ঢাকা ০৭:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo এসেনশিয়াল ড্রাগসে জুলাই যোদ্ধা কোটায় নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, উঠেছে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ Logo ডেটা সেবায় নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় তৃতীয় প্রান্তিকেও রবির শক্তিশালী মুনাফা Logo নওগাঁর সাবেক এমপি ছলিম ও তার ২৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ Logo মাস্টহেড পিআর-এর চিফ স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড গ্রোথ অফিসার হিসেবে যোগ দিলেন আশিক ইকবাল Logo লালমনিরহাটে ১৫ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে সার ডিলার নিয়োগের অভিযোগ, বিএনপির সংবাদ সম্মেলন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে ভোট উৎসবমুখর হয়েছে : ইসি সচিব Logo ঢাকায় জাতীয় যুব মেলা স্থগিত, জেলায়-উপজেলায় হবে আয়োজন Logo তাহসিফের নিখোঁজ হওয়ার রাতে কী ঘটেছিল, জানালেন বন্ধু দ্বীপ Logo একই খাবার বারবার গরম করার ক্ষেত্রে সতর্কতা Logo আগুন থেকে বাঁচার উপায় কী, মহড়া হল সচিবালয়ে

তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার জবাবে জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার অংশ হিসেবে তেলের ট্যাংকারে সাম্প্রতিক হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তাদের ওপর চালানো যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেওয়া হবে এবং এরই ধারাবাহিকতায় জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা আঘাত হেনেছে তারা। আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ছায়াযুদ্ধ এখন সরাসরি সংঘাতে রূপ নেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে।

পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলে ইরান কুয়েত ও বাহরাইনের উপকূলে বা বন্দরের কাছাকাছি অবস্থানরত মার্কিন সংশ্লিষ্ট সব তেলবাহী ট্যাংকারের ক্রুদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি জারি করেছে। দেশটির পক্ষ থেকে পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলো সাগরে নোঙর করা থাকুক কিংবা বন্দরে বার্থিং করা থাক—যেকোনো মুহূর্তে এগুলোতে হামলা হতে পারে। তাই বড় ধরনের প্রাণহানি এড়াতে অবিলম্বে কর্মীদের জাহাজ ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইরানি কর্তৃপক্ষের এমন হুমকিতে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজে যাতায়াতকারী ক্রু এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িতদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি সরবরাহ রুটে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশ ও কোম্পানিগুলো উদ্ভূত পরিস্থিতি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে।

বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থ ও স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে তেহরানের এমন ধারাবাহিক আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও একধাপ অবনতির দিকে নিয়ে যাবে। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হুংকার ও সামরিক পদক্ষেপের কারণে গোটা অঞ্চলে নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধের দামামা বাজার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যা নিরসনে আন্তর্জাতিক মহলের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জরুরি হয়ে পড়েছে।

জনপ্রিয়

এসেনশিয়াল ড্রাগসে জুলাই যোদ্ধা কোটায় নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, উঠেছে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ

তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার জবাবে জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

প্রকাশিত ০৯:৩৩:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার অংশ হিসেবে তেলের ট্যাংকারে সাম্প্রতিক হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তাদের ওপর চালানো যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেওয়া হবে এবং এরই ধারাবাহিকতায় জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা আঘাত হেনেছে তারা। আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ছায়াযুদ্ধ এখন সরাসরি সংঘাতে রূপ নেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে।

পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলে ইরান কুয়েত ও বাহরাইনের উপকূলে বা বন্দরের কাছাকাছি অবস্থানরত মার্কিন সংশ্লিষ্ট সব তেলবাহী ট্যাংকারের ক্রুদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি জারি করেছে। দেশটির পক্ষ থেকে পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলো সাগরে নোঙর করা থাকুক কিংবা বন্দরে বার্থিং করা থাক—যেকোনো মুহূর্তে এগুলোতে হামলা হতে পারে। তাই বড় ধরনের প্রাণহানি এড়াতে অবিলম্বে কর্মীদের জাহাজ ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইরানি কর্তৃপক্ষের এমন হুমকিতে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজে যাতায়াতকারী ক্রু এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িতদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি সরবরাহ রুটে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশ ও কোম্পানিগুলো উদ্ভূত পরিস্থিতি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে।

বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থ ও স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে তেহরানের এমন ধারাবাহিক আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও একধাপ অবনতির দিকে নিয়ে যাবে। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হুংকার ও সামরিক পদক্ষেপের কারণে গোটা অঞ্চলে নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধের দামামা বাজার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যা নিরসনে আন্তর্জাতিক মহলের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জরুরি হয়ে পড়েছে।