ঢাকা ০৬:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo হাসিমুখে ফুলেল শুভেচ্ছা নিলেন শিক্ষক, কিছুক্ষণ পর ঢলে পড়লেন মৃত্যুর কোলে Logo ঢাকা-বাইপাস এক্সপ্রেসওয়েতে ফাটল, তড়িঘড়ি গর্ত ভরাট, ঝুঁকি নিয়ে যান চলাচল Logo ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯০২ Logo প্রাচীন দাঁত দেখে গবেষকেরা জানালেন, মানুষ সুপারি খেত ২৫ হাজার বছর আগে থেকেই Logo ভিয়েতনামে ২৭০০ বিড়াল চুরির অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১২ Logo দুদকের মামলায় ছেলেসহ গ্রেপ্তার দেখানো হলো শাজাহান খানকে Logo ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা হামলার হুমকি দিয়ে ইমেইল, তদন্তে ডিবি Logo আলোয় মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণের কৌশল উদ্ভাবনে চিকিৎসায় নোবেল পেলেন ৩ বিজ্ঞানী Logo কিশোরগঞ্জে ৯ মাসে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ২৫ হাজার, ডেঙ্গুতে ১,৮০০; মৃত্যু ৩ Logo স্পেনে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা, বামপন্থী সানচেজ যুগের অবসান ঘটছে কি

১০ মাসের শিশুকে কোলে নিয়ে স্বামীর বাড়িতে, গিয়ে শুনলেন তালাক

মাদারীপুর থেকে নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় স্বামীর বাড়িতে আসেন সাথী বেগম নামের এক নারী। তার কোলে ছিল মাত্র দশ মাস বয়সী শিশুকন্যা রাইসা মনি। মূলত ভেঙে যাওয়া সংসার জোড়া লাগানোর আশা নিয়ে স্বামীর বাড়িতে উপস্থিত হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর পর তিনি জানতে পারেন, তার স্বামী সুমন মিয়া তাকে তালাক দিয়ে অন্যত্র বিয়ে করেছেন।

এর আগে স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় এবং দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জন শোনার পর শিশুসন্তানকে নিয়ে থানায় আসেন সাথী বেগম। তিনি সেখানে একটি সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করেন। পরবর্তীতে পুলিশের সহায়তায় তাকে ও তার সন্তানকে সুমনের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। তবে বাড়িতে গিয়ে সুমনের দেখা মেলেনি এবং জানা যায় তিনি নতুন স্ত্রীকে নিয়ে অন্য কোথাও বসবাস করছেন।

প্রাপ্ত নথিপত্র থেকে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি গ্রুপের মাধ্যমে প্রবাসে থাকা সুমনের সঙ্গে সাথীর পরিচয় হয় এবং পরবর্তীতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী এবং পরবর্তীতে রেজিস্ট্রি কাবিনের মাধ্যমে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। তাদের কোলজুড়ে আসে একটি কন্যাসন্তান। কিন্তু সম্প্রতি সুমন মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী সাথীকে একটি তালাকের নোটিশ পাঠান বলে জানা যায়।

ভুক্তভোগী সাথী বেগম জানান, তিনি সব পরিস্থিতি মেনে নিয়ে স্বামীর সঙ্গেই সংসার করতে চান এবং সন্তানকে নিয়ে একসঙ্গে বসবাস করতে তার কোনো আপত্তি নেই। সুমনের বাবা ছেলের দ্বিতীয় বিয়ের সত্যতা নিশ্চিত করলেও এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানেন না বলে দাবি করেন। অন্যদিকে, যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্ত সুমনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয়

হাসিমুখে ফুলেল শুভেচ্ছা নিলেন শিক্ষক, কিছুক্ষণ পর ঢলে পড়লেন মৃত্যুর কোলে

১০ মাসের শিশুকে কোলে নিয়ে স্বামীর বাড়িতে, গিয়ে শুনলেন তালাক

প্রকাশিত ১০:০০:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

মাদারীপুর থেকে নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় স্বামীর বাড়িতে আসেন সাথী বেগম নামের এক নারী। তার কোলে ছিল মাত্র দশ মাস বয়সী শিশুকন্যা রাইসা মনি। মূলত ভেঙে যাওয়া সংসার জোড়া লাগানোর আশা নিয়ে স্বামীর বাড়িতে উপস্থিত হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর পর তিনি জানতে পারেন, তার স্বামী সুমন মিয়া তাকে তালাক দিয়ে অন্যত্র বিয়ে করেছেন।

এর আগে স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় এবং দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জন শোনার পর শিশুসন্তানকে নিয়ে থানায় আসেন সাথী বেগম। তিনি সেখানে একটি সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করেন। পরবর্তীতে পুলিশের সহায়তায় তাকে ও তার সন্তানকে সুমনের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। তবে বাড়িতে গিয়ে সুমনের দেখা মেলেনি এবং জানা যায় তিনি নতুন স্ত্রীকে নিয়ে অন্য কোথাও বসবাস করছেন।

প্রাপ্ত নথিপত্র থেকে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি গ্রুপের মাধ্যমে প্রবাসে থাকা সুমনের সঙ্গে সাথীর পরিচয় হয় এবং পরবর্তীতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী এবং পরবর্তীতে রেজিস্ট্রি কাবিনের মাধ্যমে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। তাদের কোলজুড়ে আসে একটি কন্যাসন্তান। কিন্তু সম্প্রতি সুমন মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী সাথীকে একটি তালাকের নোটিশ পাঠান বলে জানা যায়।

ভুক্তভোগী সাথী বেগম জানান, তিনি সব পরিস্থিতি মেনে নিয়ে স্বামীর সঙ্গেই সংসার করতে চান এবং সন্তানকে নিয়ে একসঙ্গে বসবাস করতে তার কোনো আপত্তি নেই। সুমনের বাবা ছেলের দ্বিতীয় বিয়ের সত্যতা নিশ্চিত করলেও এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানেন না বলে দাবি করেন। অন্যদিকে, যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্ত সুমনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।