ঢাকা ১১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo গ্রীষ্মের আগেই চার হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব Logo ৩১ অক্টোবর জামায়াতের লংমার্চ Logo ৪৫তম বিসিএসের গেজেটে নাম নেই বাকৃবির মেহেদীর, তদন্তে ভুলের অভিযোগ Logo মামলায় ফাঁসিয়ে চাঁদাবাজির ও ভূমি দখলের অভিযোগ আল মোস্তফা গ্রুপের এমডির বিরুদ্ধে Logo সৌদি আরবের মক্কায় আকস্মিক বন্যার তাণ্ডব Logo সেন্ট মার্টিনে সুবিধাবঞ্চিতদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা Logo ইশরাক ‘পোষ্য কোটায়’ রাজনীতিতে এসেছেন : নিলোফার চৌধুরী Logo সমাজের নিকৃষ্ট লোকেরা এমপি-মন্ত্রী হন : স্পিকার Logo অস্ট্রেলিয়াকে ৯৯ রানে গুটিয়ে জয়ের সুবাস পাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা Logo বিইউবিটিতে আলোক হেলথকেয়ারের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা

সেন্ট মার্টিনে সুবিধাবঞ্চিতদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা

স্বাস্থ্য ডেস্ক: কক্সবাজারের সেন্ট মার্টিন দ্বীপে বসবাসকারী শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এক্স নটরডেমিয়ান্স ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশন এবং ব্লু মেরিন রিসোর্ট যৌথভাবে এই বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্পের আয়োজন করে। দুর্গম এলাকার সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।

দুই দিনব্যাপী আয়োজিত এই মেডিকেল ক্যাম্পে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা উপস্থিত থেকে রোগীদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরামর্শ প্রদান করেন। এছাড়া ক্যাম্পের পক্ষ থেকে রোগীদের মাঝে জরুরি ওষুধ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। নটর ডেম কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের গড়া এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজ পরিচালনা করে আসছে।

সংগঠনটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, ব্লু মেরিন রিসোর্টের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এই চিকিৎসাকেন্দ্রটি পরিচালিত হয়। দুই দিনের এই মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন এক্স নটরডেমিয়ান্স ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং ব্লু মেরিন রিসোর্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জাফর আহমেদ পাটোয়ারী। উদ্বোধনের পর থেকেই স্থানীয় প্রবীণ, নারী ও শিশুরা ক্যাম্পে এসে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন।

এই স্বাস্থ্য ক্যাম্পে রোগীদের সেবা দেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক শাকিল আরিফ চৌধুরী এবং বিশিষ্ট স্পোর্টস ইনজুরি বিশেষজ্ঞ দলিলুর রহমান। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সরাসরি পরামর্শ পেয়ে দ্বীপের সাধারণ মানুষ অত্যন্ত উপকৃত হয়েছেন বলে আয়োজকরা জানান।

এ ধরনের উদ্যোগ প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেন্ট মার্টিনের মতো একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সেবা পৌঁছানো স্থানীয়দের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলো ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনহিতকর ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

জনপ্রিয়

গ্রীষ্মের আগেই চার হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব

সেন্ট মার্টিনে সুবিধাবঞ্চিতদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা

প্রকাশিত ১১:০৭:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

স্বাস্থ্য ডেস্ক: কক্সবাজারের সেন্ট মার্টিন দ্বীপে বসবাসকারী শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এক্স নটরডেমিয়ান্স ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশন এবং ব্লু মেরিন রিসোর্ট যৌথভাবে এই বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্পের আয়োজন করে। দুর্গম এলাকার সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।

দুই দিনব্যাপী আয়োজিত এই মেডিকেল ক্যাম্পে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা উপস্থিত থেকে রোগীদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরামর্শ প্রদান করেন। এছাড়া ক্যাম্পের পক্ষ থেকে রোগীদের মাঝে জরুরি ওষুধ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। নটর ডেম কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের গড়া এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজ পরিচালনা করে আসছে।

সংগঠনটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, ব্লু মেরিন রিসোর্টের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এই চিকিৎসাকেন্দ্রটি পরিচালিত হয়। দুই দিনের এই মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন এক্স নটরডেমিয়ান্স ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং ব্লু মেরিন রিসোর্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জাফর আহমেদ পাটোয়ারী। উদ্বোধনের পর থেকেই স্থানীয় প্রবীণ, নারী ও শিশুরা ক্যাম্পে এসে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন।

এই স্বাস্থ্য ক্যাম্পে রোগীদের সেবা দেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক শাকিল আরিফ চৌধুরী এবং বিশিষ্ট স্পোর্টস ইনজুরি বিশেষজ্ঞ দলিলুর রহমান। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সরাসরি পরামর্শ পেয়ে দ্বীপের সাধারণ মানুষ অত্যন্ত উপকৃত হয়েছেন বলে আয়োজকরা জানান।

এ ধরনের উদ্যোগ প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেন্ট মার্টিনের মতো একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সেবা পৌঁছানো স্থানীয়দের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলো ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনহিতকর ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।