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণে মিললো সমাধান, ববি শিক্ষার্থীদের অবরোধ প্রত্যাহার Logo জাবিতে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রকল্যাণ সংঘের সভাপতি হাসান, সম্পাদক কাফী Logo কুবির বিজয়-২৪ হলকে মাদকমুক্ত করতে উপাচার্য ও প্রক্টর বরাবর স্মারকলিপি Logo রাবিতে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার মনোজ কুমার Logo বাঁধন, জবি ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত Logo দপদপিয়া সেতুতে আবারও দুর্ঘটনা: একদিনে দুই ঘটনায় আহত ৩ ববি শিক্ষার্থী Logo যাত্রাবাড়ীতে বিপুল গাঁজাসহ তিন মাদককারবারী গ্রেপ্তার Logo জাবির ছাত্রী হলে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, তদন্ত কমিটি গঠন Logo সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞান চর্চায় বাকৃবির মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ে ‘ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা’

যবিপ্রবিতে ভবিষ্যতের পদার্থবিজ্ঞান: পদার্থ, শক্তি, জীবন এবং মহাবিশ্ব অনুসন্ধান বিষয়ক ন্যাশনাল কনফারেন্স

  • রায়হান আহমদ
  • প্রকাশিত ১১:৫৪:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫
  • ৯১ বার পঠিত

পদার্থ, শক্তি, জীবন এবং মহাবিশ্ব অনুসন্ধানে পদার্থবিজ্ঞানের ব্যবহার ও তার সামগ্রীক বিষয়ে প্রযুক্তিগত জ্ঞান বৃদ্ধির লক্ষ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ প্রথম ন্যাশনাল কনফারেন্সের আয়োজন করে।

 

আজ রবিবার (২৯ জুন) সকাল ১০ টায় যবিপ্রবির কেন্দ্রীয় গ্যালারীতে ‘‘ফিজিক্স ফর দ্যা ফিউচার: এক্সপ্লোরিং ম্যাটার, এনার্জি, লাইফ অ্যান্ড কসমস” বিষয়ক ন্যাশনাল কনফারেন্স আয়োজন করে যবিপ্রবির পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ। কনফারেন্সে যবিপ্রবিসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। কনফারেন্সে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবি উপাচার্য (রুটিন দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন।

 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবি উপাচার্য (রুটিন দায়িত্ব) বলেন, কনফারেন্স শিক্ষার্থীদের জন্য উৎসব। এখান থেকে শিক্ষার্থীরা নতুন নতুন জ্ঞান আরোহন করবে এবং নিজেদের দক্ষ জনবল হিসেব গড়ে তুলবে। কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করলে শিক্ষার্থীদের চিন্তা ভাবনার বিকাশ ঘটে। বক্তাদের কাছ থেকে শিক্ষার্থীরা পদার্থবিজ্ঞানের নতুন নতুন গবেষণা ও উচ্চশিক্ষা সম্পর্কে আরও জানতে পারবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

কনফারেন্সে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল ফিজিক্স ও টেকনোলজি বিভাগের সম্মানিত অধ্যাপক ড. খন্দকার সিদ্দিক-ই-রাব্বানী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহোদয় ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নাকিব এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আক্তার হোসেন। ভবিষ্যতের পদার্থবিজ্ঞান, পদার্থ, শক্তি, জীবন এবং মহাবিশ্বের গভীর ধারণাগুলির অনুসন্ধানের একটি ক্ষেত্র। এটি বর্তমান পদার্থবিজ্ঞানের জ্ঞান এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে থাকে, নতুন আবিষ্কার এবং উদ্ভাবনের সম্ভাবনা অন্বেষণ করে। তারা পদার্থবিজ্ঞানকে শুধু একটি বিষয় নয়, বরং এটি ভবিষ্যতের নতুন নতুন আবিস্কার ও আধুনিক উদ্ভাবনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের বিষয়ে গবেষণালদ্ধ তথ্য, উপাত্ত ও পরিসীমা বিষয়ে স্লাইড আকারে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

 

কনফারেন্সের প্রথম পর্ব শুরু হয় সকাল ১০টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। দুপুর ০২টা থেকে ৪.৪৫ পর্যন্ত ওরাল ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন শেষে বিকেল ৪.৪৫ মিনিটে কনফারেন্সে অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

 

কনফারেন্সে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মো. কোরবান আলী। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কনফারেন্সের আহবায়ক ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোঃ মাসুম বিল্লাহ। অনুষ্ঠানে যবিপ্রবির পদার্থবিজ্ঞান বিভাগসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আফিয়া আবিদা মেহনাজ ও তানজীদ মাহমুদ মাহিন।

জনপ্রিয়

ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে 

যবিপ্রবিতে ভবিষ্যতের পদার্থবিজ্ঞান: পদার্থ, শক্তি, জীবন এবং মহাবিশ্ব অনুসন্ধান বিষয়ক ন্যাশনাল কনফারেন্স

প্রকাশিত ১১:৫৪:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫

পদার্থ, শক্তি, জীবন এবং মহাবিশ্ব অনুসন্ধানে পদার্থবিজ্ঞানের ব্যবহার ও তার সামগ্রীক বিষয়ে প্রযুক্তিগত জ্ঞান বৃদ্ধির লক্ষ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ প্রথম ন্যাশনাল কনফারেন্সের আয়োজন করে।

 

আজ রবিবার (২৯ জুন) সকাল ১০ টায় যবিপ্রবির কেন্দ্রীয় গ্যালারীতে ‘‘ফিজিক্স ফর দ্যা ফিউচার: এক্সপ্লোরিং ম্যাটার, এনার্জি, লাইফ অ্যান্ড কসমস” বিষয়ক ন্যাশনাল কনফারেন্স আয়োজন করে যবিপ্রবির পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ। কনফারেন্সে যবিপ্রবিসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। কনফারেন্সে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবি উপাচার্য (রুটিন দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন।

 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবি উপাচার্য (রুটিন দায়িত্ব) বলেন, কনফারেন্স শিক্ষার্থীদের জন্য উৎসব। এখান থেকে শিক্ষার্থীরা নতুন নতুন জ্ঞান আরোহন করবে এবং নিজেদের দক্ষ জনবল হিসেব গড়ে তুলবে। কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করলে শিক্ষার্থীদের চিন্তা ভাবনার বিকাশ ঘটে। বক্তাদের কাছ থেকে শিক্ষার্থীরা পদার্থবিজ্ঞানের নতুন নতুন গবেষণা ও উচ্চশিক্ষা সম্পর্কে আরও জানতে পারবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

কনফারেন্সে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল ফিজিক্স ও টেকনোলজি বিভাগের সম্মানিত অধ্যাপক ড. খন্দকার সিদ্দিক-ই-রাব্বানী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহোদয় ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নাকিব এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আক্তার হোসেন। ভবিষ্যতের পদার্থবিজ্ঞান, পদার্থ, শক্তি, জীবন এবং মহাবিশ্বের গভীর ধারণাগুলির অনুসন্ধানের একটি ক্ষেত্র। এটি বর্তমান পদার্থবিজ্ঞানের জ্ঞান এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে থাকে, নতুন আবিষ্কার এবং উদ্ভাবনের সম্ভাবনা অন্বেষণ করে। তারা পদার্থবিজ্ঞানকে শুধু একটি বিষয় নয়, বরং এটি ভবিষ্যতের নতুন নতুন আবিস্কার ও আধুনিক উদ্ভাবনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের বিষয়ে গবেষণালদ্ধ তথ্য, উপাত্ত ও পরিসীমা বিষয়ে স্লাইড আকারে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

 

কনফারেন্সের প্রথম পর্ব শুরু হয় সকাল ১০টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। দুপুর ০২টা থেকে ৪.৪৫ পর্যন্ত ওরাল ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন শেষে বিকেল ৪.৪৫ মিনিটে কনফারেন্সে অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

 

কনফারেন্সে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মো. কোরবান আলী। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কনফারেন্সের আহবায়ক ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোঃ মাসুম বিল্লাহ। অনুষ্ঠানে যবিপ্রবির পদার্থবিজ্ঞান বিভাগসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আফিয়া আবিদা মেহনাজ ও তানজীদ মাহমুদ মাহিন।