ঢাকা ১২:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

টানা ৪ দিন সারাদেশে গ্যাসের চাপ কম থাকবে আজ থেকে

জাতীয় ডেস্ক: কক্সবাজারের মহেশখালীতে সামিটের এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য দেশজুড়ে চার দিন গ্যাসের সরবরাহ কম থাকবে। ৪ নভেম্বর সকাল থেকে শুরু হয়ে ৭ নভেম্বর বিকেল পর্যন্ত এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময়ে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতসহ সকল শ্রেণির গ্রাহক গ্যাসের স্বল্প চাপের সমস্যায় পড়বেন। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে গ্রাহকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।

পেট্রোবাংলার উপমহাব্যবস্থাপক তারিকুল ইসলাম খানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছিল। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্দিষ্ট ওই চার দিন সামিটের এলএনজি টার্মিনালের রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এর ফলে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে কমে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসবে। অর্থাৎ রক্ষণাবেক্ষণ চলাকালীন জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কম সরবরাহ করা হবে।

গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় রান্নাবান্না, শিল্পকারখানার উৎপাদন এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। এর আগেও গত বছরের ডিসেম্বরে একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছিল। এদিকে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, এ ধরনের খবর সম্পূর্ণ গুজব এবং কোথাও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখার কোনো পরিকল্পনা নেই।

রক্ষণাবেক্ষণ কাজের এই সময়ে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ কিছুটা কমলেও তা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে না। দেশের সর্বত্র সীমিত পরিসরে হলেও গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। নির্ধারিত সময় পার হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তাই এই কয়দিন গ্রাহকদের ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয়

ঘুরে বেড়ানো ও কাপড় ভাঁজ করার রোবট নিয়ে কাজ করছে অ্যাপল

টানা ৪ দিন সারাদেশে গ্যাসের চাপ কম থাকবে আজ থেকে

প্রকাশিত ১১:২২:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: কক্সবাজারের মহেশখালীতে সামিটের এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য দেশজুড়ে চার দিন গ্যাসের সরবরাহ কম থাকবে। ৪ নভেম্বর সকাল থেকে শুরু হয়ে ৭ নভেম্বর বিকেল পর্যন্ত এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময়ে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতসহ সকল শ্রেণির গ্রাহক গ্যাসের স্বল্প চাপের সমস্যায় পড়বেন। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে গ্রাহকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।

পেট্রোবাংলার উপমহাব্যবস্থাপক তারিকুল ইসলাম খানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছিল। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্দিষ্ট ওই চার দিন সামিটের এলএনজি টার্মিনালের রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এর ফলে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে কমে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসবে। অর্থাৎ রক্ষণাবেক্ষণ চলাকালীন জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কম সরবরাহ করা হবে।

গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় রান্নাবান্না, শিল্পকারখানার উৎপাদন এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। এর আগেও গত বছরের ডিসেম্বরে একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছিল। এদিকে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, এ ধরনের খবর সম্পূর্ণ গুজব এবং কোথাও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখার কোনো পরিকল্পনা নেই।

রক্ষণাবেক্ষণ কাজের এই সময়ে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ কিছুটা কমলেও তা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে না। দেশের সর্বত্র সীমিত পরিসরে হলেও গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। নির্ধারিত সময় পার হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তাই এই কয়দিন গ্রাহকদের ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।