ঢাকা ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রুশ জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধ করতে জেলেনস্কিকে ট্রাম্পের আহ্বান

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন। ওই আলোচনায় ট্রাম্প ইউক্রেনীয় নেতৃত্বকে স্পষ্টভাবে রুশ জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান। মূলত রাশিয়ার তেল শোধনাগার এবং ডিজেল উৎপাদনকারী স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে কিয়েভের চালানো আক্রমণ নিয়ে ওয়াশিংটন তার উদ্বেগের কথা জানিয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের মতে, ইউক্রেনের এই ধরনের সামরিক পদক্ষেপের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির স্বাভাবিক সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এর প্রত্যক্ষ প্রভাব হিসেবে বিশ্ববাজারে ডিজেলসহ বিভিন্ন পেট্রোলিয়াম পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্য হারে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মার্কিন নীতিনির্ধারকরা।

অন্যদিকে, নিজ দেশের ওপর রুশ আগ্রাসন প্রতিহত করতে এবং যুদ্ধক্ষেত্রের কৌশলগত সুবিধা ধরে রাখতে ইউক্রেন দীর্ঘদিন ধরে এই হামলাগুলো চালিয়ে আসছে। রুশ সামরিক বাহিনীর লজিস্টিক ও জ্বালানি সরবরাহে আঘাত হানাকে কিয়েভ নিজেদের প্রতিরক্ষার একটি বৈধ অংশ হিসেবে বিবেচনা করে থাকে। ফলে পশ্চিমা মিত্রদের কাছ থেকে আসা এমন সংযমের বার্তার মুখে ইউক্রেনীয় সরকার কী ধরনের কৌশলগত অবস্থান নেয়, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানামুখী বিশ্লেষণ চলছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চলমান এই দ্বন্দ্বে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতা এবং ইউক্রেনের আত্মরক্ষার অধিকারের মধ্যে এক ধরনের ভারসাম্যের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই আহ্বান ভবিষ্যতে এই যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি এবং পশ্চিমা সামরিক সহায়তার মাত্রাকে প্রভাবিত করতে পারে। উভয় পক্ষের এই কূটনৈতিক দরকষাকষি আগামী দিনে যুদ্ধ পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে, তা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয়

উত্তরা থেকে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার

রুশ জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধ করতে জেলেনস্কিকে ট্রাম্পের আহ্বান

প্রকাশিত ১১:০১:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন। ওই আলোচনায় ট্রাম্প ইউক্রেনীয় নেতৃত্বকে স্পষ্টভাবে রুশ জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান। মূলত রাশিয়ার তেল শোধনাগার এবং ডিজেল উৎপাদনকারী স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে কিয়েভের চালানো আক্রমণ নিয়ে ওয়াশিংটন তার উদ্বেগের কথা জানিয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের মতে, ইউক্রেনের এই ধরনের সামরিক পদক্ষেপের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির স্বাভাবিক সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এর প্রত্যক্ষ প্রভাব হিসেবে বিশ্ববাজারে ডিজেলসহ বিভিন্ন পেট্রোলিয়াম পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্য হারে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মার্কিন নীতিনির্ধারকরা।

অন্যদিকে, নিজ দেশের ওপর রুশ আগ্রাসন প্রতিহত করতে এবং যুদ্ধক্ষেত্রের কৌশলগত সুবিধা ধরে রাখতে ইউক্রেন দীর্ঘদিন ধরে এই হামলাগুলো চালিয়ে আসছে। রুশ সামরিক বাহিনীর লজিস্টিক ও জ্বালানি সরবরাহে আঘাত হানাকে কিয়েভ নিজেদের প্রতিরক্ষার একটি বৈধ অংশ হিসেবে বিবেচনা করে থাকে। ফলে পশ্চিমা মিত্রদের কাছ থেকে আসা এমন সংযমের বার্তার মুখে ইউক্রেনীয় সরকার কী ধরনের কৌশলগত অবস্থান নেয়, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানামুখী বিশ্লেষণ চলছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চলমান এই দ্বন্দ্বে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতা এবং ইউক্রেনের আত্মরক্ষার অধিকারের মধ্যে এক ধরনের ভারসাম্যের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই আহ্বান ভবিষ্যতে এই যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি এবং পশ্চিমা সামরিক সহায়তার মাত্রাকে প্রভাবিত করতে পারে। উভয় পক্ষের এই কূটনৈতিক দরকষাকষি আগামী দিনে যুদ্ধ পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে, তা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।