ঢাকা ০২:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ড: কুবিতে ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের কৃতি সন্তান ইশরাত শাহরিয়ার অপ্রতিমের মর্মান্তিক ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর পুরো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে এক ধরনের থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে, যা পুরো একাডেমিক পরিবেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছে।

এই অনভিপ্রেত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঘটনার দিন অর্থাৎ গত ২০ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের নিয়মিত ক্লাস এবং পূর্বনির্ধারিত সকল পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের ফলে ক্যাম্পাসের সমস্ত একাডেমিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

প্রিয় সহকর্মীর সন্তানের এমন নির্মম মৃত্যুর খবরে শিক্ষক সমাজ গভীরভাবে শোকাহত এবং তারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। সাধারণ শিক্ষার্থীরাও তাদের শিক্ষক পরিবারের ওপর নেমে আসা এই বিপদে সংহতি প্রকাশ করেছে এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠন ও ফোরাম থেকে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলোর নতুন সময়সূচি পরবর্তীতে জানিয়ে দেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইতিমধ্যে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করতে এবং রহস্য উদঘাটনে জোড় তৎপরতা শুরু করেছে।

জনপ্রিয়

ঘুমের মধ্যে মানুষ কেন দাঁত কিড়মিড় করে? কাদের হয় আর চিকিৎসা কী?

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ড: কুবিতে ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

প্রকাশিত ০১:৪৫:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের কৃতি সন্তান ইশরাত শাহরিয়ার অপ্রতিমের মর্মান্তিক ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর পুরো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে এক ধরনের থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে, যা পুরো একাডেমিক পরিবেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছে।

এই অনভিপ্রেত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঘটনার দিন অর্থাৎ গত ২০ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের নিয়মিত ক্লাস এবং পূর্বনির্ধারিত সকল পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের ফলে ক্যাম্পাসের সমস্ত একাডেমিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

প্রিয় সহকর্মীর সন্তানের এমন নির্মম মৃত্যুর খবরে শিক্ষক সমাজ গভীরভাবে শোকাহত এবং তারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। সাধারণ শিক্ষার্থীরাও তাদের শিক্ষক পরিবারের ওপর নেমে আসা এই বিপদে সংহতি প্রকাশ করেছে এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠন ও ফোরাম থেকে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলোর নতুন সময়সূচি পরবর্তীতে জানিয়ে দেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইতিমধ্যে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করতে এবং রহস্য উদঘাটনে জোড় তৎপরতা শুরু করেছে।