ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুষ্টিয়ায় সাংবাদিককে মারধর: এমপির চাচা ও পিএস গ্রেপ্তার

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় একটি চলমান সড়ক নির্মাণকাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সংবাদকর্মীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। সংবাদ সংগ্রহের সময় মাহবুব উল আহসান উল্লাস নামের এক স্থানীয় সাংবাদিককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এ ধরনের হামলার ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

এই অপ্রীতিকর ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগী সাংবাদিকের পক্ষ থেকে থানায় একটি সুনির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়। মামলার ভিত্তিতে নড়েচড়ে বসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে পুলিশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে আসামিদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

তদন্তের এক পর্যায়ে পুলিশ এই মামলার সঙ্গে জড়িত দুই প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন স্থানীয় সংসদ সদস্যের চাচা এবং অন্যজন তাঁর ব্যক্তিগত সচিব (পিএস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বলে জানা গেছে। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম এই ঘটনায় জড়িয়ে পড়ায় বিষয়টি স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে। সাংবাদিকের ওপর হামলার মতো এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে পুলিশের পক্ষ থেকে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। ঘটনার বাকি দিকগুলো খতিয়ে দেখতে পুলিশের তদন্ত বর্তমানে অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয়

সান্ডারল্যান্ডকে হারিয়ে শীর্ষে ম্যানচেস্টার সিটি

কুষ্টিয়ায় সাংবাদিককে মারধর: এমপির চাচা ও পিএস গ্রেপ্তার

প্রকাশিত ১০:৪৬:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় একটি চলমান সড়ক নির্মাণকাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সংবাদকর্মীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। সংবাদ সংগ্রহের সময় মাহবুব উল আহসান উল্লাস নামের এক স্থানীয় সাংবাদিককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এ ধরনের হামলার ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

এই অপ্রীতিকর ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগী সাংবাদিকের পক্ষ থেকে থানায় একটি সুনির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়। মামলার ভিত্তিতে নড়েচড়ে বসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে পুলিশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে আসামিদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

তদন্তের এক পর্যায়ে পুলিশ এই মামলার সঙ্গে জড়িত দুই প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন স্থানীয় সংসদ সদস্যের চাচা এবং অন্যজন তাঁর ব্যক্তিগত সচিব (পিএস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বলে জানা গেছে। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম এই ঘটনায় জড়িয়ে পড়ায় বিষয়টি স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে। সাংবাদিকের ওপর হামলার মতো এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে পুলিশের পক্ষ থেকে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। ঘটনার বাকি দিকগুলো খতিয়ে দেখতে পুলিশের তদন্ত বর্তমানে অব্যাহত রয়েছে।