ঢাকা ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ‘আগামী অধিবেশনেই পাস হবে সৌরবিদ্যুৎ আইন’ Logo সরকার পতন আন্দোলনের হুমকি জামায়াত আমিরের Logo ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’, আঘাত হানবে কোথায়? Logo ‘পিছিয়ে থাকা’ ৩ পার্বত্য জেলা আর লম্বা পরীক্ষায় ফল খারাপ চট্টগ্রামে! Logo ‘এবারের এইচএসসির ফলাফলই প্রকৃত চিত্র, বিএনপি সরকারকে সাধুবাদ’ Logo এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ, সুযোগ পাবেন যারা Logo ভালো উদ্যোগগুলো অনেক ক্ষেত্রে সংবাদে যথাযথভাবে উঠে আসে না: গণপূর্তমন্ত্রী Logo পিআরএবির সভাপতি ইয়াহিয়া, সম্পাদক নজরুল Logo লংমার্চ বাদ দিয়ে সংবিধান সংস্কারে আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo ‘আবু খালেদ পাঠান সাহিত্য পুরস্কার’ পেলেন আনোয়ার-মাসুম

সরকার পতন আন্দোলনের হুমকি জামায়াত আমিরের

রাজনীতি ডেস্ক: গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবি দ্রুত মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে, যদি এই দাবিগুলো সময়মতো বাস্তবায়ন করা না হয়, তবে বাধ্য হয়ে তাঁরা সরকার পতনের এক দফার আন্দোলনের ডাক দেবেন। সম্প্রতি যশোরের মুড়লীর মোড়ে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই রাজনৈতিক হুঁশিয়ারি দেন। ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া অভিমুখী লংমার্চের অংশ হিসেবে এই জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সরকারের পক্ষ থেকে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করাকে জনগণের সঙ্গে সরাসরি বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে জামায়াত আমির আরও অভিযোগ করেন যে, বর্তমান সরকার জনগণের গণরায় সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করে জাতির সঙ্গে তামাশা করছে। সংসদে বসে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান না হলে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে নতুন করে গণবিপ্লব গড়ে তোলার হুংকার ছাড়েন তিনি। সরকারি কার্ড বিতরণে বড় ধরনের অনিয়ম ও চরম বৈষম্যের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এসব সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়নি বরং তা অন্য কোথাও চলে গেছে। ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি সতর্ক করে বলেন যে, যারা ফ্যাসিবাদের পথ অনুসরণ করবে তাদের পরিণতি শুভ হবে না। জনগণের ওপর কোনো ধরনের অন্যায় সিদ্ধান্ত বা নিপীড়নমূলক শাসন সাধারণ মানুষ আর মেনে নেবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এই লংমার্চ ও সমাবেশে জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। নির্ধারিত সময়ের আগেই সমাবেশস্থল হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় এবং নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনতা রাজপথে নেমে আসে। বিরোধীদলীয় নেতা জোর দিয়ে বলেন যে, এই দাবিগুলো কেবল কোনো একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা একক ব্যক্তির নয়, বরং এটি সমগ্র দেশের সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার ও প্রত্যাশার সঙ্গে জড়িত। তাই জনগণের এই রায় কোনোভাবেই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।

রাজনীতিতে এই ধরনের আলটিমেটাম ও হুংকার বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির এই কৌশল দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক অঙ্গনকে উত্তপ্ত করে তুলেছে। সরকারের পক্ষ থেকে এই সাত দফা দাবি এবং সরকার পতনের হুমকির বিষয়ে শেষ পর্যন্ত কী ধরনের প্রতিক্রিয়া আসে, সেদিকেই এখন সবার নজর রয়েছে। সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের এই আন্দোলন দেশের রাজনীতিতে নতুন কোনো মোড় নেয় কি না, তা সময়ই বলে দেবে।

‘আগামী অধিবেশনেই পাস হবে সৌরবিদ্যুৎ আইন’

সরকার পতন আন্দোলনের হুমকি জামায়াত আমিরের

প্রকাশিত ১১:৩৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবি দ্রুত মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে, যদি এই দাবিগুলো সময়মতো বাস্তবায়ন করা না হয়, তবে বাধ্য হয়ে তাঁরা সরকার পতনের এক দফার আন্দোলনের ডাক দেবেন। সম্প্রতি যশোরের মুড়লীর মোড়ে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই রাজনৈতিক হুঁশিয়ারি দেন। ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া অভিমুখী লংমার্চের অংশ হিসেবে এই জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সরকারের পক্ষ থেকে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করাকে জনগণের সঙ্গে সরাসরি বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে জামায়াত আমির আরও অভিযোগ করেন যে, বর্তমান সরকার জনগণের গণরায় সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করে জাতির সঙ্গে তামাশা করছে। সংসদে বসে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান না হলে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে নতুন করে গণবিপ্লব গড়ে তোলার হুংকার ছাড়েন তিনি। সরকারি কার্ড বিতরণে বড় ধরনের অনিয়ম ও চরম বৈষম্যের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এসব সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়নি বরং তা অন্য কোথাও চলে গেছে। ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি সতর্ক করে বলেন যে, যারা ফ্যাসিবাদের পথ অনুসরণ করবে তাদের পরিণতি শুভ হবে না। জনগণের ওপর কোনো ধরনের অন্যায় সিদ্ধান্ত বা নিপীড়নমূলক শাসন সাধারণ মানুষ আর মেনে নেবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এই লংমার্চ ও সমাবেশে জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। নির্ধারিত সময়ের আগেই সমাবেশস্থল হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় এবং নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনতা রাজপথে নেমে আসে। বিরোধীদলীয় নেতা জোর দিয়ে বলেন যে, এই দাবিগুলো কেবল কোনো একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা একক ব্যক্তির নয়, বরং এটি সমগ্র দেশের সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার ও প্রত্যাশার সঙ্গে জড়িত। তাই জনগণের এই রায় কোনোভাবেই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।

রাজনীতিতে এই ধরনের আলটিমেটাম ও হুংকার বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির এই কৌশল দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক অঙ্গনকে উত্তপ্ত করে তুলেছে। সরকারের পক্ষ থেকে এই সাত দফা দাবি এবং সরকার পতনের হুমকির বিষয়ে শেষ পর্যন্ত কী ধরনের প্রতিক্রিয়া আসে, সেদিকেই এখন সবার নজর রয়েছে। সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের এই আন্দোলন দেশের রাজনীতিতে নতুন কোনো মোড় নেয় কি না, তা সময়ই বলে দেবে।