ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, উত্তাল সাগর

জাতীয় ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে কিছুদিন আগে তৈরি হওয়া গভীর নিম্নচাপটি শক্তিশালী হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। এই প্রলয়ঙ্কারী ঝড়টির নাম রাখা হয়েছে ‘অর্ণব’ এবং এটি আরও শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রগতির কারণে দেশের উপকূলীয় এলাকায় উদ্বেগ বাড়ছে।

২৬ অক্টোবর সকালে প্রকাশিত আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনে জানানো হয় যে ঝড়টি নির্দিষ্ট অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছিল। এটি দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরগুলো থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে অবস্থান করে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোচ্ছিল। আবহাওয়াবিদরা ধারণা করছেন যে এটি ক্রমান্বয়ে প্রবল থেকে অতি প্রবল রূপ নিতে পারে।

প্রাথমিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই ঘূর্ণিঝড়টি পরবর্তীতে দিক পরিবর্তন করে ভারতের অন্ধ্র উপকূলের দিকে অগ্রসর হতে পারে। আগামী ২৮ অক্টোবরের দিকে এটি অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য অবনতি ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের নিকটবর্তী অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহের গতিবেগ বেশ বেশি রয়েছে এবং এর ফলে সাগর খুবই উত্তাল অবস্থায় আছে। এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরকে এক নম্বর সতর্কসংকেত থেকে বাড়িয়ে দুই নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

সাগরে থাকা মাছ ধরার সব নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি নিরাপদ দূরত্বে থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সমুদ্রে যাতায়াতের ক্ষেত্রে এই সতর্কবার্তা কঠোরভাবে মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়

সরকার ‘অ্যালাউ’ করলে আমরা ক্রসফায়ারও করব: আইজিপি

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, উত্তাল সাগর

প্রকাশিত ১২:২৩:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে কিছুদিন আগে তৈরি হওয়া গভীর নিম্নচাপটি শক্তিশালী হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। এই প্রলয়ঙ্কারী ঝড়টির নাম রাখা হয়েছে ‘অর্ণব’ এবং এটি আরও শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রগতির কারণে দেশের উপকূলীয় এলাকায় উদ্বেগ বাড়ছে।

২৬ অক্টোবর সকালে প্রকাশিত আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনে জানানো হয় যে ঝড়টি নির্দিষ্ট অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছিল। এটি দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরগুলো থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে অবস্থান করে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোচ্ছিল। আবহাওয়াবিদরা ধারণা করছেন যে এটি ক্রমান্বয়ে প্রবল থেকে অতি প্রবল রূপ নিতে পারে।

প্রাথমিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই ঘূর্ণিঝড়টি পরবর্তীতে দিক পরিবর্তন করে ভারতের অন্ধ্র উপকূলের দিকে অগ্রসর হতে পারে। আগামী ২৮ অক্টোবরের দিকে এটি অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য অবনতি ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের নিকটবর্তী অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহের গতিবেগ বেশ বেশি রয়েছে এবং এর ফলে সাগর খুবই উত্তাল অবস্থায় আছে। এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরকে এক নম্বর সতর্কসংকেত থেকে বাড়িয়ে দুই নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

সাগরে থাকা মাছ ধরার সব নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি নিরাপদ দূরত্বে থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সমুদ্রে যাতায়াতের ক্ষেত্রে এই সতর্কবার্তা কঠোরভাবে মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।