ঢাকা ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বাকৃবিস্থ বৃহত্তর দিনাজপুর সমিতির দোয়া ও ইফতার মাহফিল এবং কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা Logo কুবি শিক্ষককে অপহরণের ঘটনায় অজ্ঞাত চারজনের বিরুদ্ধে মামলা Logo জাবিতে স্কাউটসের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ও ছাত্র নেতৃবৃন্দের সম্মানে ডাকসুর ইফতার মাহফিল Logo পাবিপ্রবি গেটসংলগ্ন সাঈদের দোকানের ইফতারে আবারও মিললো গোবরে পোকা Logo বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রাকসুর প্রতিনিধি সম্মেলন  Logo যবিপ্রবিতে রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল Logo বেগম জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনায় জাবি ছাত্রদলের ইফতার Logo রাবি ছাত্রদলের আয়োজনে কুরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা Logo ঈদে ২৩ দিনের ছুটি পাচ্ছেন কুবি শিক্ষার্থীরা

ভারত থেকে এলো ২ লাখ ৩১ হাজার ডিম

পাঁচ শতাংশ শুল্কায়নে ভারত থেকে আমদানি করা ডিমের আরও একটি চালান এসেছে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে। এবার আসে দুই লাখ ৩১ হাজার ৮৪০ ডিমের চালান। বুধবার (৩০ অক্টোবর) ডিমের এ চালানটি খালাসের জন্য কাস্টমস হাউসে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস দাখিল করেছে বেনাপোলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট রাতুল ইন্টারন্যাশনাল। এর আগে মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে ডিমের এ চালানটি বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে।

 

এর আগে মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে দুই লাখ ৩১ হাজার ৮৪০টি ডিমের এ চালানটি আসে বেনাপোল বন্দরে। তবে ডিম আমদানিতে ২৫ শতাংশের পরিবর্তে পাঁচ শতাংশ শুল্কায়ন করা হয়। দাম কমাতে বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার ডিমের আমদানি শুল্ক কমায় চলতি মাসে এবং আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই শুল্ক সুবিধা পাওয়া যাবে।

জানা যায়, প্রতিটি ডিম আগে এক টাকা ৯৬ পয়সা শুল্কায়ন করা হতো। শুল্ক কমানোর ফলে এখন থেকে প্রতিটি ডিমে মাত্র ৭৬ পয়সা শুল্ককর পরিশোধ করতে হচ্ছে। এই শুল্কায়নে আমদানি করা চালানের ডিম বাজারে ৯ টাকার মধ্যে বিক্রি হওয়ার কথা ছিল; কিন্তু দাম সে অনুপাতে কমেনি। এখনো ১২ থেকে ১৩ টাকা পিচ ডিম বিক্রি হচ্ছে বাজারে।

কাস্টমস হাউস সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত পাঁচ চালানে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১১ লাখ ৫৯ হাজার ২০০টি ডিম আমদানি হয়েছে। এর আগে গত বছরের ৫ নভেম্বর আমদানিকারক ঢাকার রামপুরার বিডিএস করপোরেশন ৬১ হাজার ৯৫০টি ডিম আমদানি করে।

এর বাইরে আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে সরকারের পক্ষ থেকে আমদানির অনুমতি দেয়া হলেও সেসব প্রতিষ্ঠান এখনও ডিম আমদানি করতে পারেনি।

ডিমের সরবরাহ বৃদ্ধি ও বাজার দর কমাতে গত ১৭ অক্টোবর শুল্ক কমানো সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আদেশটি বেনাপোল কাস্টমসে আসে গত ২০ অক্টোবর। আদেশ পাওয়ার পর ২১ অক্টোবর একটি চালানের দুই লাখ ৩১ হাজার ৮৪০টি ডিম কম শুল্কে মাত্র ৭৬ পয়সায় শুল্কায়ন করা হয়।

আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাইড্রোল্যান্ড সল্যুশনের স্বত্বাধিকারীর প্রতিনিধি ইকরামুল হাসান সজীব বলেন, ‘নতুন নির্ধারণ করা শুল্কে ডিম খালাস নিচ্ছি। গত ২১ অক্টোবর ৫ শতাংশ শুল্কের ডিম খালাস শুরু হয়। এখন দাম আগের চেয়ে কিছুটা কমেছে। আমদানির পরিমাণ সামান্য। আমদানি বাড়াতে পারলে দাম আরও কমে আসবে।

বেনাপোল বন্দর পরিচালক মামুন কবির তরফদার জানান, কম শুল্কে গত ২১ অক্টোবর দুই লাখ ৩১ হাজার ৮৪০টি ডিম খালাস দেয়া হয়েছিল এবং আজ দুই লাখ ৩১ হাজার ৮৪০টি খালাস হয়েছে। আমদানিকারককে ডিমের চালান খালাসে সব ধরনের সহযোগিতা করছে বেনাপোল কাস্টমস হাউসও বন্দর কর্তৃপক্ষ।

জনপ্রিয়

বাকৃবিস্থ বৃহত্তর দিনাজপুর সমিতির দোয়া ও ইফতার মাহফিল এবং কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা

ভারত থেকে এলো ২ লাখ ৩১ হাজার ডিম

প্রকাশিত ০৭:০১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৪

পাঁচ শতাংশ শুল্কায়নে ভারত থেকে আমদানি করা ডিমের আরও একটি চালান এসেছে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে। এবার আসে দুই লাখ ৩১ হাজার ৮৪০ ডিমের চালান। বুধবার (৩০ অক্টোবর) ডিমের এ চালানটি খালাসের জন্য কাস্টমস হাউসে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস দাখিল করেছে বেনাপোলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট রাতুল ইন্টারন্যাশনাল। এর আগে মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে ডিমের এ চালানটি বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে।

 

এর আগে মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে দুই লাখ ৩১ হাজার ৮৪০টি ডিমের এ চালানটি আসে বেনাপোল বন্দরে। তবে ডিম আমদানিতে ২৫ শতাংশের পরিবর্তে পাঁচ শতাংশ শুল্কায়ন করা হয়। দাম কমাতে বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার ডিমের আমদানি শুল্ক কমায় চলতি মাসে এবং আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই শুল্ক সুবিধা পাওয়া যাবে।

জানা যায়, প্রতিটি ডিম আগে এক টাকা ৯৬ পয়সা শুল্কায়ন করা হতো। শুল্ক কমানোর ফলে এখন থেকে প্রতিটি ডিমে মাত্র ৭৬ পয়সা শুল্ককর পরিশোধ করতে হচ্ছে। এই শুল্কায়নে আমদানি করা চালানের ডিম বাজারে ৯ টাকার মধ্যে বিক্রি হওয়ার কথা ছিল; কিন্তু দাম সে অনুপাতে কমেনি। এখনো ১২ থেকে ১৩ টাকা পিচ ডিম বিক্রি হচ্ছে বাজারে।

কাস্টমস হাউস সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত পাঁচ চালানে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১১ লাখ ৫৯ হাজার ২০০টি ডিম আমদানি হয়েছে। এর আগে গত বছরের ৫ নভেম্বর আমদানিকারক ঢাকার রামপুরার বিডিএস করপোরেশন ৬১ হাজার ৯৫০টি ডিম আমদানি করে।

এর বাইরে আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে সরকারের পক্ষ থেকে আমদানির অনুমতি দেয়া হলেও সেসব প্রতিষ্ঠান এখনও ডিম আমদানি করতে পারেনি।

ডিমের সরবরাহ বৃদ্ধি ও বাজার দর কমাতে গত ১৭ অক্টোবর শুল্ক কমানো সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আদেশটি বেনাপোল কাস্টমসে আসে গত ২০ অক্টোবর। আদেশ পাওয়ার পর ২১ অক্টোবর একটি চালানের দুই লাখ ৩১ হাজার ৮৪০টি ডিম কম শুল্কে মাত্র ৭৬ পয়সায় শুল্কায়ন করা হয়।

আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাইড্রোল্যান্ড সল্যুশনের স্বত্বাধিকারীর প্রতিনিধি ইকরামুল হাসান সজীব বলেন, ‘নতুন নির্ধারণ করা শুল্কে ডিম খালাস নিচ্ছি। গত ২১ অক্টোবর ৫ শতাংশ শুল্কের ডিম খালাস শুরু হয়। এখন দাম আগের চেয়ে কিছুটা কমেছে। আমদানির পরিমাণ সামান্য। আমদানি বাড়াতে পারলে দাম আরও কমে আসবে।

বেনাপোল বন্দর পরিচালক মামুন কবির তরফদার জানান, কম শুল্কে গত ২১ অক্টোবর দুই লাখ ৩১ হাজার ৮৪০টি ডিম খালাস দেয়া হয়েছিল এবং আজ দুই লাখ ৩১ হাজার ৮৪০টি খালাস হয়েছে। আমদানিকারককে ডিমের চালান খালাসে সব ধরনের সহযোগিতা করছে বেনাপোল কাস্টমস হাউসও বন্দর কর্তৃপক্ষ।