ঢাকা ০১:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সংসদীয় যোগাযোগ বাড়াতে মালদ্বীপের স্পিকারের সঙ্গে রাষ্ট্রদূতের বৈঠক Logo যে কারণে সাইবার পুলিশের দ্বারস্থ রাশমিকা-বিজয় Logo উখিয়ায় ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ২০০ মিটার এলাকা ঘেরার পরামর্শ Logo ‘ব্যলন দ’র ও ব্যক্তিগত ট্রফি অনেক জিতবে ইয়ামাল’ Logo মুশফিককে ছাড়াই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ Logo কুবিতে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের দাবি Logo যে কারণে মিরপুর টেস্টে নেই মুশফিক Logo নোবিপ্রবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ক্যারিয়ার সেমিনার Logo ‘যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিকে নতুন রূপ দিচ্ছে ফিলিস্তিনপন্থি আন্দোলন’ Logo সার্বিয়া ও ব্রাজিলে নির্বাচনি বিজয় এবং গণতান্ত্রিক রূপান্তরের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বাড়ছেই, পৌঁছালো ১৪১ জনে

বাংলাদেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের প্রাণহানি ঘটেছে। এই নতুন মৃত্যুর ফলে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪১ জনে গিয়ে ঠেকেছে।

প্রাণঘাতী এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এবং দেশের বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত কিছুদিনে নতুন করে আরও ৭৯০ জন ডেঙ্গু রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হয়েছেন। এর মাধ্যমে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯ হাজার ২২০ জনে।

মারা যাওয়া দুজন রোগীর বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে যে, মৃত দুজনই পুরুষ। এদের মধ্যে একজন পাঁচ বছরের কম বয়সী একটি শিশু এবং অন্যজনের বয়স একচল্লিশ থেকে পঁয়তাল্লিশ বছরের মধ্যে। এ পর্যন্ত মৃত্যুবরণকারীদের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, মোট মৃতদের মধ্যে নারী রোগীর হার ৫২ দশমিক এক শতাংশ এবং পুরুষ রোগীর হার ৪৭ দশমিক নয় শতাংশ।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রভাব ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় লক্ষ্য করা গেছে এবং এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই প্রাণহানির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বিভাগওয়ারী হিসেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের হাসপাতালে ছিয়াচল্লিশ জন, উত্তর সিটি করপোরেশনের হাসপাতালে আঠারো জন এবং সিটি করপোরেশনের বাইরে আটজন মারা গেছেন। এছাড়া অন্যান্য অঞ্চলের মধ্যে খুলনায় পঁচিশ, ময়মনসিংহে চৌদ্দ, বরিশালে বারো, চট্টগ্রামে দশ, রাজশাহীতে ছয় এবং রংপুর ও সিলেটে একজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী ডেঙ্গুর প্রকোপ মারাত্মক হলেও নিয়মিত চিকিৎসা সেবা পেয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব মতে, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোট ৪৯ হাজার ২২০ জন রোগীর মধ্যে ইতিমধ্যে ৪৫ হাজার ৬৪৫ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ডেঙ্গু সংক্রমণ রোধে মশা নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের ওপর আরও বেশি জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

জনপ্রিয়

সংসদীয় যোগাযোগ বাড়াতে মালদ্বীপের স্পিকারের সঙ্গে রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বাড়ছেই, পৌঁছালো ১৪১ জনে

প্রকাশিত ০১:৩১:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের প্রাণহানি ঘটেছে। এই নতুন মৃত্যুর ফলে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪১ জনে গিয়ে ঠেকেছে।

প্রাণঘাতী এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এবং দেশের বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত কিছুদিনে নতুন করে আরও ৭৯০ জন ডেঙ্গু রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হয়েছেন। এর মাধ্যমে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯ হাজার ২২০ জনে।

মারা যাওয়া দুজন রোগীর বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে যে, মৃত দুজনই পুরুষ। এদের মধ্যে একজন পাঁচ বছরের কম বয়সী একটি শিশু এবং অন্যজনের বয়স একচল্লিশ থেকে পঁয়তাল্লিশ বছরের মধ্যে। এ পর্যন্ত মৃত্যুবরণকারীদের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, মোট মৃতদের মধ্যে নারী রোগীর হার ৫২ দশমিক এক শতাংশ এবং পুরুষ রোগীর হার ৪৭ দশমিক নয় শতাংশ।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রভাব ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় লক্ষ্য করা গেছে এবং এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই প্রাণহানির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বিভাগওয়ারী হিসেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের হাসপাতালে ছিয়াচল্লিশ জন, উত্তর সিটি করপোরেশনের হাসপাতালে আঠারো জন এবং সিটি করপোরেশনের বাইরে আটজন মারা গেছেন। এছাড়া অন্যান্য অঞ্চলের মধ্যে খুলনায় পঁচিশ, ময়মনসিংহে চৌদ্দ, বরিশালে বারো, চট্টগ্রামে দশ, রাজশাহীতে ছয় এবং রংপুর ও সিলেটে একজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী ডেঙ্গুর প্রকোপ মারাত্মক হলেও নিয়মিত চিকিৎসা সেবা পেয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব মতে, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোট ৪৯ হাজার ২২০ জন রোগীর মধ্যে ইতিমধ্যে ৪৫ হাজার ৬৪৫ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ডেঙ্গু সংক্রমণ রোধে মশা নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের ওপর আরও বেশি জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।