ঢাকা ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

গণভোটের গণরায় অস্বীকারের মাশুল দিতে হবে, লং মার্চে শফিকুর

রাজনীতি ডেস্ক: গণভোটের গণরায় অস্বীকার করলে সরকারকে চড়া মাশুল দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। সম্প্রতি কুষ্টিয়া শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে ঢাকা-খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া লংমার্চের সমাপনী পথসভায় তিনি এই কঠোর বার্তা দেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে জনগণ রাজপথে নেমে এলে নিজেদের দাবি আদায় করেই ছাড়বে।

এর আগে ঢাকা থেকে শুরু হওয়া এই লংমার্চটি বিভিন্ন পথ অতিক্রম করে কুষ্টিয়ায় এসে শেষ হয়। কুষ্টিয়ার এই বিশাল জনসভায় সরকারের উদ্দেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা তাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত তুলে ধরেন। সমাপনী এই আয়োজনে সরকারের নানা নীতির কঠোর সমালোচনা করা হয়।

শফিকুর রহমান তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে সংসদীয় উপায়েই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব বলে তারা মনে করেন। তবে সংসদে যদি ৭ দফা দাবির সুরাহা না হয়, তবে এই আন্দোলন শেষ পর্যন্ত এক দফায় রূপ নেবে বলে তিনি জানান। জুলাই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জোরালো দাবি জানানো হয় ওই সমাবেশ থেকে।

সরকারকে সময় দেওয়ার কথা উল্লেখ করে জামায়াতের আমির বলেন, তাঁরা আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধান চান। অন্যথায় দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আবারও বড় ধরনের গণবিপ্লবের ডাক দেওয়ার হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি। প্রয়োজনে সরকারকে পতনের এক দফা আন্দোলনে নামতে বাধ্য করা হবে বলেও জানান তিনি।

উক্ত পথসভায় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ বিভিন্ন দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ এবং ছাত্র সংগঠনের বিভিন্ন প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থেকে নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

ইন্টারকে ‘প্রথম’ হারের স্বাদ দিল এসি মিলান

গণভোটের গণরায় অস্বীকারের মাশুল দিতে হবে, লং মার্চে শফিকুর

প্রকাশিত ০৩:০৭:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: গণভোটের গণরায় অস্বীকার করলে সরকারকে চড়া মাশুল দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। সম্প্রতি কুষ্টিয়া শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে ঢাকা-খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া লংমার্চের সমাপনী পথসভায় তিনি এই কঠোর বার্তা দেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে জনগণ রাজপথে নেমে এলে নিজেদের দাবি আদায় করেই ছাড়বে।

এর আগে ঢাকা থেকে শুরু হওয়া এই লংমার্চটি বিভিন্ন পথ অতিক্রম করে কুষ্টিয়ায় এসে শেষ হয়। কুষ্টিয়ার এই বিশাল জনসভায় সরকারের উদ্দেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা তাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত তুলে ধরেন। সমাপনী এই আয়োজনে সরকারের নানা নীতির কঠোর সমালোচনা করা হয়।

শফিকুর রহমান তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে সংসদীয় উপায়েই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব বলে তারা মনে করেন। তবে সংসদে যদি ৭ দফা দাবির সুরাহা না হয়, তবে এই আন্দোলন শেষ পর্যন্ত এক দফায় রূপ নেবে বলে তিনি জানান। জুলাই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জোরালো দাবি জানানো হয় ওই সমাবেশ থেকে।

সরকারকে সময় দেওয়ার কথা উল্লেখ করে জামায়াতের আমির বলেন, তাঁরা আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধান চান। অন্যথায় দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আবারও বড় ধরনের গণবিপ্লবের ডাক দেওয়ার হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি। প্রয়োজনে সরকারকে পতনের এক দফা আন্দোলনে নামতে বাধ্য করা হবে বলেও জানান তিনি।

উক্ত পথসভায় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ বিভিন্ন দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ এবং ছাত্র সংগঠনের বিভিন্ন প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থেকে নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন।