ঢাকা ১১:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ক্ষিপ্ত হয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত ফোনালাপ বাতিল করলেন জার্মান চ্যান্সেলর Logo ছেলের বিয়ের বাজার করে ফেরার পথে দম্পতি নিহত Logo বাবা ডাক শোনার আগেই পৃথিবী ছাড়লেন সেনাসদস্য ছিদ্দিক Logo হংকংয়ে নজরুল ইসলাম মজুমদার ও পরিবারের সম্পদ জব্দের নির্দেশ Logo মেসির পর আর্জেন্টিনার নতুন অধিনায়কের নাম ঘোষণা Logo এসএসসিতে মাত্র এক বিষয়ে পাস করা শিক্ষার্থীর জিপিএ ৪.৯৪, তদন্তে কমিটি Logo বিগ ব্যাশের বেসরকারিকরণ, ঝাঁপিয়ে পড়বে আইপিএলের ফ্রাঞ্চাইজিরা! Logo ‘ওয়ান বাই মেটলাইফ’ অ্যাপে নতুন ফিচার চালু করল মেটলাইফ Logo এআই যেভাবে বদলে দিচ্ছে সংবাদমাধ্যমের ভবিষ্যৎ Logo পাঁচ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের

বিগ ব্যাশের বেসরকারিকরণ, ঝাঁপিয়ে পড়বে আইপিএলের ফ্রাঞ্চাইজিরা!

অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা বিগ ব্যাশ লিগ বা বিবিএলের কাঠামোগত পরিবর্তনে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। সম্প্রতি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার নেওয়া এই সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের প্রচলিত ধারায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে। মূলত প্রতিযোগিতায় বেসরকারি বিনিয়োগের পথ উন্মুক্ত করার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের নজর কেড়েছে অস্ট্রেলিয়ান এই টুর্নামেন্ট। আর এই সুযোগ কাজে লাগাতে ভারতীয় প্রিমিয়ার লিগ বা আইপিএলের প্রভাবশালী ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো কোমর বেঁধে মাঠে নামতে পারে বলে জোরালো আলোচনা শুরু হয়েছে।

ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২০২৭-২৮ মৌসুম থেকেই বিগ ব্যাশের দলগুলোর মালিকানা বেসরকারি খাতে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই পরিবর্তনের প্রথম ধাপ হিসেবে মেলবোর্ন রেনেগেডসের সম্পূর্ণ মালিকানা কোনো বেসরকারি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, এতদিন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্য সংস্থাগুলোর প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণেই দেশের প্রধান টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে বর্তমান বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, প্রতিটি বিগ ব্যাশ ফ্র্যাঞ্চাইজির আর্থিক মূল্য ১৫ থেকে ২০ কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলার পর্যন্ত হতে পারে, যা বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত লোভনীয় একটি প্রস্তাব।

ইতিমধ্যেই রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ, রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট কিংবা জেএসডব্লিউ গ্রুপের মতো আইপিএলের শীর্ষস্থানীয় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন টি-টোয়েন্টি লিগে দল কিনে তাদের সাম্রাজ্য বিস্তার করেছে। ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগ থেকে শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের লিগে তাদের সরব উপস্থিতি রয়েছে। ফলে অস্ট্রেলিয়ায় দল কিনতে পারলে একই মালিকানার অধীনে একাধিক লিগের খেলোয়াড়দের নিয়ে কাজ করার দীর্ঘমেয়াদি সুযোগ তৈরি হবে। তবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া পুরোপুরি মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু না করে দলগুলোর সম্প্রচার স্বত্ব, খেলোয়াড়দের প্রাপ্যতা এবং বেতনসীমার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই ধরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এদিকে ভারতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হলেও দেশটির ক্রিকেট বোর্ডের কঠোর নীতিমালার কারণে পুরুষ ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা থেকেই যাচ্ছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বা বিসিসিআইয়ের নিয়ম অনুযায়ী পুরুষ ক্রিকেটাররা বাইরের কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে অংশ নিতে পারেন না, যা ভবিষ্যতে হয়তো অপরিবর্তিত থাকবে। তা সত্ত্বেও ক্যাঙ্গারুর দেশের বাজারে প্রবেশ করতে পারলে আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো স্থানীয় উদীয়মান প্রতিভা আবিষ্কার এবং নিজেদের বৈশ্বিক ব্র্যান্ড ভ্যালু আরও বহুগুণ বাড়িয়ে নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পাবে।

জনপ্রিয়

ক্ষিপ্ত হয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত ফোনালাপ বাতিল করলেন জার্মান চ্যান্সেলর

বিগ ব্যাশের বেসরকারিকরণ, ঝাঁপিয়ে পড়বে আইপিএলের ফ্রাঞ্চাইজিরা!

প্রকাশিত ০৮:৩১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা বিগ ব্যাশ লিগ বা বিবিএলের কাঠামোগত পরিবর্তনে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। সম্প্রতি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার নেওয়া এই সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের প্রচলিত ধারায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে। মূলত প্রতিযোগিতায় বেসরকারি বিনিয়োগের পথ উন্মুক্ত করার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের নজর কেড়েছে অস্ট্রেলিয়ান এই টুর্নামেন্ট। আর এই সুযোগ কাজে লাগাতে ভারতীয় প্রিমিয়ার লিগ বা আইপিএলের প্রভাবশালী ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো কোমর বেঁধে মাঠে নামতে পারে বলে জোরালো আলোচনা শুরু হয়েছে।

ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২০২৭-২৮ মৌসুম থেকেই বিগ ব্যাশের দলগুলোর মালিকানা বেসরকারি খাতে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই পরিবর্তনের প্রথম ধাপ হিসেবে মেলবোর্ন রেনেগেডসের সম্পূর্ণ মালিকানা কোনো বেসরকারি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, এতদিন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্য সংস্থাগুলোর প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণেই দেশের প্রধান টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে বর্তমান বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, প্রতিটি বিগ ব্যাশ ফ্র্যাঞ্চাইজির আর্থিক মূল্য ১৫ থেকে ২০ কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলার পর্যন্ত হতে পারে, যা বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত লোভনীয় একটি প্রস্তাব।

ইতিমধ্যেই রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ, রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট কিংবা জেএসডব্লিউ গ্রুপের মতো আইপিএলের শীর্ষস্থানীয় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন টি-টোয়েন্টি লিগে দল কিনে তাদের সাম্রাজ্য বিস্তার করেছে। ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগ থেকে শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের লিগে তাদের সরব উপস্থিতি রয়েছে। ফলে অস্ট্রেলিয়ায় দল কিনতে পারলে একই মালিকানার অধীনে একাধিক লিগের খেলোয়াড়দের নিয়ে কাজ করার দীর্ঘমেয়াদি সুযোগ তৈরি হবে। তবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া পুরোপুরি মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু না করে দলগুলোর সম্প্রচার স্বত্ব, খেলোয়াড়দের প্রাপ্যতা এবং বেতনসীমার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই ধরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এদিকে ভারতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হলেও দেশটির ক্রিকেট বোর্ডের কঠোর নীতিমালার কারণে পুরুষ ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা থেকেই যাচ্ছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বা বিসিসিআইয়ের নিয়ম অনুযায়ী পুরুষ ক্রিকেটাররা বাইরের কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে অংশ নিতে পারেন না, যা ভবিষ্যতে হয়তো অপরিবর্তিত থাকবে। তা সত্ত্বেও ক্যাঙ্গারুর দেশের বাজারে প্রবেশ করতে পারলে আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো স্থানীয় উদীয়মান প্রতিভা আবিষ্কার এবং নিজেদের বৈশ্বিক ব্র্যান্ড ভ্যালু আরও বহুগুণ বাড়িয়ে নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পাবে।