ঢাকা ০২:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo পিএইচপি প্রোগ্রামিংয়ে ত্রুটি শনাক্ত, নিরাপত্তার উদ্বেগে বন্ধ বহু ওয়েবসাইট Logo ইউক্রেইন-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনায় বসতে রাজি পুতিন Logo আর্জেন্টাইন প্রতিভার মাস্টারক্লাস, ইউনাইটেডকে গুঁড়িয়ে দিল কোমো Logo ‘ফাদার অব অল বোমস’ উন্মোচনের ঘোষণা ইরানের Logo ব্যাটিং ব্যর্থতায় আরেকটি পরাজয়ে বিব্রতকর বিদায় বাংলাদেশের Logo যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলো ১ লাখ ৭৫ হাজার টন গম Logo মোহাম্মদপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-স্বেচ্ছাসেবক লীগের ৪ জন গ্রেপ্তার Logo গ্রীষ্মের আগেই চার হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব Logo ৩১ অক্টোবর জামায়াতের লংমার্চ Logo ৪৫তম বিসিএসের গেজেটে নাম নেই বাকৃবির মেহেদীর, তদন্তে ভুলের অভিযোগ

চীনা ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশে চায় ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও বাড়িয়ে তুলতে দেশটির প্রধান ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর আনুষ্ঠানিক আহ্বান জানিয়েছে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি বেইজিংয়ে এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক অব চায়নার সদর দপ্তরে যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইনভেস্ট বাংলাদেশ যৌথভাবে দুই দেশের আর্থিক সংযোগ নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপস্থাপনা তুলে ধরে। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশে চীনা ব্যাংকের উপস্থিতি থাকলে বিনিয়োগকারীদের জন্য অর্থায়ন পাওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুততর হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত তথ্যে বলা হয়েছে, গত অর্থবছরে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৯ বিলিয়ন ডলার। অথচ এর তুলনায় কম বাণিজ্যের দেশ কম্বোডিয়া, শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমারেও চীনা ব্যাংকগুলোর সরাসরি কার্যক্রম চালু রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিনিয়োগ খাত, মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং চাইনিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনে বিনিয়োগের বিভিন্ন সুযোগ তুলে ধরা হয়। এসব ক্ষেত্রে চীনা কোম্পানি ও তাদের অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে অংশ নিতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ ও চীন সহযোগিতার পরবর্তী ধাপ হিসেবে আর্থিক সংযোগ স্থাপন অত্যন্ত জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগ করা চীনা কোম্পানিগুলোর সহজ বাণিজ্য অর্থায়ন, চলতি মূলধন এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সহায়তা প্রয়োজন। দুই দেশের বিশাল বা বাণিজ্যের পরিমাণই এই ধরনের আর্থিক সংযোগের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। বাংলাদেশে চীনা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উপস্থিতি বাড়লে উভয় দেশই উপকৃত হবে এবং বিনিয়োগের সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হবে।

এই আয়োজনে চীনের ১১টি শীর্ষস্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়, যার মধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম ব্যাংকগুলোর নামও রয়েছে। এছাড়া অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, তথ্যপ্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও কৃষিপ্রযুক্তি খাতের ২৬টি চীনা কোম্পানি এতে যোগ দেয়। চায়না এক্সিম ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াং কাং বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে অবকাঠামো, জ্বালানি ও উৎপাদনশিল্প খাতে তাদের প্রায় ৪০টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। অনুষ্ঠানে চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

পিএইচপি প্রোগ্রামিংয়ে ত্রুটি শনাক্ত, নিরাপত্তার উদ্বেগে বন্ধ বহু ওয়েবসাইট

চীনা ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশে চায় ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’

প্রকাশিত ০৯:০৭:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও বাড়িয়ে তুলতে দেশটির প্রধান ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর আনুষ্ঠানিক আহ্বান জানিয়েছে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি বেইজিংয়ে এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক অব চায়নার সদর দপ্তরে যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইনভেস্ট বাংলাদেশ যৌথভাবে দুই দেশের আর্থিক সংযোগ নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপস্থাপনা তুলে ধরে। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশে চীনা ব্যাংকের উপস্থিতি থাকলে বিনিয়োগকারীদের জন্য অর্থায়ন পাওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুততর হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত তথ্যে বলা হয়েছে, গত অর্থবছরে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৯ বিলিয়ন ডলার। অথচ এর তুলনায় কম বাণিজ্যের দেশ কম্বোডিয়া, শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমারেও চীনা ব্যাংকগুলোর সরাসরি কার্যক্রম চালু রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিনিয়োগ খাত, মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং চাইনিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনে বিনিয়োগের বিভিন্ন সুযোগ তুলে ধরা হয়। এসব ক্ষেত্রে চীনা কোম্পানি ও তাদের অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে অংশ নিতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ ও চীন সহযোগিতার পরবর্তী ধাপ হিসেবে আর্থিক সংযোগ স্থাপন অত্যন্ত জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগ করা চীনা কোম্পানিগুলোর সহজ বাণিজ্য অর্থায়ন, চলতি মূলধন এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সহায়তা প্রয়োজন। দুই দেশের বিশাল বা বাণিজ্যের পরিমাণই এই ধরনের আর্থিক সংযোগের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। বাংলাদেশে চীনা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উপস্থিতি বাড়লে উভয় দেশই উপকৃত হবে এবং বিনিয়োগের সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হবে।

এই আয়োজনে চীনের ১১টি শীর্ষস্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়, যার মধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম ব্যাংকগুলোর নামও রয়েছে। এছাড়া অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, তথ্যপ্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও কৃষিপ্রযুক্তি খাতের ২৬টি চীনা কোম্পানি এতে যোগ দেয়। চায়না এক্সিম ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াং কাং বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে অবকাঠামো, জ্বালানি ও উৎপাদনশিল্প খাতে তাদের প্রায় ৪০টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। অনুষ্ঠানে চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো উপস্থিত ছিলেন।