মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত গেম ডেভেলপমেন্ট ট্রফির ফাইনাল ম্যাচটি বৃষ্টি বিঘ্নিত হয়ে এক পর্যায়ে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। নির্ধারিত দিনে বিকেলের পরিবর্তে সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত পর্যন্ত ম্যাচটি চালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও বৈরী আবহাওয়া তা সম্ভব হতে দেয়নি। দফায় দফায় বৃষ্টির কারণে এক পর্যায়ে মাঠের ফ্লাডলাইট জ্বালাতে বাধ্য হন আয়োজকরা। পরবর্তীতে সন্ধ্যার দিকে বৃষ্টির তীব্রতা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা আম্পায়াররা খেলা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব বলে মনে করেন।
ম্যাচটি পরিত্যক্ত হলেও গ্রুপ পর্বে চমৎকার পারফরম্যান্সের সুবাদে অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে পেছনে ফেলে শিরোপা নিজেদের করে নেয় অনূর্ধ্ব-১৯ দল। এই টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বে অনুষ্ঠিত চার ম্যাচের মধ্যে তিনটিতে জয় পেয়ে মোট ৬ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থান দখল করেছিল যুব দলটি। অন্যদিকে, দুই ম্যাচে জয় ও এক পরাজয়ের সুবাদে ৫ পয়েন্ট অর্জন করে তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল অনূর্ধ্ব-২৩ দল। টুর্নামেন্টের বাইল অনুযায়ী গ্রুপ পর্বে এগিয়ে থাকার সুবাদে শেষ পর্যন্ত ট্রফিটি ওঠে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হাতেই।
ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ইনিংসে ২৪৫ রান সংগ্রহ করে অলআউট হয়ে যায় অনূর্ধ্ব-২৩ দল। দলটির পক্ষে মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ৪৭, আহরার আমিন ৪৬ এবং দেবাশীষ সরকার ৪৩ রান করেন। এছাড়া শেষ দিকে মাহফুজুর রহমান রাব্বির দ্রুতগতির ২৬ বলে ৩১ রানের সুবাদে আড়াইশ কাছাকাছি পুঁজি পায় তারা। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের পক্ষে বোলিংয়ে সবচেয়ে বড় চমক দেখান পেসার তাফিউল আলম তামিম, যিনি মাত্র ৩৬ রান খরচ করে একাই শিকার করেন ৬টি উইকেট। এছাড়া শেখ আতিকুর রহমান আকাশ নেন তিনটি উইকেট।
এরপর রান তাড়ায় নেমে অনূর্ধ্ব-১৯ দল বৃষ্টির কারণে কয়েক দফা লক্ষ্য সংশোধনের মুখোমুখি হয়। ডিএলএস পদ্ধতিতে তাদের সামনে ২৩ ওভারে ১৬১ রানের নতুন লক্ষ্য নির্ধারিত হয়। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দলটি ১৭.২ ওভারে ৫ উইকেটের বিনিময়ে ৯৯ রান তোলার পর দ্বিতীয় দফায় ফের বৃষ্টি নামে। এরপর আর খেলা মাঠে গড়াতে না পারায় ওই পর্যন্ত সংগৃহীত স্কোরের ভিত্তিতে ম্যাচটি অমীমাংসিত সমাপ্তির ঘোষণা আসে। যুব দলের ইনিংসে ফারহান সাদিক ১৫ বলে ২৯ এবং আহসান আল মুমিন ২৪ রান করেন।




































