ঢাকা ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo আবাসন ব্যবসায়ীদের গ্রাহক হয়রানি বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা সংসদীয় কমিটির Logo ভাষার চেনা ছক ভেঙেছেন অ্যান কার্সন Logo লংমার্চ কেবল কর্মসূচি নয়, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক হুংকার: মিয়া গোলাম পরওয়ার Logo ১৫ বছর নিউমুরিং টার্মিনাল পরিচালনা করবে দুবাইয়ের ডিপি ওয়ার্ল্ড, চুক্তি সই Logo ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন পোস্ট করা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি Logo ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখছে ১১ মাসে হাফেজ হওয়া মুগ্ধ Logo মেসির বিদায়ে রোনালদোর শুভেচ্ছা, ‘তুমি এমন এক ইতিহাস গড়েছ, যা চিরকাল টিকে থাকবে’ Logo কোরআন শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে কাজ করবে সরকার: রাষ্ট্রপতি Logo ৮,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির ‘অল-রাউন্ড ডিউরেবল চ্যাম্পিয়ন’ রিয়েলমি সি১০০ উন্মোচন Logo আপত্তি ও বিক্ষোভের মুখেই দুবাইয়ের কোম্পানির হাতে চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল

ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন পোস্ট করা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি

ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন পোস্ট করা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসক ডা. খাইরাতুন হিসান কেয়া ও সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রশিদ আহমেদ চৌধুরী তোফায়েল এই কমিটি গঠন করেন। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, শনিবার (৩ অক্টোবর) চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুল সড়কের আল নূর হাসপাতালে ডা. খাইরাতুন হিসান কেয়ার তত্ত্বাবধানে প্রসূতি নাজমা আক্তারের স্বাভাবিক প্রসব করানোর সময় নবজাতকের মাথায় গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়। পরে নবজাতকের মৃত্যু হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

নাজমা আক্তার উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের খামার পুষ্করণী গ্রামের প্রবাসী মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী।

এ ঘটনায় সোমবার (৫ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রসূতির স্বজনেরা চিকিৎসক কেয়ার বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তোলেন।

পরে স্থানীয় সাংবাদিকেরা বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে ঘটনাটি আরও আলোচনায় আসে।

এদিকে, সংবাদ প্রকাশের পর নিজের ফেসবুক আইডিতে সাংবাদিকদের উদ্দেশে আপত্তিকর মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ ওঠে ডা. কেয়ার বিরুদ্ধে। ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, আপনারা একটা কাজ করবেন, এখন থেকে ডেলিভারির ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন। অথবা ব্যথা কেন উঠছে না, পানি কেন ভাঙছে- এসব যাবতীয় সিদ্ধান্ত সাংবাদিক থেকে নিয়ে উনাকেই বলবেন চিকিৎসাটা করতে।

তার এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যে কুমিল্লা জেলাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে ওই মন্তব্যের জন্য সাংবাদিকদের কাছে ক্ষমা চান ডা. কেয়া।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রশিদ আহমেদ চৌধুরী তোফায়েল জানান, আলোচিত এ ঘটনায় চিকিৎসকের দেওয়া মন্তব্য আমাদের জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয়

আবাসন ব্যবসায়ীদের গ্রাহক হয়রানি বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা সংসদীয় কমিটির

ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন পোস্ট করা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি

প্রকাশিত ০৬:৫৮:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসক ডা. খাইরাতুন হিসান কেয়া ও সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রশিদ আহমেদ চৌধুরী তোফায়েল এই কমিটি গঠন করেন। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, শনিবার (৩ অক্টোবর) চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুল সড়কের আল নূর হাসপাতালে ডা. খাইরাতুন হিসান কেয়ার তত্ত্বাবধানে প্রসূতি নাজমা আক্তারের স্বাভাবিক প্রসব করানোর সময় নবজাতকের মাথায় গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়। পরে নবজাতকের মৃত্যু হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

নাজমা আক্তার উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের খামার পুষ্করণী গ্রামের প্রবাসী মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী।

এ ঘটনায় সোমবার (৫ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রসূতির স্বজনেরা চিকিৎসক কেয়ার বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তোলেন।

পরে স্থানীয় সাংবাদিকেরা বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে ঘটনাটি আরও আলোচনায় আসে।

এদিকে, সংবাদ প্রকাশের পর নিজের ফেসবুক আইডিতে সাংবাদিকদের উদ্দেশে আপত্তিকর মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ ওঠে ডা. কেয়ার বিরুদ্ধে। ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, আপনারা একটা কাজ করবেন, এখন থেকে ডেলিভারির ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন। অথবা ব্যথা কেন উঠছে না, পানি কেন ভাঙছে- এসব যাবতীয় সিদ্ধান্ত সাংবাদিক থেকে নিয়ে উনাকেই বলবেন চিকিৎসাটা করতে।

তার এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যে কুমিল্লা জেলাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে ওই মন্তব্যের জন্য সাংবাদিকদের কাছে ক্ষমা চান ডা. কেয়া।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রশিদ আহমেদ চৌধুরী তোফায়েল জানান, আলোচিত এ ঘটনায় চিকিৎসকের দেওয়া মন্তব্য আমাদের জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।