ঢাকা ০১:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে Logo রোজায় ত্বকের যত্ন: ফুড ও লাইফস্টাইলেই লুকিয়ে স্কিন গ্লো Logo কেন্দ্রীয়ভাবে সকল শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতার আয়োজন করবে যবিপ্রবি Logo জাবিতে গাইবান্ধা জেলা সমিতির ইফতার মাহফিল, নবীন-প্রবীণদের মিলনমেলা Logo কুবিতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে গণ-ইফতার  Logo কুবির আর্ট অ্যান্ড হেরিটেজ সোসাইটির নেতৃত্বে মুজাহিদ–লাবিব Logo বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘ইনক্লুসিভ জাহাঙ্গীরনগর’র ইফতার মাহফিল Logo হাবিপ্রবিতে জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা পরিষদের দোয়া ও ইফতার মাহফিল Logo কঠোর সমালোচনা’ না করে সরকারকে সময় দেওয়া উচিত: ডিএসসিসি প্রশাসক

ইবিতে শহীদ জিয়ার শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে সেমিনার

  • সাকীফ বিন আলম
  • প্রকাশিত ০৮:৫৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫
  • ৬৫ বার পঠিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ জিয়ার ১৯ দফা কর্মসূচি এবং প্রাসঙ্গিকতা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ মে) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এ সেমিনার শুরু হয়। সেমিনারটির আয়োজন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন জিয়া পরিষদ ও ইউট্যাব।

সেমিনারে ইউট্যাবের সভাপতি প্রফেসর ড. তোজাম্মেল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইবি ভিসি প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইবি প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এম এয়াকুব আলী, ট্রেজারার প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর আলম।

মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেন, আলোচনা হিসেবে ছিলেন প্রফেসর ড. ফারুকুজ্জামান খান, প্রবন্ধ উপস্থাপক হিসেবে ছিলেন প্রফেসর ড. এ.কে.এম মতিনূর রহমান।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জিয়া পরিষদের সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. আলীনুর রহমান, জিয়া পরিষদ ও শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. নজিবুল হক, ধর্মতত্ত্ব অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আ.ব.ম সিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন জিয়া পরিষদ কর্মকর্তা ইউনিটের সভাপতি মো আলাউদ্দীন, জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ফোরামের সভাপতি আবদুল মুঈদ বাবুল, জাতীয়তাবাদী সহায়ক কর্মচারী ফোরামের সভাপতি আমিরুল ইসলাম, ইবি ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক, বর্তমান ছাত্রদলের আহবায়ক সাহেদ আহম্মেদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইউট্যাবের যুগ্ম সম্পাদক প্রফেসর ড. রশিদুজ্জামান ও জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. রফিকুল ইসলাম। সেমিনারে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রফেসর ড. আবদুল মালেক।

উপ-উপচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জীবদ্দশায় বলে গেছেন কিভাবে জাতীয় ঐক্য করতে হয়। আর নতুন করে ঐ সারজিস মারজিস ঐক্যের ডাক দেয়? এগুলো হলো বাহানা। শহীদ প্রেসিডেন্ট তো ঐক্যের কথা বলেই গেছেন তখন। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে কিভাবে ঐক্যবদ্ধ থাকবো আমরা তা আছে ১৯ দফার ভিতরে। তিনি এই দেশের নিপীড়িত, বঞ্চিত, ক্ষুধার্ত মানুষের জীবনের যে দিকনির্দেশনা দিয়ে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছিলেন; তার নিপুন সনদ হলো এই ১৯ দফা। যা তিনি এই জাতির জন্য উপহার দিয়ে গেছেন। পৃথিবীর সবচাইতে আশ্চর্যজনক রাজনৈতিক রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি হলো এই ১৯ দফা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে আমি চিন্তায় ধারণ করি। আমার একটি প্রবন্ধ আছে। সেখানে আমি লিখেছিলাম ‘জিয়াউর রহমান একটি অন্তরঙ্গ অবলোকন’। এই বিষয় গুলো আমি সেখানে উল্লেখ করেছি। জিয়াউর রহমানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা দেখবেন একটি বৌদ্ধিক বুদ্ধিবৃত্তিক দৃষ্টিভঙ্গিতে। আমরা যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কোনো আদর্শের চর্চা করি; আমাদের রাজনীতি, আমাদের চিন্তা আর যারা মাঠের রাজনীতি করে তাদের চিন্তা এবং তাদের কথাবার্তার মধ্যে পার্থক্য থাকা উচিত বলে আমি মনে করি। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা চিন্তার খোরাক দিবেন। আর সেই চিন্তার আলোকে রাষ্ট্রীয় আদর্শ তৈরি হবে। এই জন্যে আমি মনে করি, জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা হলো জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক আদর্শ। অন্য যেকোন রাজনৈতিক দল কেউ অস্বীকার করতে পারেনি যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের এই বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের দর্শন সঠিক নয়। সবাই এক বাক্যে এটিকে স্বীকার করে নিয়েছে। যার কারণেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হলেন ঐক্যের প্রতীক এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের এই বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ আমৃত্যু থাকবে।

জনপ্রিয়

সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে

ইবিতে শহীদ জিয়ার শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে সেমিনার

প্রকাশিত ০৮:৫৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ জিয়ার ১৯ দফা কর্মসূচি এবং প্রাসঙ্গিকতা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ মে) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এ সেমিনার শুরু হয়। সেমিনারটির আয়োজন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন জিয়া পরিষদ ও ইউট্যাব।

সেমিনারে ইউট্যাবের সভাপতি প্রফেসর ড. তোজাম্মেল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইবি ভিসি প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইবি প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এম এয়াকুব আলী, ট্রেজারার প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর আলম।

মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেন, আলোচনা হিসেবে ছিলেন প্রফেসর ড. ফারুকুজ্জামান খান, প্রবন্ধ উপস্থাপক হিসেবে ছিলেন প্রফেসর ড. এ.কে.এম মতিনূর রহমান।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জিয়া পরিষদের সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. আলীনুর রহমান, জিয়া পরিষদ ও শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. নজিবুল হক, ধর্মতত্ত্ব অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আ.ব.ম সিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন জিয়া পরিষদ কর্মকর্তা ইউনিটের সভাপতি মো আলাউদ্দীন, জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ফোরামের সভাপতি আবদুল মুঈদ বাবুল, জাতীয়তাবাদী সহায়ক কর্মচারী ফোরামের সভাপতি আমিরুল ইসলাম, ইবি ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক, বর্তমান ছাত্রদলের আহবায়ক সাহেদ আহম্মেদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইউট্যাবের যুগ্ম সম্পাদক প্রফেসর ড. রশিদুজ্জামান ও জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. রফিকুল ইসলাম। সেমিনারে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রফেসর ড. আবদুল মালেক।

উপ-উপচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জীবদ্দশায় বলে গেছেন কিভাবে জাতীয় ঐক্য করতে হয়। আর নতুন করে ঐ সারজিস মারজিস ঐক্যের ডাক দেয়? এগুলো হলো বাহানা। শহীদ প্রেসিডেন্ট তো ঐক্যের কথা বলেই গেছেন তখন। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে কিভাবে ঐক্যবদ্ধ থাকবো আমরা তা আছে ১৯ দফার ভিতরে। তিনি এই দেশের নিপীড়িত, বঞ্চিত, ক্ষুধার্ত মানুষের জীবনের যে দিকনির্দেশনা দিয়ে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছিলেন; তার নিপুন সনদ হলো এই ১৯ দফা। যা তিনি এই জাতির জন্য উপহার দিয়ে গেছেন। পৃথিবীর সবচাইতে আশ্চর্যজনক রাজনৈতিক রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি হলো এই ১৯ দফা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে আমি চিন্তায় ধারণ করি। আমার একটি প্রবন্ধ আছে। সেখানে আমি লিখেছিলাম ‘জিয়াউর রহমান একটি অন্তরঙ্গ অবলোকন’। এই বিষয় গুলো আমি সেখানে উল্লেখ করেছি। জিয়াউর রহমানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা দেখবেন একটি বৌদ্ধিক বুদ্ধিবৃত্তিক দৃষ্টিভঙ্গিতে। আমরা যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কোনো আদর্শের চর্চা করি; আমাদের রাজনীতি, আমাদের চিন্তা আর যারা মাঠের রাজনীতি করে তাদের চিন্তা এবং তাদের কথাবার্তার মধ্যে পার্থক্য থাকা উচিত বলে আমি মনে করি। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা চিন্তার খোরাক দিবেন। আর সেই চিন্তার আলোকে রাষ্ট্রীয় আদর্শ তৈরি হবে। এই জন্যে আমি মনে করি, জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা হলো জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক আদর্শ। অন্য যেকোন রাজনৈতিক দল কেউ অস্বীকার করতে পারেনি যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের এই বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের দর্শন সঠিক নয়। সবাই এক বাক্যে এটিকে স্বীকার করে নিয়েছে। যার কারণেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হলেন ঐক্যের প্রতীক এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের এই বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ আমৃত্যু থাকবে।