ঢাকা ০২:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

আলোচনা চেয়ে ভ্যান্সের চিঠি পাঠানো ইতিবাচক পদক্ষেপ: আরাকচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের একটি চিঠি পাঠানোকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি। তিনি জানান যে, তেহরানের পক্ষ থেকে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এই চিঠিটি নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে গত আট মাস ধরে চলা চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির এই পর্যায়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের বৈঠকে বসার পরিকল্পনা নেই তাদের। কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের তেhran সফরের একদিন পর ইরানের একটি প্রতিনিধি দল দোহা সফর করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংলাপের পথ উন্মুক্ত করার এই চেষ্টাকে সাধুবাদ জানালেও ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্য নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করে জানান যে, যদি এই চিঠির পেছনের লক্ষ্য তেহরানের ভেতর বিবাদ সৃষ্টি করা হয়, তবে তা ওয়াশিংটনের পুরোনো ভুলের পুনরাবৃত্তি মাত্র। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সরাসরি বা পরোক্ষ আলোচনার যে গুঞ্জন রয়েছে, তাকে তিনি কেবল সংবাদমাধ্যমের অনুমান বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে তাদের শর্তগুলো নিয়ে আলোচনা চলছে এবং শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমেরিকানদের সঙ্গে সাক্ষাতের কোনো প্রয়োজন নেই বলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয়ে নিজেদের কিছু সুনির্দিষ্ট শর্তের কথা তুলে ধরেছেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ইসলামাবাদ সমঝোতার পর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি হ্রাস এবং তেল সংক্রান্ত ছাড় পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে তেহরান। পাশাপাশি, কাতারে অবরুদ্ধ থাকা তহবিলসহ দেশের সব অবরুদ্ধ সম্পদ অবমুক্ত করা এবং ওমানের সঙ্গে আলোচনা করা নির্দিষ্ট জাহাজ চলাচলের রুটগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি রয়েছে তাদের শর্তের তালিকায়। মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি খোলার প্রস্তাব বাস্তবায়নের সময়সীমা দুই দিনে নামিয়ে আনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ইরানে নতুন করে আরেকটি হামলার আশঙ্কা পুরোপুরি নাকচ করে দিচ্ছেন না দেশটির নীতিনির্ধারকরা, যার জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে রাখা হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছে ওয়াশিংটন এবং ইরানি সর্বোচ্চ নেতাও এর কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান তাদের আগের শক্ত অবস্থানেই অনড় রয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে তাদের সামরিক বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

আলোচনা চেয়ে ভ্যান্সের চিঠি পাঠানো ইতিবাচক পদক্ষেপ: আরাকচি

আলোচনা চেয়ে ভ্যান্সের চিঠি পাঠানো ইতিবাচক পদক্ষেপ: আরাকচি

প্রকাশিত ০১:৫২:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের একটি চিঠি পাঠানোকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি। তিনি জানান যে, তেহরানের পক্ষ থেকে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এই চিঠিটি নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে গত আট মাস ধরে চলা চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির এই পর্যায়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের বৈঠকে বসার পরিকল্পনা নেই তাদের। কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের তেhran সফরের একদিন পর ইরানের একটি প্রতিনিধি দল দোহা সফর করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংলাপের পথ উন্মুক্ত করার এই চেষ্টাকে সাধুবাদ জানালেও ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্য নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করে জানান যে, যদি এই চিঠির পেছনের লক্ষ্য তেহরানের ভেতর বিবাদ সৃষ্টি করা হয়, তবে তা ওয়াশিংটনের পুরোনো ভুলের পুনরাবৃত্তি মাত্র। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সরাসরি বা পরোক্ষ আলোচনার যে গুঞ্জন রয়েছে, তাকে তিনি কেবল সংবাদমাধ্যমের অনুমান বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে তাদের শর্তগুলো নিয়ে আলোচনা চলছে এবং শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমেরিকানদের সঙ্গে সাক্ষাতের কোনো প্রয়োজন নেই বলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয়ে নিজেদের কিছু সুনির্দিষ্ট শর্তের কথা তুলে ধরেছেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ইসলামাবাদ সমঝোতার পর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি হ্রাস এবং তেল সংক্রান্ত ছাড় পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে তেহরান। পাশাপাশি, কাতারে অবরুদ্ধ থাকা তহবিলসহ দেশের সব অবরুদ্ধ সম্পদ অবমুক্ত করা এবং ওমানের সঙ্গে আলোচনা করা নির্দিষ্ট জাহাজ চলাচলের রুটগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি রয়েছে তাদের শর্তের তালিকায়। মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি খোলার প্রস্তাব বাস্তবায়নের সময়সীমা দুই দিনে নামিয়ে আনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ইরানে নতুন করে আরেকটি হামলার আশঙ্কা পুরোপুরি নাকচ করে দিচ্ছেন না দেশটির নীতিনির্ধারকরা, যার জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে রাখা হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছে ওয়াশিংটন এবং ইরানি সর্বোচ্চ নেতাও এর কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান তাদের আগের শক্ত অবস্থানেই অনড় রয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে তাদের সামরিক বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।