ঢাকা ০৩:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo লং মার্চ করে গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান হলে আমরাই আগে করতাম: প্রধানমন্ত্রী Logo বাকস্বাধীনতা যেন বাকশালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে: প্রধানমন্ত্রী Logo রাষ্ট্রীয় সম্পদের কৌশলগত ব্যবস্থাপনায় খসড়া নীতিমালায় মতামত আহ্বান Logo গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু Logo ‘দৃশ্যম থ্রি’ ট্রেলারে অজয়-তাবুর ‘কেমিস্ট্রি’ Logo সীমান্তে গুলি চালিয়ে বাংলাদেশিদের ৪টি নৌকা নিয়ে গেছে বিএসএফ Logo ‘না’ ভোটের বদলে ‘হ্যাঁ’ জয়ী ঘোষণা! ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ ডেপুটি স্পিকারের Logo বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরল ৪৭ বাংলাদেশি নারী-পুরুষ Logo অধ্যাপক ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটির আয়কর মামলা ঘিরে এপর্যন্ত যা যা ঘটেছে Logo জাবিতে জব ফেয়ার শুক্রবার, থাকছে ৭০০ চাকরির সুযোগ

রাষ্ট্রীয় সম্পদের কৌশলগত ব্যবস্থাপনায় খসড়া নীতিমালায় মতামত আহ্বান

দেশের বন্ধ থাকা, অকার্যকর এবং লোকসানি রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থনৈতিক কার্যক্রমে পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকা এসব প্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমাণ জমি ও অবকাঠামো যথাযথভাবে কাজে লাগাতে একটি কৌশলগত নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। এই নীতিমালা কার্যকর হলে রাষ্ট্রের অবহেলিত সম্পদ থেকে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পথ সুগম হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

প্রণীত এই খসড়া নীতিমালার মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারি খাতের অনুৎপাদনশীল সম্পদগুলোকে আধুনিক ব্যবস্থাপনার আওতায় নিয়ে আসা। দীর্ঘদিন ধরে রুগ্ন অবস্থায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর স্থাবর সম্পত্তিগুলোর সঠিক মূল্যায়ন এবং সেগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে এতে। এর ফলে আটকে থাকা সরকারি মূলধন আবার সচল অর্থনীতিতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে।

এই গুরুত্বপূর্ণ খসড়া নীতিমালাটি আরও বাস্তবসম্মত ও যুগোপযোগী করতে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের মতামত চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ। সরকারি ও বেসরকারি খাতের বিশেষজ্ঞ, উদ্যোক্তা এবং নীতিনির্ধারকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রস্তাবিত নীতিটিকে আরও বেশি কার্যকর করে তুলতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সকলের সম্মিলিত মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত দলিল প্রস্তুত করা হবে।

রাষ্ট্রীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও কৌশলগত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ পাওয়ার পর নীতিমালাটি চূড়ান্ত রূপ লাভ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর সফল বাস্তবায়ন দেশের শিল্পায়ন ও বিনিয়োগের পরিবেশকে আরও গতিশীল করবে।

জনপ্রিয়

লং মার্চ করে গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান হলে আমরাই আগে করতাম: প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রীয় সম্পদের কৌশলগত ব্যবস্থাপনায় খসড়া নীতিমালায় মতামত আহ্বান

প্রকাশিত ০২:৩১:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের বন্ধ থাকা, অকার্যকর এবং লোকসানি রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থনৈতিক কার্যক্রমে পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকা এসব প্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমাণ জমি ও অবকাঠামো যথাযথভাবে কাজে লাগাতে একটি কৌশলগত নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। এই নীতিমালা কার্যকর হলে রাষ্ট্রের অবহেলিত সম্পদ থেকে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পথ সুগম হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

প্রণীত এই খসড়া নীতিমালার মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারি খাতের অনুৎপাদনশীল সম্পদগুলোকে আধুনিক ব্যবস্থাপনার আওতায় নিয়ে আসা। দীর্ঘদিন ধরে রুগ্ন অবস্থায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর স্থাবর সম্পত্তিগুলোর সঠিক মূল্যায়ন এবং সেগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে এতে। এর ফলে আটকে থাকা সরকারি মূলধন আবার সচল অর্থনীতিতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে।

এই গুরুত্বপূর্ণ খসড়া নীতিমালাটি আরও বাস্তবসম্মত ও যুগোপযোগী করতে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের মতামত চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ। সরকারি ও বেসরকারি খাতের বিশেষজ্ঞ, উদ্যোক্তা এবং নীতিনির্ধারকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রস্তাবিত নীতিটিকে আরও বেশি কার্যকর করে তুলতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সকলের সম্মিলিত মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত দলিল প্রস্তুত করা হবে।

রাষ্ট্রীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও কৌশলগত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ পাওয়ার পর নীতিমালাটি চূড়ান্ত রূপ লাভ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর সফল বাস্তবায়ন দেশের শিল্পায়ন ও বিনিয়োগের পরিবেশকে আরও গতিশীল করবে।