ঢাকা ১০:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo আওয়ামিলীগকে সেফ মনে করলে শহীদ হওয়া ভাইবোনদের কথা স্মরণ কইরেন : আম্মার  Logo জাবি ছাত্রদলের উদ্যোগে ‘ছাব্বিশের চোখে বায়ান্ন’ শীর্ষক চিত্রপ্রদর্শনী Logo প্রক্টর পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে গোবিপ্রবি ছাত্রদলের দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষ Logo ‎পাবিপ্রবির ফার্মেসি বিভাগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, শিক্ষার্থীদের স্বস্তির নিঃশ্বাস Logo ‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ফটো কনটেস্ট ২০২৫’-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত ‎ Logo বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন করল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় Logo মাহে রমাদানকে স্বাগত জানিয়ে জাবি শিবিরের আলোকসজ্জা Logo রাবিতে ভর্তির বিষয় পছন্দক্রম শুরু আজ : শিক্ষার্থীদের জরুরি নির্দেশনা Logo আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা জরুরি : ইশরাক হোসেন Logo ১৫ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

‎পাবিপ্রবির ফার্মেসি বিভাগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, শিক্ষার্থীদের স্বস্তির নিঃশ্বাস

‎ফার্মেসি কাউন্সিল অব বাংলাদেশ (পিসিবি) কর্তৃক অর্পিত শর্ত পূরণ করায় পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এতে বিভাগের শিক্ষার্থীদের মাঝে দেখা গেছে আনন্দ ও স্বস্তির নিঃশ্বাস।

‎গত ১৮ ফেব্রুয়ারী (বুধবার) বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের সচিব মুহাম্মদ মাহবুবুল হক সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি জানানো হয়।

‎খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২৩ সালে ফার্মেসি কাউন্সিল অব বাংলাদেশের নির্ধারিত শর্ত (শিক্ষক সংকট, ক্লাসরুম সংকট, পাঁচটি ল্যাবরেটরি স্থাপন, প্রয়োজনীয় রাসায়নকি সামগ্রী পর্যাপ্ত পরিমাণে রাখা রাখা, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি তৈরিসহ নানান বিষয়) না মানায়‌ ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয়কে ফার্মেসি বিভাগের অনার্স কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এই ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৪টি সরকারি এবং বাকি ৯টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অর্ন্তভূক্ত ছিল।

‎তবে, নিষেধাজ্ঞার পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকেরা বিষয়টি সমাধানের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছিল। তারই প্রেক্ষিতে চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি (বুধবার) ফার্মেসি কাউন্সিলের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা বিভাগটি  পরিদর্শনে আসেন এবং প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এক্রিডিটেশন ও এডুকেশন কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের বি. ফার্ম কোর্সের সাময়িক এক্রিডিটেশন স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।


‎তবে, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলেও কিছু সুপারিশ আগামী ৩০ জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলকে অবহিত করতে হবে। যার মধ্যে-

‎ক) বি. ফার্ম কোর্সের অভিস্বীকৃতি ও শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা, ২০২৫ এর ৩.১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বি. ফার্ম কোর্সের মেয়াদ ০৪ (চার) বছর করতে হবে।

‎খ) কাউন্সিল হতে এম. ফার্ম কোর্সের অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক এম. ফার্ম কোর্সে ১ম সেমিস্টারে ভর্তিকৃত সকল শিক্ষার্থীকে ভর্তির ০৩ (তিন) মাসের মধ্যে প্রাক-নিবন্ধন ফিসহ নির্ধারিত নিয়মে কাউন্সিলে অনলাইনে শিক্ষার্থী তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন করতে হবে।

‎গ) বি. ফার্ম কোর্সের অভিস্বীকৃতি ও শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা, ২০২৫ এর ৪.৪, ৪.৫ এবং ৫.১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।

‎ঘ) ফার্মেসি বিভাগের সকল শিক্ষককে ফার্মেসী কাউন্সিল কর্তৃক ‘এ’ ক্যাটাগরিতে রেজিস্ট্রেশন গ্রহণ ও নিয়মিত নবায়ন করতে হবে।

‎ঙ) বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিল কর্তৃক ১২ মার্চ ২০২৫ তারিখে জারিকৃত বি. ফার্ম কোর্স পরিচালনার জন্য ল্যাবরেটরিভিত্তিক যন্ত্রপাতির তালিকার প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ল্যাবগুলোতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপন করতে হবে।

‎চ) বি. ফার্ম কোর্সের অভিস্বীকৃতি ও শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা, ২০২৫ এর ৪.২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ‘এ’ ক্যাটাগরিতে নিবন্ধিত ফার্মাসিস্টকে বিভাগীয় প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে।

‎ছ) বি. ফার্ম কোর্সের অভিস্বীকৃতি ও শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা, ২০২৫ এর ১৩.১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কমপক্ষে ০৬ (ছয়) টি শ্রেণীকক্ষ থাকতে হবে।

‎জ) বি. ফার্ম কোর্সের অভিস্বীকৃতি ও শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা, ২০২৫ এর ১৩.২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বি. ফার্ম কোর্স চলমান রাখার জন্য ন্যূনতম ৫০০ (পাঁচশত) বর্গফুটের আরও ০৫ (পাঁচ) টি ল্যাবরেটরি স্থাপন এবং বিদ্যামান ল্যাবরেটরিগুলোর নামকরণ বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিলের গাইডলাইন অনুযায়ী করতে হবে।

‎ঝ) ল্যবরেটরিগুলোতে গুড ল্যাবরেটরি প্রাক্টিস (GLP) অনুসরণ করতে হবে।

‎ঞ) বি. ফার্ম কোর্সের অভিস্বীকৃতি ও শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা, ২০২৫ এর অনুচ্ছেদ ১৩.৪ অনুযায়ী কেন্দ্রীয় যন্ত্রপাতি ল্যাবরেটরি স্থাপন করতে হবে।

‎ট) প্রতিটি ল্যাবে ন্যূনতম ০১ (এক) জন করে মোট ০৮ (আট) জন ল্যাব সহকারী নিয়োগ দিতে হবে।

‎ঠ) Instrument Validation, Calibration এবং Cleaning Logbook এর তথ্য হালনাগাদ রাখতে হবে।

‎ড) বি. ফার্ম কোর্সে ভর্তিকৃত ছাত্র/ছাত্রীদের হাতে-কলমে শিক্ষার জন্য একটি মডেল ফার্মেসি স্থাপন করতে হবে।

‎এবিষয়ে ফার্মেসি এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো: রাসেল আহমেদ বলেন, পিসিবি কর্তৃক ফার্মেসি বিভাগের বি. ফার্ম কোর্সের সাময়িক এক্রিডিটেশন স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত আমাদের জন্য শুধু আনন্দের সংবাদই নয়, বরং এটি এক গভীর স্বস্তি, গর্ব এবং দায়বদ্ধতার মুহূর্ত। বিভাগের শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত আমাদের বিভাগের শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণে বৃদ্ধি করেছে এবং আমাদের একাডেমিক মর্যাদা পুনরায় সুদৃঢ় করেছে।
‎তিনি আরও বলেন, আমরা চাই, আমাদের বিভাগ শুধু এক্রিডিটেশন ফিরে পাওয়াতেই সীমাবদ্ধ না থেকে ভবিষ্যতে স্থায়ী এক্রিডিটেশন অর্জন করুক এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একটি আদর্শ ফার্মেসি বিভাগ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক।

‎বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও বিভাগটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো: ফজলুল হক বলেন, প্রায় আড়াই বছর পর আমরা ফার্মেসি কাউন্সিল অব বাংলাদেশের এক্রিডিটেশন ফিরে পেলাম। এই মূহুর্তটি আমাদের বিভাগের সকলের জন্য যেমন আনন্দের ঠিক তেমনি গৌরবের বিষয়। এজন্য আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ মহোদয়ের প্রতি  কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। তাদের প্রচেষ্টা ও বিভাগের শিক্ষকদের সহায়তায় আমরা এক্রিডিটেশন ফিরে পেয়েছি। আমি বিশ্বাস করি আমার বিভাগের শিক্ষার্থীরা এই অর্জনকে সামনে রেখে আগের চেয়ে বহুগুণে উদ্যমী হয়ে পড়াশোনা করবে। তারা গবেষণাতে মনোনিবেশ হবে ও নিজ বিভাগ, বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের কল্যাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

  • ‎তিনি আরও বলেন, আমরা আগামী ৩০ জুনের মধ্যেই বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল কর্তৃক সুপারিশসমূহ বাস্তবায়নের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।

জনপ্রিয়

আওয়ামিলীগকে সেফ মনে করলে শহীদ হওয়া ভাইবোনদের কথা স্মরণ কইরেন : আম্মার 

‎পাবিপ্রবির ফার্মেসি বিভাগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, শিক্ষার্থীদের স্বস্তির নিঃশ্বাস

প্রকাশিত ০৫:২৬:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‎ফার্মেসি কাউন্সিল অব বাংলাদেশ (পিসিবি) কর্তৃক অর্পিত শর্ত পূরণ করায় পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এতে বিভাগের শিক্ষার্থীদের মাঝে দেখা গেছে আনন্দ ও স্বস্তির নিঃশ্বাস।

‎গত ১৮ ফেব্রুয়ারী (বুধবার) বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের সচিব মুহাম্মদ মাহবুবুল হক সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি জানানো হয়।

‎খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২৩ সালে ফার্মেসি কাউন্সিল অব বাংলাদেশের নির্ধারিত শর্ত (শিক্ষক সংকট, ক্লাসরুম সংকট, পাঁচটি ল্যাবরেটরি স্থাপন, প্রয়োজনীয় রাসায়নকি সামগ্রী পর্যাপ্ত পরিমাণে রাখা রাখা, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি তৈরিসহ নানান বিষয়) না মানায়‌ ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয়কে ফার্মেসি বিভাগের অনার্স কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এই ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৪টি সরকারি এবং বাকি ৯টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অর্ন্তভূক্ত ছিল।

‎তবে, নিষেধাজ্ঞার পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকেরা বিষয়টি সমাধানের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছিল। তারই প্রেক্ষিতে চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি (বুধবার) ফার্মেসি কাউন্সিলের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা বিভাগটি  পরিদর্শনে আসেন এবং প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এক্রিডিটেশন ও এডুকেশন কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের বি. ফার্ম কোর্সের সাময়িক এক্রিডিটেশন স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।


‎তবে, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলেও কিছু সুপারিশ আগামী ৩০ জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলকে অবহিত করতে হবে। যার মধ্যে-

‎ক) বি. ফার্ম কোর্সের অভিস্বীকৃতি ও শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা, ২০২৫ এর ৩.১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বি. ফার্ম কোর্সের মেয়াদ ০৪ (চার) বছর করতে হবে।

‎খ) কাউন্সিল হতে এম. ফার্ম কোর্সের অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক এম. ফার্ম কোর্সে ১ম সেমিস্টারে ভর্তিকৃত সকল শিক্ষার্থীকে ভর্তির ০৩ (তিন) মাসের মধ্যে প্রাক-নিবন্ধন ফিসহ নির্ধারিত নিয়মে কাউন্সিলে অনলাইনে শিক্ষার্থী তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন করতে হবে।

‎গ) বি. ফার্ম কোর্সের অভিস্বীকৃতি ও শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা, ২০২৫ এর ৪.৪, ৪.৫ এবং ৫.১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।

‎ঘ) ফার্মেসি বিভাগের সকল শিক্ষককে ফার্মেসী কাউন্সিল কর্তৃক ‘এ’ ক্যাটাগরিতে রেজিস্ট্রেশন গ্রহণ ও নিয়মিত নবায়ন করতে হবে।

‎ঙ) বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিল কর্তৃক ১২ মার্চ ২০২৫ তারিখে জারিকৃত বি. ফার্ম কোর্স পরিচালনার জন্য ল্যাবরেটরিভিত্তিক যন্ত্রপাতির তালিকার প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ল্যাবগুলোতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপন করতে হবে।

‎চ) বি. ফার্ম কোর্সের অভিস্বীকৃতি ও শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা, ২০২৫ এর ৪.২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ‘এ’ ক্যাটাগরিতে নিবন্ধিত ফার্মাসিস্টকে বিভাগীয় প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে।

‎ছ) বি. ফার্ম কোর্সের অভিস্বীকৃতি ও শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা, ২০২৫ এর ১৩.১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কমপক্ষে ০৬ (ছয়) টি শ্রেণীকক্ষ থাকতে হবে।

‎জ) বি. ফার্ম কোর্সের অভিস্বীকৃতি ও শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা, ২০২৫ এর ১৩.২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বি. ফার্ম কোর্স চলমান রাখার জন্য ন্যূনতম ৫০০ (পাঁচশত) বর্গফুটের আরও ০৫ (পাঁচ) টি ল্যাবরেটরি স্থাপন এবং বিদ্যামান ল্যাবরেটরিগুলোর নামকরণ বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিলের গাইডলাইন অনুযায়ী করতে হবে।

‎ঝ) ল্যবরেটরিগুলোতে গুড ল্যাবরেটরি প্রাক্টিস (GLP) অনুসরণ করতে হবে।

‎ঞ) বি. ফার্ম কোর্সের অভিস্বীকৃতি ও শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা, ২০২৫ এর অনুচ্ছেদ ১৩.৪ অনুযায়ী কেন্দ্রীয় যন্ত্রপাতি ল্যাবরেটরি স্থাপন করতে হবে।

‎ট) প্রতিটি ল্যাবে ন্যূনতম ০১ (এক) জন করে মোট ০৮ (আট) জন ল্যাব সহকারী নিয়োগ দিতে হবে।

‎ঠ) Instrument Validation, Calibration এবং Cleaning Logbook এর তথ্য হালনাগাদ রাখতে হবে।

‎ড) বি. ফার্ম কোর্সে ভর্তিকৃত ছাত্র/ছাত্রীদের হাতে-কলমে শিক্ষার জন্য একটি মডেল ফার্মেসি স্থাপন করতে হবে।

‎এবিষয়ে ফার্মেসি এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো: রাসেল আহমেদ বলেন, পিসিবি কর্তৃক ফার্মেসি বিভাগের বি. ফার্ম কোর্সের সাময়িক এক্রিডিটেশন স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত আমাদের জন্য শুধু আনন্দের সংবাদই নয়, বরং এটি এক গভীর স্বস্তি, গর্ব এবং দায়বদ্ধতার মুহূর্ত। বিভাগের শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত আমাদের বিভাগের শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণে বৃদ্ধি করেছে এবং আমাদের একাডেমিক মর্যাদা পুনরায় সুদৃঢ় করেছে।
‎তিনি আরও বলেন, আমরা চাই, আমাদের বিভাগ শুধু এক্রিডিটেশন ফিরে পাওয়াতেই সীমাবদ্ধ না থেকে ভবিষ্যতে স্থায়ী এক্রিডিটেশন অর্জন করুক এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একটি আদর্শ ফার্মেসি বিভাগ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক।

‎বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও বিভাগটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো: ফজলুল হক বলেন, প্রায় আড়াই বছর পর আমরা ফার্মেসি কাউন্সিল অব বাংলাদেশের এক্রিডিটেশন ফিরে পেলাম। এই মূহুর্তটি আমাদের বিভাগের সকলের জন্য যেমন আনন্দের ঠিক তেমনি গৌরবের বিষয়। এজন্য আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ মহোদয়ের প্রতি  কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। তাদের প্রচেষ্টা ও বিভাগের শিক্ষকদের সহায়তায় আমরা এক্রিডিটেশন ফিরে পেয়েছি। আমি বিশ্বাস করি আমার বিভাগের শিক্ষার্থীরা এই অর্জনকে সামনে রেখে আগের চেয়ে বহুগুণে উদ্যমী হয়ে পড়াশোনা করবে। তারা গবেষণাতে মনোনিবেশ হবে ও নিজ বিভাগ, বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের কল্যাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

  • ‎তিনি আরও বলেন, আমরা আগামী ৩০ জুনের মধ্যেই বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল কর্তৃক সুপারিশসমূহ বাস্তবায়নের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।