ঢাকা ০২:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo যুক্তরাজ্যে বৈধভাবে স্থায়ী হতে বেশির ভাগের ১০ বছর অপেক্ষা করতে হবে Logo পাচার করা অর্থ ফেরাতে হংকংয়ের সঙ্গে চুক্তির খসড়ায় সায় Logo সিলিন্ডার নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এনসিপি Logo প্রাক-অর্থায়ন তহবিল: বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আইএফআইসির চুক্তি Logo বায়ার্ন ম্যাচের আগে ‘অবিশ্বাস্য’ কেইনকে অভিনন্দন জানালেন সিমেওনে Logo বাদাম বিক্রির জীবন থেকে স্কুলের আঙিনায় ৮ বছরের হাসান Logo গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নের বিষয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ Logo রাজধানীতে বসছে আদিবাসী খাদ্য ও শস্য মেলা Logo কানাডায় যাচ্ছেন শিবলী-নিপা, শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক মঞ্চে পরিবেশনা Logo পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইনের সংশোধনে চূড়ান্ত অনুমোদন

জুলাই আন্দোলনে হামলার বিচার দাবি: জাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িত ছাত্রলীগের নেতাকর্মী এবং হামলায় মদদ দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি দিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রদল।

রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। মিছিলটি মুরাদ চত্বর ঘুরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

মিছিল চলাকালে তাঁরা ‘জিয়ার সৈনিক এক হও, লড়াই করো’, ‘জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জিন্দাবাদ’, ‘ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘ছাত্রলীগের কালো হাত ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’, ‘ক্ষমতা না জনতা, জনতা জনতা’ এবং ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

এসময় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর হামলায় জড়িত ও মদদদাতাদের বিচারের দাবিতে ছাত্রদল সোচ্চার ছিল। তবে বিচারের নামে প্রহসন হয়েছে বলে তাঁরা মনে করেন। হামলায় মদদ ও সহযোগিতার অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

পরে উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম উপস্থিত হলে তাঁর কাছে স্মারকলিপি দেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

স্মারকলিপি গ্রহণের পর উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম বলেন, আগের প্রশাসনের সময়ে সিন্ডিকেটের একটি সাধারণ সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে ওই সিদ্ধান্তের কার্যবিবরণী বা কপি এখনো বর্তমান প্রশাসনের হাতে পৌঁছায়নি।

তিনি বলেন, তৎকালীন উপাচার্য কার্যবিবরণীতে স্বাক্ষর করে সিদ্ধান্তটি হস্তান্তর করলে বর্তমান প্রশাসন তা পর্যালোচনা করবে। সিদ্ধান্তে কী রয়েছে, তা না জেনে এ বিষয়ে মন্তব্য করা সম্ভব নয়। সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর বিভিন্ন ক্রিয়াশীল সংগঠনের দাবিগুলো বিবেচনা করে যৌক্তিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

 

জনপ্রিয়

যুক্তরাজ্যে বৈধভাবে স্থায়ী হতে বেশির ভাগের ১০ বছর অপেক্ষা করতে হবে

জুলাই আন্দোলনে হামলার বিচার দাবি: জাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

প্রকাশিত ১১:৪৫:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িত ছাত্রলীগের নেতাকর্মী এবং হামলায় মদদ দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি দিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রদল।

রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। মিছিলটি মুরাদ চত্বর ঘুরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

মিছিল চলাকালে তাঁরা ‘জিয়ার সৈনিক এক হও, লড়াই করো’, ‘জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জিন্দাবাদ’, ‘ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘ছাত্রলীগের কালো হাত ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’, ‘ক্ষমতা না জনতা, জনতা জনতা’ এবং ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

এসময় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর হামলায় জড়িত ও মদদদাতাদের বিচারের দাবিতে ছাত্রদল সোচ্চার ছিল। তবে বিচারের নামে প্রহসন হয়েছে বলে তাঁরা মনে করেন। হামলায় মদদ ও সহযোগিতার অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

পরে উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম উপস্থিত হলে তাঁর কাছে স্মারকলিপি দেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

স্মারকলিপি গ্রহণের পর উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম বলেন, আগের প্রশাসনের সময়ে সিন্ডিকেটের একটি সাধারণ সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে ওই সিদ্ধান্তের কার্যবিবরণী বা কপি এখনো বর্তমান প্রশাসনের হাতে পৌঁছায়নি।

তিনি বলেন, তৎকালীন উপাচার্য কার্যবিবরণীতে স্বাক্ষর করে সিদ্ধান্তটি হস্তান্তর করলে বর্তমান প্রশাসন তা পর্যালোচনা করবে। সিদ্ধান্তে কী রয়েছে, তা না জেনে এ বিষয়ে মন্তব্য করা সম্ভব নয়। সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর বিভিন্ন ক্রিয়াশীল সংগঠনের দাবিগুলো বিবেচনা করে যৌক্তিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।