সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমান সংস্থা ফ্লাইদুবাইয়ের একটি ফ্লাইটে বড় ধরনের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। ইসরায়েলগামী ওই বাণিজ্যিক বিমানের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কবজায় নেওয়ার জন্য কো-পাইলট বিপজ্জনক এক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় থেকে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
তদন্তে জানা গেছে, আকাশে ওড়ার পর পরই কো-পাইলট জোরপূর্বক বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা শুরু করেন। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি ককপিটে থাকা জরুরি উদ্ধারকাজে ব্যবহৃত একটি ক্র্যাশ অ্যাক্স বা ছোট কুড়াল দিয়ে মূল পাইলটকে আক্রমণ করেন। এই আকস্মিক ও সহিংস হামলায় বিমানের ফ্লাইট সেফটি মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
অভিযুক্ত কো-পাইলটের এমন বেপরোয়া আচরণ বিমানটির ক্রু ও যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক তৈরি করে। তবে পাইলট এবং অন্যান্য কর্মীদের সাহসিকতা ও সময়োপযোগী পদক্ষেপে শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। বিমানটি নিরাপদেই নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যায় এবং অবতরণ করে।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত কো-পাইলটের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে আমিরাতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিমান চালকদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং ককপিটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি নিয়ে এখন নতুন করে বিশ্বজুড়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।



































