ঢাকা ০৭:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo আগামীতে স্কুল-মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষা একই প্রশ্নে হবে: শিক্ষামন্ত্রী Logo স্কুলে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি Logo নির্বাচনের পরও অনিশ্চয়তা, ফের ভোটের পথে ইসরাইল? Logo অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকার রাখতে হবে: জাতিসংঘে আইরিন খান Logo ব্যর্থতাই কি সফলতার আসল চাবিকাঠি? Logo ঢাকার ২১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন স্কুল টিম’ কার্যক্রম শুরু Logo বাংলাদেশ এখন আর সাহায্য নয়, বিনিয়োগ চায়: রাষ্ট্রপতি Logo অবৈধ সম্পদ: সাবেক সহকারী কর কমিশনার শ্যামলের ৫ বছরের কারাদণ্ড Logo নেপালের নাট্যোৎসবে অংশ নিচ্ছে ‘হিরণ কিরণ থিয়েটার’ Logo ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে বাংলাদেশের জিডিপি: প্রধানমন্ত্রী

এআই-এর কারণে ভবিষ্যতে মানবজাতির ধ্বংসের প্রবল আশঙ্কা প্রকাশ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির অভাবনীয় অগ্রযাত্রা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা মহলে আলোচনা ও উদ্বেগ চলতেই আছে। এরই ধারাবাহিকতায় জনপ্রিয় এআই প্রতিষ্ঠান ‘অ্যানথ্রোপিক’ থেকে পদত্যাগ করেছেন এক শীর্ষ গবেষক। এই প্রযুক্তি যেভাবে দ্রুত বিকশিত হচ্ছে এবং তা শেষ পর্যন্ত মানবসভ্যতার জন্য কতটা ভয়ংকর হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি গভীর আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ওই গবেষক দাবি করেছেন যে, এই খাতের ভেতরের মানুষেরাও প্রযুক্তিটির ভবিষ্যৎ রূপ নিয়ে মনে মনে চরম শঙ্কার মধ্যে রয়েছেন।

আধুনিক প্রযুক্তির এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে মানুষের কাজের পরিধি ছাড়িয়ে স্বয়ংক্রিয় হয়ে উঠছে, তা গবেষকদের ঘুম হারাম করে দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এআই প্রযুক্তির লাগাম টেনে ধরা না গেলে তা একসময় মানুষের নিয়ন্ত্রণের সম্পূর্ণ বাইরে চলে যেতে পারে। বিশেষ করে স্বয়ংক্রিয় মারণাস্ত্র তৈরি বা সমাজকে বিভ্রান্ত করার মতো কাজে এর অপব্যবহার মানবজাতিকে এক মহাবিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিতে পারে। অ্যানথ্রোপিকের সাবেক ওই গবেষকের এই বক্তব্য প্রযুক্তি দুনিয়ার সেই অন্ধকার দিকটির ওপরই নতুন করে আলো ফেলল।

প্রতিষ্ঠানের ভেতরের কর্মরত অনেক বিজ্ঞানী ও গবেষক প্রকাশ্যে মুখ না খুললেও ব্যক্তিগতভাবে এই প্রযুক্তির অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার নিয়ে যথেষ্ট আতঙ্কিত। বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার ইঁদুর দৌড়ে অন্ধের মতো এআই-কে আরও শক্তিশালী করে তোলার যে প্রবণতা শুরু হয়েছে, তাকে মারাত্মক এক ভুল হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর এই বেপরোয়া মনোভাব মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য কতটা হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে, সে বিষয়েও তারা বারবার সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে আসছেন।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার ও গবেষণার ওপর কঠোর আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন বা নীতিমালা আরোপের দাবি জোরালো হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক ও গবেষকদের একাংশ মনে করছেন, এখনই সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়ন ও তার সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা না গেলে মানবজাতিকে বড় ধরনের মূল্য চোকাতে হবে। প্রযুক্তি যেন মানুষের ধ্বংসের কারণ না হয়ে বরং কল্যাণে ব্যবহৃত হয়, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে বিশ্বনেতৃবৃন্দকে দ্রুত এক যৌথ পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

জনপ্রিয়

আগামীতে স্কুল-মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষা একই প্রশ্নে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

এআই-এর কারণে ভবিষ্যতে মানবজাতির ধ্বংসের প্রবল আশঙ্কা প্রকাশ

প্রকাশিত ০৪:৪৬:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির অভাবনীয় অগ্রযাত্রা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা মহলে আলোচনা ও উদ্বেগ চলতেই আছে। এরই ধারাবাহিকতায় জনপ্রিয় এআই প্রতিষ্ঠান ‘অ্যানথ্রোপিক’ থেকে পদত্যাগ করেছেন এক শীর্ষ গবেষক। এই প্রযুক্তি যেভাবে দ্রুত বিকশিত হচ্ছে এবং তা শেষ পর্যন্ত মানবসভ্যতার জন্য কতটা ভয়ংকর হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি গভীর আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ওই গবেষক দাবি করেছেন যে, এই খাতের ভেতরের মানুষেরাও প্রযুক্তিটির ভবিষ্যৎ রূপ নিয়ে মনে মনে চরম শঙ্কার মধ্যে রয়েছেন।

আধুনিক প্রযুক্তির এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে মানুষের কাজের পরিধি ছাড়িয়ে স্বয়ংক্রিয় হয়ে উঠছে, তা গবেষকদের ঘুম হারাম করে দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এআই প্রযুক্তির লাগাম টেনে ধরা না গেলে তা একসময় মানুষের নিয়ন্ত্রণের সম্পূর্ণ বাইরে চলে যেতে পারে। বিশেষ করে স্বয়ংক্রিয় মারণাস্ত্র তৈরি বা সমাজকে বিভ্রান্ত করার মতো কাজে এর অপব্যবহার মানবজাতিকে এক মহাবিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিতে পারে। অ্যানথ্রোপিকের সাবেক ওই গবেষকের এই বক্তব্য প্রযুক্তি দুনিয়ার সেই অন্ধকার দিকটির ওপরই নতুন করে আলো ফেলল।

প্রতিষ্ঠানের ভেতরের কর্মরত অনেক বিজ্ঞানী ও গবেষক প্রকাশ্যে মুখ না খুললেও ব্যক্তিগতভাবে এই প্রযুক্তির অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার নিয়ে যথেষ্ট আতঙ্কিত। বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার ইঁদুর দৌড়ে অন্ধের মতো এআই-কে আরও শক্তিশালী করে তোলার যে প্রবণতা শুরু হয়েছে, তাকে মারাত্মক এক ভুল হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর এই বেপরোয়া মনোভাব মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য কতটা হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে, সে বিষয়েও তারা বারবার সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে আসছেন।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার ও গবেষণার ওপর কঠোর আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন বা নীতিমালা আরোপের দাবি জোরালো হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক ও গবেষকদের একাংশ মনে করছেন, এখনই সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়ন ও তার সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা না গেলে মানবজাতিকে বড় ধরনের মূল্য চোকাতে হবে। প্রযুক্তি যেন মানুষের ধ্বংসের কারণ না হয়ে বরং কল্যাণে ব্যবহৃত হয়, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে বিশ্বনেতৃবৃন্দকে দ্রুত এক যৌথ পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।