ঢাকা ১১:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে  Logo ৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণে মিললো সমাধান, ববি শিক্ষার্থীদের অবরোধ প্রত্যাহার Logo জাবিতে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রকল্যাণ সংঘের সভাপতি হাসান, সম্পাদক কাফী Logo কুবির বিজয়-২৪ হলকে মাদকমুক্ত করতে উপাচার্য ও প্রক্টর বরাবর স্মারকলিপি Logo রাবিতে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার মনোজ কুমার Logo বাঁধন, জবি ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত Logo দপদপিয়া সেতুতে আবারও দুর্ঘটনা: একদিনে দুই ঘটনায় আহত ৩ ববি শিক্ষার্থী Logo যাত্রাবাড়ীতে বিপুল গাঁজাসহ তিন মাদককারবারী গ্রেপ্তার Logo জাবির ছাত্রী হলে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, তদন্ত কমিটি গঠন Logo সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞান চর্চায় বাকৃবির মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ে ‘ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা’

স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি, ৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্তি বাতিল করে রাজধানীর সরকারি সাতটি কলেজ নিয়ে স্বায়ত্তশাসিত বা স্বতন্ত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।

সায়েন্সল্যাব মোড় দখলে নিয়ে আজ (সোমবার) সকাল থেকে এ আন্দোলন চলছে। দাবি আদায়ে সকাল থেকে পৃথক পৃথক প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ঢাকা কলেজের সামনে জড়ো হতে থাকেন।

এ সময় তারা লড়াই লড়াই লড়াই চাই,লড়াই করে বাঁচতে চাই, দিয়েছি তো রক্ত, আরো দিব রক্ত, জেগেছে রে জেগেছে, সাত কলেজ জেগেছে এসব স্লোগান দিতে থাকেন।

আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী কবি নজরুল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী তানভীর বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ৭ কলেজের শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হয়ে আসছে। আমরা কেবল নামেই ঢাবির আন্ডারে আছি, বাস্তবিকভাবে আমরা কোনো সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছি না। ৪ বছরের অনার্স ৬ বছরেও শেষ হচ্ছে না, এ ছাড়া ফেল করিয়ে দেওয়া তো আছেই। আমরা এই অধিভুক্তি থেকে মুক্তি চাই ও স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে যেতে চাই।

তিতুমীর কলেজ শিক্ষার্থী শাফিন আহমেদ বলেন, আমাদের শিক্ষাজীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আজ পথে দাঁড়িয়েছি। যতক্ষণ না পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত না আসবে,ততক্ষণ পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

এদিকে রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থীরা জানায়, ২০১৭ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে রাজধানীর সরকারি সাত কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। তবে, এ সিদ্ধান্ত ছিল সম্পূর্ণ অপরিকল্পিত। ফলে যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে নিয়ে এ কলেজগুলোকে অধিভুক্ত করা হয়েছিল, সেটা বিগত ৮ বছরেও অর্জন করা সম্ভব হয়নি। বিপরীতে এসব কলেজের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনে নেমে আসে চরম বিশৃঙ্খলা। এক কথায় শিক্ষার মানের উন্নতির পরিবর্তে ঢাবি প্রশাসনের বৈষম্যমূলক বিভিন্ন নীতি ও প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে শিক্ষার্থীরা শিক্ষার যথাযথ সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

জনপ্রিয়

ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে 

স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি, ৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত ১০:১১:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০২৪

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্তি বাতিল করে রাজধানীর সরকারি সাতটি কলেজ নিয়ে স্বায়ত্তশাসিত বা স্বতন্ত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।

সায়েন্সল্যাব মোড় দখলে নিয়ে আজ (সোমবার) সকাল থেকে এ আন্দোলন চলছে। দাবি আদায়ে সকাল থেকে পৃথক পৃথক প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ঢাকা কলেজের সামনে জড়ো হতে থাকেন।

এ সময় তারা লড়াই লড়াই লড়াই চাই,লড়াই করে বাঁচতে চাই, দিয়েছি তো রক্ত, আরো দিব রক্ত, জেগেছে রে জেগেছে, সাত কলেজ জেগেছে এসব স্লোগান দিতে থাকেন।

আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী কবি নজরুল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী তানভীর বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ৭ কলেজের শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হয়ে আসছে। আমরা কেবল নামেই ঢাবির আন্ডারে আছি, বাস্তবিকভাবে আমরা কোনো সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছি না। ৪ বছরের অনার্স ৬ বছরেও শেষ হচ্ছে না, এ ছাড়া ফেল করিয়ে দেওয়া তো আছেই। আমরা এই অধিভুক্তি থেকে মুক্তি চাই ও স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে যেতে চাই।

তিতুমীর কলেজ শিক্ষার্থী শাফিন আহমেদ বলেন, আমাদের শিক্ষাজীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আজ পথে দাঁড়িয়েছি। যতক্ষণ না পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত না আসবে,ততক্ষণ পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

এদিকে রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থীরা জানায়, ২০১৭ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে রাজধানীর সরকারি সাত কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। তবে, এ সিদ্ধান্ত ছিল সম্পূর্ণ অপরিকল্পিত। ফলে যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে নিয়ে এ কলেজগুলোকে অধিভুক্ত করা হয়েছিল, সেটা বিগত ৮ বছরেও অর্জন করা সম্ভব হয়নি। বিপরীতে এসব কলেজের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনে নেমে আসে চরম বিশৃঙ্খলা। এক কথায় শিক্ষার মানের উন্নতির পরিবর্তে ঢাবি প্রশাসনের বৈষম্যমূলক বিভিন্ন নীতি ও প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে শিক্ষার্থীরা শিক্ষার যথাযথ সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।