ঢাকা ০২:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই জর্ডানে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সম্প্রতি ইরানের একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে সংঘটিত হামলার সরাসরি জবাব হিসেবেই এই সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তেহরান। আল-আজরাক নামের ওই বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম থাকায় এই আক্রমণকে কেন্দ্র করে গোটা অঞ্চলে নতুন করে যুদ্ধের আবহ তৈরি হয়েছে।

ইরানি সংবাদমাধ্যম ও সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, আইআরজিসি অত্যন্ত নিখুঁত ও শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে এই অপারেশন পরিচালনা করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে সাগরে বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানি ট্যাঙ্কারের ওপর ঘটে যাওয়া নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতেই এই টার্গেট নির্ধারণ করা হয়েছিল। তেহরান শুরু থেকেই তাদের তেল বা বাণিজ্যের ওপর যেকোনো আঘাতের কঠোর জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে আসছিল এবং এই হামলা তারই বাস্তবায়ন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

জর্ডানের কৌশলগত অঞ্চলে অবস্থিত আল-আজরাক বিমানঘাঁটিটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সামরিক কার্যক্রমে একটি অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এই ঘাঁটিতে মার্কিন বিমানবাহিনীর নিয়মিত উপস্থিতি ও বিভিন্ন সামরিক অভিযানের তদারকি করা হয়ে থাকে। ইরানের পক্ষ থেকে সরাসরি এই মার্কিন স্থাপনায় হামলা চালানোর ফলে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার দীর্ঘমেয়াদি বৈরিতা এখন আরও বিপজ্জনক মোড় নিয়েছে।

এই অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার পর পেন্টাগন এবং মার্কিন সামরিক নেতৃত্ব বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করছে বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যে ওই অঞ্চলে মোতায়েন থাকা মার্কিন ও মিত্র বাহিনীর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং যেকোনো ধরনের পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধ এড়াতে উভয় পক্ষকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

জনপ্রিয়

৯০ বছরের পুরোনো গণিতের সমস্যা ৮৮ ঘণ্টায় সমাধান করল এআই!

জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলা

প্রকাশিত ০১:৪৭:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই জর্ডানে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সম্প্রতি ইরানের একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে সংঘটিত হামলার সরাসরি জবাব হিসেবেই এই সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তেহরান। আল-আজরাক নামের ওই বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম থাকায় এই আক্রমণকে কেন্দ্র করে গোটা অঞ্চলে নতুন করে যুদ্ধের আবহ তৈরি হয়েছে।

ইরানি সংবাদমাধ্যম ও সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, আইআরজিসি অত্যন্ত নিখুঁত ও শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে এই অপারেশন পরিচালনা করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে সাগরে বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানি ট্যাঙ্কারের ওপর ঘটে যাওয়া নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতেই এই টার্গেট নির্ধারণ করা হয়েছিল। তেহরান শুরু থেকেই তাদের তেল বা বাণিজ্যের ওপর যেকোনো আঘাতের কঠোর জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে আসছিল এবং এই হামলা তারই বাস্তবায়ন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

জর্ডানের কৌশলগত অঞ্চলে অবস্থিত আল-আজরাক বিমানঘাঁটিটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সামরিক কার্যক্রমে একটি অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এই ঘাঁটিতে মার্কিন বিমানবাহিনীর নিয়মিত উপস্থিতি ও বিভিন্ন সামরিক অভিযানের তদারকি করা হয়ে থাকে। ইরানের পক্ষ থেকে সরাসরি এই মার্কিন স্থাপনায় হামলা চালানোর ফলে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার দীর্ঘমেয়াদি বৈরিতা এখন আরও বিপজ্জনক মোড় নিয়েছে।

এই অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার পর পেন্টাগন এবং মার্কিন সামরিক নেতৃত্ব বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করছে বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যে ওই অঞ্চলে মোতায়েন থাকা মার্কিন ও মিত্র বাহিনীর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং যেকোনো ধরনের পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধ এড়াতে উভয় পক্ষকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।