ঢাকা ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo জমজমাট লড়াইয়ে শেষের গোলে বায়ার্নের মাঠে হার এড়াল আর্সেনাল Logo পিএইচপি প্রোগ্রামিংয়ে ত্রুটি শনাক্ত, নিরাপত্তার উদ্বেগে বন্ধ বহু ওয়েবসাইট Logo ইউক্রেইন-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনায় বসতে রাজি পুতিন Logo আর্জেন্টাইন প্রতিভার মাস্টারক্লাস, ইউনাইটেডকে গুঁড়িয়ে দিল কোমো Logo ‘ফাদার অব অল বোমস’ উন্মোচনের ঘোষণা ইরানের Logo ব্যাটিং ব্যর্থতায় আরেকটি পরাজয়ে বিব্রতকর বিদায় বাংলাদেশের Logo যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলো ১ লাখ ৭৫ হাজার টন গম Logo মোহাম্মদপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-স্বেচ্ছাসেবক লীগের ৪ জন গ্রেপ্তার Logo গ্রীষ্মের আগেই চার হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব Logo ৩১ অক্টোবর জামায়াতের লংমার্চ

ওসমান হাদি ও দীপু চন্দ্র দাশ হত্যার প্রতিবাদ ইবি পূজা উদযাপন পরিষদের

  • সাকীফ বিন আলম
  • প্রকাশিত ০৯:৪০:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৬৮ বার পঠিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শরীফ ওসমান হাদি ও দীপু চন্দ্র দাশ হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে ইবি পূজা উদযাপন পরিষদ।

রবিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করেন তারা। মিছিলটি বটতলা থেকে শুরু হয়ে ডায়না চত্বর প্রদক্ষিণ করে প্রশাসন ভবনের সামনে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইবি পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পংকজ রায়সহ সংগঠনটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।

এসময়ে ‘দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’, ‘ওসমান ভাইয়ের স্মরনে, ভয় করিনা মরণে’, ‘দিপু ভাইয়ের স্মরনে ভয় করিনা মরণে’, ‘ফাঁসি ফাঁসি চাই, খুনিদের ফাঁসি চাই’, ‘আপোশ না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘দিপু দাদা শ্মশানে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘ওসমান ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’ ইত্যাদি স্লোগান দেয় তারা।

মানববন্ধনে পংকজ রায় বলেন, “হাদি, দিপু এবং আয়েশা এই তিনটা ঘটনা  ন্যাক্কারজনক বিচার বহির্ভূত। আইন নিজের কাছে তুলে নেওয়া এই ধরনের অপরাধ আসলে বাংলাদেশে আমরা ৫ আগস্টের পরে আশা করি না। আমরা চেয়েছিলাম এমন একটা সুশীল সমাজ, এমন একটা দেশ, যেই দেশে প্রত্যেক জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সুন্দরভাবে বসবাস করবে। কিন্তু ৫ আগস্টের পরে মনে হচ্ছে যে কেন জানি অনেকটাই ব্যর্থ হয়ে পড়ছে। এটার জন্য কে দায়ী, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নাকি অন্য কিছু শক্তি। আমার মনে হচ্ছে হাদি এবং দিপু এর মধ্যে কিছু একটা সংযোগ আছে, সেই সংযোগটা বের করে। ”

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগরে বক্স কালভার্ট রোডে শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলিবিদ্ধ করা হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি গত বৃহস্পতিবার রাতে মারা যান।

অন্যদিকে, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)–কে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগ তুলে গত বৃহস্পতিবার রাতে পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস (বিডি) লিমিটেড কারখানার কর্মী দিপু চন্দ্র দাসকে কারখানা থেকে ধরে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। একপর্যায়ে ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভাজকের একটি গাছে বিবস্ত্র করে ঝুলিয়ে মরদেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

জনপ্রিয়

জমজমাট লড়াইয়ে শেষের গোলে বায়ার্নের মাঠে হার এড়াল আর্সেনাল

ওসমান হাদি ও দীপু চন্দ্র দাশ হত্যার প্রতিবাদ ইবি পূজা উদযাপন পরিষদের

প্রকাশিত ০৯:৪০:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শরীফ ওসমান হাদি ও দীপু চন্দ্র দাশ হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে ইবি পূজা উদযাপন পরিষদ।

রবিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করেন তারা। মিছিলটি বটতলা থেকে শুরু হয়ে ডায়না চত্বর প্রদক্ষিণ করে প্রশাসন ভবনের সামনে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইবি পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পংকজ রায়সহ সংগঠনটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।

এসময়ে ‘দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’, ‘ওসমান ভাইয়ের স্মরনে, ভয় করিনা মরণে’, ‘দিপু ভাইয়ের স্মরনে ভয় করিনা মরণে’, ‘ফাঁসি ফাঁসি চাই, খুনিদের ফাঁসি চাই’, ‘আপোশ না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘দিপু দাদা শ্মশানে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘ওসমান ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’ ইত্যাদি স্লোগান দেয় তারা।

মানববন্ধনে পংকজ রায় বলেন, “হাদি, দিপু এবং আয়েশা এই তিনটা ঘটনা  ন্যাক্কারজনক বিচার বহির্ভূত। আইন নিজের কাছে তুলে নেওয়া এই ধরনের অপরাধ আসলে বাংলাদেশে আমরা ৫ আগস্টের পরে আশা করি না। আমরা চেয়েছিলাম এমন একটা সুশীল সমাজ, এমন একটা দেশ, যেই দেশে প্রত্যেক জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সুন্দরভাবে বসবাস করবে। কিন্তু ৫ আগস্টের পরে মনে হচ্ছে যে কেন জানি অনেকটাই ব্যর্থ হয়ে পড়ছে। এটার জন্য কে দায়ী, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নাকি অন্য কিছু শক্তি। আমার মনে হচ্ছে হাদি এবং দিপু এর মধ্যে কিছু একটা সংযোগ আছে, সেই সংযোগটা বের করে। ”

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগরে বক্স কালভার্ট রোডে শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলিবিদ্ধ করা হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি গত বৃহস্পতিবার রাতে মারা যান।

অন্যদিকে, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)–কে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগ তুলে গত বৃহস্পতিবার রাতে পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস (বিডি) লিমিটেড কারখানার কর্মী দিপু চন্দ্র দাসকে কারখানা থেকে ধরে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। একপর্যায়ে ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভাজকের একটি গাছে বিবস্ত্র করে ঝুলিয়ে মরদেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।