ঢাকা ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

ইরানের ৫ তেলবাহী ট্যাঙ্কারে মার্কিন হামলা, পাল্টা জবাব তেহরানের

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন বাহিনী ও ইরানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ওমান উপসাগর এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপের নিকটবর্তী জলসীমায় ইরানের পাঁচটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে সামরিক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, তাদের একটি যুদ্ধজাহাজকে লক্ষ্য করে দুই দিনে দুবার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল, যার জবাবেই এই কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ওয়াশিংটনের এই আগ্রাসী পদক্ষেপের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলার অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে উল্টো মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই ট্যাঙ্কার হামলার ঘটনাকে আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইনের লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছে তারা। একই সঙ্গে এই বিনা উসকানিতে চালানো হামলার উপযুক্ত ও দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম প্রধান লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত এই উপসাগরীয় জলসীমায় সামরিক তৎপরতা তীব্র আকার ধারণ করায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি এই অঞ্চলে যেকোনো ধরনের সংঘাত বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

পরিস্থিতির অবনতি রোধে ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে উভয় পক্ষকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার এই পাল্টাপাল্টি হুংকার ওই অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও বেশি অনিশ্চিত করে তুলেছে।

জনপ্রিয়

অতিরিক্ত ডিআইজির বাসায় অভিযান: জামিনে মুক্ত ৩ নারী

ইরানের ৫ তেলবাহী ট্যাঙ্কারে মার্কিন হামলা, পাল্টা জবাব তেহরানের

প্রকাশিত ০৯:৫০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন বাহিনী ও ইরানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ওমান উপসাগর এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপের নিকটবর্তী জলসীমায় ইরানের পাঁচটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে সামরিক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, তাদের একটি যুদ্ধজাহাজকে লক্ষ্য করে দুই দিনে দুবার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল, যার জবাবেই এই কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ওয়াশিংটনের এই আগ্রাসী পদক্ষেপের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলার অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে উল্টো মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই ট্যাঙ্কার হামলার ঘটনাকে আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইনের লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছে তারা। একই সঙ্গে এই বিনা উসকানিতে চালানো হামলার উপযুক্ত ও দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম প্রধান লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত এই উপসাগরীয় জলসীমায় সামরিক তৎপরতা তীব্র আকার ধারণ করায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি এই অঞ্চলে যেকোনো ধরনের সংঘাত বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

পরিস্থিতির অবনতি রোধে ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে উভয় পক্ষকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার এই পাল্টাপাল্টি হুংকার ওই অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও বেশি অনিশ্চিত করে তুলেছে।