দেশি প্রজাতির মাছের বংশবৃদ্ধি রক্ষা এবং সার্বিক উৎপাদন বাড়ানোর ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। সম্প্রতি জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে নীতিনির্ধারকরা এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের কথা জানান। প্রাকৃতিক জলাশয়ে বিভিন্ন দেশি প্রজাতির মাছের বিলুপ্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
এই কর্মসূচির সূচনাপর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে পুরো আয়োজনের উদ্বোধন করেন। কিশোরগঞ্জ জেলায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে মৎস্য খাতের উন্নয়নে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। এই জাতীয় উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা এবং মৎস্যজীবীদের জীবনমানের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
উদ্বোধনী আনুষ্ঠানিকতার ধারাবাহিকতায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে উন্মুক্ত জলাশয় এবং নদ-নদীতে মাছের পোনা অবমুক্তকরণের কাজ চলছে। স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এসব কর্মসূচিতে বিভিন্ন প্রজাতির দেশি মাছের পোনা ছাড়া হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি মৎস্য সম্পদের স্থায়িত্ব বজায় রাখা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সাধারণ মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি অবৈধ জালের ব্যবহার রোধ এবং জলাশয় রক্ষা করার ওপরও সংশ্লিষ্ট কতৃর্পক্ষ গুরুত্বারোপ করেছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মাছ চাষের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মৎস্য খাত আরও বড় ধরনের অবদান রাখবে বলে সরকারিভাবে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।




































