ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সার পাচারের দায়ে কারাদণ্ড, জরিমানা Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘ঘাস কাটা নিয়ে’ দুই পক্ষের মারামারি Logo হুতি হামলা থেকে সৌদি আরবের সুরক্ষায় যুদ্ধবিমান মোতায়েন করবে যুক্তরাজ্য Logo রাজধানীতে ‘আন্তর্জাতিক শেফস ডে’ উদযাপন Logo এলপিজির দাম কত বাড়াতে চায় কোম্পানিগুলো? বিইআরসিতে প্রস্তাব Logo সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু নয়, আপনি বাংলাদেশি: প্রধানমন্ত্রী Logo ভিক্ষা করার অভিযোগে রিয়াদে বাংলাদেশি ও ভারতীয় ৪ জন গ্রেপ্তার Logo লক্ষ্মীপুরে প্রবাসী দম্পতিকে জিম্মি করে মারধর, কৃষক দল নেতা গ্রেপ্তার Logo টাইগার শ্রফ নয়, মূল নিশানা ছিল অন্য কেউ: এনডিটিভি Logo বড় ধরনের ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র, যেসব কারণ নেপথ্যে

এলপিজির দাম কত বাড়াতে চায় কোম্পানিগুলো? বিইআরসিতে প্রস্তাব

অর্থনীতি ডেস্ক: বর্তমান সরকারি মূল্যে ব্যবসা পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ার কথা জানিয়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো। গ্যাস মজুত, বোতলজাতকরণ, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতার কমিশন বাড়ানোর পাশাপাশি বিনিয়োগের ওপর মুনাফা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে তারা। ব্যাংকঋণের সুদ, পরিবহন খরচ, কারখানা পরিচালনা ব্যয় এবং নিরাপত্তা ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার কথা দাম বাড়ানোর যুক্তিতে তুলে ধরেছে অপারেটরগুলো।

কোম্পানিগুলোর দেওয়া প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি কেজি এলপিজি মজুত ও বোতলজাত করার খরচে ভিন্নতা রয়েছে। ওমেরা এলপিজি ১২ টাকা ২৫ পয়সা, ফ্রেশ এলপিজি ২৫ টাকা, ডেল্টা এলপিজি ৩০ টাকা এবং পেট্রোম্যাক্স এলপিজি সাড়ে ১৯ টাকা করার প্রস্তাব দাখিল করেছে। এছাড়া বিভিন্ন খাতে ব্যয় ও মুনাফা বাড়িয়ে ওমেরা ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ১৩৭ টাকা করার দাবি জানিয়েছে, যা বর্তমান সরকারি দামের চেয়ে প্রায় ৩০০ টাকা বেশি।

ব্যয় বাড়ার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতাকে দায়ী করেছে ব্যবসায়ীদের সংগঠন লোয়াব। লোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক জানিয়েছেন, প্রতিটি কোম্পানি নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী প্রস্তাব জমা দিয়েছে এবং সরকার তা যাচাই করে দেখবে। তবে নির্ধারিত দামে বাজারে এলপিজি না পাওয়ার বিষয়টি তাদের মনিটরিং করার দায়িত্ব নয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

এলপিজির এই দাম ও বিভিন্ন খাতের খরচ পরিবর্তনের প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করতে আগামী ২৯ অক্টোবর গণশুনানির আয়োজন করবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি। এর আগে গত অক্টোবরে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল কমিশন। তবে বাজারে এর চেয়েও বেশি দামে গ্যাস বিক্রি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে ক্রেতাদের পক্ষ থেকে।

হাই কোর্টের নির্দেশনায় ২০২১ সাল থেকে সরকারি ও বেসরকারি এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। বর্তমানে সৌদি আরামকোর প্রতি মাসের চুক্তিমূল্যের সঙ্গে সমন্বয় করে বেসরকারি এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয়। অপারেটরদের পাশাপাশি পরিবেশকরাও তাদের কমিশন বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে।

জনপ্রিয়

সার পাচারের দায়ে কারাদণ্ড, জরিমানা

এলপিজির দাম কত বাড়াতে চায় কোম্পানিগুলো? বিইআরসিতে প্রস্তাব

প্রকাশিত ০১:০৭:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: বর্তমান সরকারি মূল্যে ব্যবসা পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ার কথা জানিয়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো। গ্যাস মজুত, বোতলজাতকরণ, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতার কমিশন বাড়ানোর পাশাপাশি বিনিয়োগের ওপর মুনাফা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে তারা। ব্যাংকঋণের সুদ, পরিবহন খরচ, কারখানা পরিচালনা ব্যয় এবং নিরাপত্তা ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার কথা দাম বাড়ানোর যুক্তিতে তুলে ধরেছে অপারেটরগুলো।

কোম্পানিগুলোর দেওয়া প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি কেজি এলপিজি মজুত ও বোতলজাত করার খরচে ভিন্নতা রয়েছে। ওমেরা এলপিজি ১২ টাকা ২৫ পয়সা, ফ্রেশ এলপিজি ২৫ টাকা, ডেল্টা এলপিজি ৩০ টাকা এবং পেট্রোম্যাক্স এলপিজি সাড়ে ১৯ টাকা করার প্রস্তাব দাখিল করেছে। এছাড়া বিভিন্ন খাতে ব্যয় ও মুনাফা বাড়িয়ে ওমেরা ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ১৩৭ টাকা করার দাবি জানিয়েছে, যা বর্তমান সরকারি দামের চেয়ে প্রায় ৩০০ টাকা বেশি।

ব্যয় বাড়ার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতাকে দায়ী করেছে ব্যবসায়ীদের সংগঠন লোয়াব। লোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক জানিয়েছেন, প্রতিটি কোম্পানি নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী প্রস্তাব জমা দিয়েছে এবং সরকার তা যাচাই করে দেখবে। তবে নির্ধারিত দামে বাজারে এলপিজি না পাওয়ার বিষয়টি তাদের মনিটরিং করার দায়িত্ব নয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

এলপিজির এই দাম ও বিভিন্ন খাতের খরচ পরিবর্তনের প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করতে আগামী ২৯ অক্টোবর গণশুনানির আয়োজন করবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি। এর আগে গত অক্টোবরে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল কমিশন। তবে বাজারে এর চেয়েও বেশি দামে গ্যাস বিক্রি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে ক্রেতাদের পক্ষ থেকে।

হাই কোর্টের নির্দেশনায় ২০২১ সাল থেকে সরকারি ও বেসরকারি এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। বর্তমানে সৌদি আরামকোর প্রতি মাসের চুক্তিমূল্যের সঙ্গে সমন্বয় করে বেসরকারি এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয়। অপারেটরদের পাশাপাশি পরিবেশকরাও তাদের কমিশন বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে।