ঢাকা ১০:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo রাজধানীসহ দেশের যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না বৃহস্পতিবার Logo বরখাস্ত আনসার সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা Logo ইরানের ৫ তেলবাহী ট্যাঙ্কারে মার্কিন হামলা, পাল্টা জবাব তেহরানের Logo তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার জবাবে জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা Logo টাঙ্গাইলে দুর্বৃত্তদের হামলায় যুবক নিহত Logo ‘ভাই’ না বলে ‘ব্রো’ বলায় দুপুরে কথা-কাটাকাটি, রাতে আবার মারামারি Logo ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’: কে কত টাকা পারিশ্রমিক নিলেন? Logo ইন্টারকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রিয়ালের শুভসূচনা Logo দামুড়হুদার মেয়ে অস্ট্রেলিয়ার ক্যামডেন কাউন্সিলের ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত Logo স্কুলে যাওয়া সন্তান ফিরবে কি না- ভয় বাড়ছে ফিলিস্তিনি মা-বাবাদের

তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার জবাবে জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার অংশ হিসেবে তেলের ট্যাংকারে সাম্প্রতিক হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তাদের ওপর চালানো যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেওয়া হবে এবং এরই ধারাবাহিকতায় জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা আঘাত হেনেছে তারা। আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ছায়াযুদ্ধ এখন সরাসরি সংঘাতে রূপ নেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে।

পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলে ইরান কুয়েত ও বাহরাইনের উপকূলে বা বন্দরের কাছাকাছি অবস্থানরত মার্কিন সংশ্লিষ্ট সব তেলবাহী ট্যাংকারের ক্রুদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি জারি করেছে। দেশটির পক্ষ থেকে পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলো সাগরে নোঙর করা থাকুক কিংবা বন্দরে বার্থিং করা থাক—যেকোনো মুহূর্তে এগুলোতে হামলা হতে পারে। তাই বড় ধরনের প্রাণহানি এড়াতে অবিলম্বে কর্মীদের জাহাজ ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইরানি কর্তৃপক্ষের এমন হুমকিতে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজে যাতায়াতকারী ক্রু এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িতদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি সরবরাহ রুটে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশ ও কোম্পানিগুলো উদ্ভূত পরিস্থিতি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে।

বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থ ও স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে তেহরানের এমন ধারাবাহিক আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও একধাপ অবনতির দিকে নিয়ে যাবে। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হুংকার ও সামরিক পদক্ষেপের কারণে গোটা অঞ্চলে নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধের দামামা বাজার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যা নিরসনে আন্তর্জাতিক মহলের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জরুরি হয়ে পড়েছে।

জনপ্রিয়

রাজধানীসহ দেশের যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না বৃহস্পতিবার

তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার জবাবে জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

প্রকাশিত ০৯:৩৩:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার অংশ হিসেবে তেলের ট্যাংকারে সাম্প্রতিক হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তাদের ওপর চালানো যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেওয়া হবে এবং এরই ধারাবাহিকতায় জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা আঘাত হেনেছে তারা। আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ছায়াযুদ্ধ এখন সরাসরি সংঘাতে রূপ নেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে।

পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলে ইরান কুয়েত ও বাহরাইনের উপকূলে বা বন্দরের কাছাকাছি অবস্থানরত মার্কিন সংশ্লিষ্ট সব তেলবাহী ট্যাংকারের ক্রুদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি জারি করেছে। দেশটির পক্ষ থেকে পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলো সাগরে নোঙর করা থাকুক কিংবা বন্দরে বার্থিং করা থাক—যেকোনো মুহূর্তে এগুলোতে হামলা হতে পারে। তাই বড় ধরনের প্রাণহানি এড়াতে অবিলম্বে কর্মীদের জাহাজ ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইরানি কর্তৃপক্ষের এমন হুমকিতে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজে যাতায়াতকারী ক্রু এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িতদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি সরবরাহ রুটে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশ ও কোম্পানিগুলো উদ্ভূত পরিস্থিতি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে।

বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থ ও স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে তেহরানের এমন ধারাবাহিক আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও একধাপ অবনতির দিকে নিয়ে যাবে। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হুংকার ও সামরিক পদক্ষেপের কারণে গোটা অঞ্চলে নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধের দামামা বাজার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যা নিরসনে আন্তর্জাতিক মহলের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জরুরি হয়ে পড়েছে।