সম্প্রতি দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হয়েছে। সংসদীয় বিধিবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত কার্যদিবস ও কার্যতালিকা সফলভাবে সম্পন্ন করার পর এই অধিবেশন সমাপ্তির ঘোষণা দেওয়া হয়। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি এবং সমসাময়িক নানা গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যু নিয়ে এই অধিবেশনে আইনপ্রণেতারা আলোচনা করেছেন বলে জানা গেছে।
এই অধিবেশনে দেশের জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সংসদ সদস্যদের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা ও বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, দেশের আর্থসামাজিক অগ্রগতি এবং বিভিন্ন খাতের নীতিনির্ধারণী বিষয়গুলো অধিবেশনে বিশেষ গুরুত্ব পায়। বিরোধী দলসহ সকল সংসদ সদস্যের সক্রিয় অংশগ্রহণে অধিবেশনের কার্যক্রম বেশ প্রাণবন্ত ছিল বলে সংসদ সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে।
অধিবেশন চলাকালে দেশের শাসনতান্ত্রিক ও আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে আরও সুদৃঢ় করতে এবং সংসদীয় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এই অধিবেশনের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সংসদীয় গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষায় নিয়মিত বিরতিতে এ ধরনের অধিবেশন আহ্বান ও সমাপ্তি অত্যন্ত জরুরি একটি প্রক্রিয়া।
সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী অধিবেশন সমাপ্তসংক্রান্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ পাঠ করার মধ্য দিয়ে স্পিকার এই অধিবেশন সমাপ্তির ঘোষণা দেন। অধিবেশন শেষ হওয়ার পর সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তদারকিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। আগামীতে সংবিধানের বিধান অনুযায়ী পুনরায় সংসদের পরবর্তী অধিবেশন আহ্বান করা হবে।



































