ঢাকা ০৮:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo র‍্যাবের মতো সংগঠন প্রয়োজন, এসআরবি নিয়ে সংসদে লুৎফুজ্জামান বাবর Logo শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে জবিতে সাংবাদিকতা কর্মশালা Logo র‍্যাব বিলুপ্তির দাবি ছিল, একই ধরনের বাহিনী কেন? প্রশ্ন শফিকুর রহমানের Logo ওয়ালটন পণ্যের মান ও স্থায়িত্ব উন্নত, দামেও সাশ্রয়ী: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী Logo ২০১৬-১৭ মৌসুমের চেলসির শিরোপা টটেনহামকে দেওয়া উচিৎ Logo সংসদীয় কমিটি গঠনে ‘স্পিরিট অব পার্লামেন্ট’ বিবেচনার আহ্বান নাহিদের Logo হেবার সংশোধন আইন দ্রুত বাতিল কর‌তে হ‌বে: মুফতি ফয়জুল করিম Logo সংসদে বক্তব্যে বাধা, গালাগালি গণতান্ত্রিক রীতির বাইরে: রুমিন ফারহানা Logo বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ Logo পুলিশ বক্স নির্মাণের কথা বলে হোটেল-রিসোর্টে চাঁদা দাবি, গ্রেপ্তার এক

হেবার সংশোধন আইন দ্রুত বাতিল কর‌তে হ‌বে: মুফতি ফয়জুল করিম

হেবা বা দানপত্র দলিলের ক্ষেত্রে সম্পত্তি রেজিস্ট্রি সংক্রান্ত বিতর্কিত সংশোধন আইনটি অবিলম্বে বাতিলের জোরালো দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম। সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি এই আইনকে জনস্বার্থবিরোধী ও জটিলতাপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। তার মতে, এই ধরনের আইন সাধারণ মানুষের পৈতৃক সম্পত্তি হস্তান্তর প্রক্রিয়াকে আরও বেশি জটিল করে তুলবে এবং সমাজে নানা ধরনের ভোগান্তি সৃষ্টি করবে। তাই জনদুর্ভোগ এড়াতে এই সংশোধনমূলক পদক্ষেপ থেকে সরকারের অবিলম্বে সরে আসা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এই আইন বাতিলের মূল লক্ষ্যকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে একটি কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে একযোগে বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই এই আল্টিমেটাম ও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। সাধারণ মানুষ ওলামা-মাশায়েখদের এই আন্দোলনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মুফতি ফয়জুল করিম আরও বলেন, দেশের সাধারণ নাগরিক এবং অংশীজনদের মতামত বা আপত্তি উপেক্ষা করে এই ধরনের সংবেদনশীল আইন প্রণয়ন করা অত্যন্ত অনভিপ্রেত। ঐতিহাসিকভাবে চলে আসা সম্পত্তি হস্তান্তরের নিয়মগুলোকে হুট করে এভাবে পরিবর্তন করায় সমাজে নানা ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। এ ধরনের আইন সংশোধনের আগে বৃহত্তর পরিসরে জনমত যাচাই এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি ছিল বলে তিনি মনে করেন।

ঘোষিত কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সফল করার জন্য তিনি দলীয় নেতাকর্মীসহ দেশের সর্বস্তরের সচেতন জনসাধারণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই বিতর্কিত আইন বাতিলের ঘোষণা না দেয়, তবে পরবর্তীতে আরও কঠোর ও বৃহত্তর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি। দেশবাসীর নায্য অধিকার রক্ষায় এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয়

র‍্যাবের মতো সংগঠন প্রয়োজন, এসআরবি নিয়ে সংসদে লুৎফুজ্জামান বাবর

হেবার সংশোধন আইন দ্রুত বাতিল কর‌তে হ‌বে: মুফতি ফয়জুল করিম

প্রকাশিত ০৬:৩১:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হেবা বা দানপত্র দলিলের ক্ষেত্রে সম্পত্তি রেজিস্ট্রি সংক্রান্ত বিতর্কিত সংশোধন আইনটি অবিলম্বে বাতিলের জোরালো দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম। সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি এই আইনকে জনস্বার্থবিরোধী ও জটিলতাপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। তার মতে, এই ধরনের আইন সাধারণ মানুষের পৈতৃক সম্পত্তি হস্তান্তর প্রক্রিয়াকে আরও বেশি জটিল করে তুলবে এবং সমাজে নানা ধরনের ভোগান্তি সৃষ্টি করবে। তাই জনদুর্ভোগ এড়াতে এই সংশোধনমূলক পদক্ষেপ থেকে সরকারের অবিলম্বে সরে আসা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এই আইন বাতিলের মূল লক্ষ্যকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে একটি কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে একযোগে বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই এই আল্টিমেটাম ও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। সাধারণ মানুষ ওলামা-মাশায়েখদের এই আন্দোলনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মুফতি ফয়জুল করিম আরও বলেন, দেশের সাধারণ নাগরিক এবং অংশীজনদের মতামত বা আপত্তি উপেক্ষা করে এই ধরনের সংবেদনশীল আইন প্রণয়ন করা অত্যন্ত অনভিপ্রেত। ঐতিহাসিকভাবে চলে আসা সম্পত্তি হস্তান্তরের নিয়মগুলোকে হুট করে এভাবে পরিবর্তন করায় সমাজে নানা ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। এ ধরনের আইন সংশোধনের আগে বৃহত্তর পরিসরে জনমত যাচাই এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি ছিল বলে তিনি মনে করেন।

ঘোষিত কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সফল করার জন্য তিনি দলীয় নেতাকর্মীসহ দেশের সর্বস্তরের সচেতন জনসাধারণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই বিতর্কিত আইন বাতিলের ঘোষণা না দেয়, তবে পরবর্তীতে আরও কঠোর ও বৃহত্তর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি। দেশবাসীর নায্য অধিকার রক্ষায় এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।