ফেনী সদর উপজেলার ধলিয়া ইউনিয়নে ১১ দলীয় ঐক্যের নির্ধারিত লংমার্চকে স্বাগত জানিয়ে আয়োজিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এই স্বাগত মিছিলটি বের করা হয়েছিল। তবে মিছিলটি চলাকালীন সময়ে হঠাৎ করে দুর্বৃত্তরা সেখানে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়, যার ফলে উপস্থিত নেতাকর্মী এবং সাধারণ পথচারীদের মাঝে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পর তাৎক্ষণিকভাবে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন ফেনী সদর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা নাদেরুজ্জামান ও সেক্রেটারি মুহাম্মাদ শিহাব উদদীন। তাদের দেওয়া ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, একটি শান্তিপূর্ণ মিছিলে এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয় একটি বিষয়। জনগণের মধ্যে ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টি করে স্থানীয় রাজনৈতিক পরিবেশ অস্থিতিশীল করার যে কোনো ধরনের অপচেষ্টা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না বলে তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
বিবৃতিতে জামায়াতের এই শীর্ষ স্থানীয় নেতারা অবিলম্বে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশবাসীকে যেকোনো ধরনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার এবং ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানান তারা। ফেনী জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মুফতি আবদুল হান্নান জানিয়েছেন যে, পুরো বিষয়টি এরই মধ্যে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে।
এদিকে, ককটেল বিস্ফোরণের এই আকস্মিক ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ প্রশাসন। ফেনী মডেল থানার তদন্ত পরিদর্শক সজল কান্তি দাশ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর থেকেই পুলিশ সার্বিক বিষয় খতিয়ে দেখছে। বর্তমানে এই ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে জোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।

































