ঢাকা ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বাকৃবি ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১০দিন ব্যাপি কুরআন শিক্ষা কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ছাত্রদল সভাপতির ইফতার Logo যবিপ্রবিতে ইকসাসের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo কুবি বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে ২৮ শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান Logo পাবিপ্রবি প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও দায়িত্ব হস্তান্তর Logo কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo হাবিপ্রবিস্থ বৃহত্তর রাজশাহী ছাত্র কল্যাণ সমিতির ইফতার মাহফিল ও আহবায়ক কমিটি ঘোষণা Logo সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে Logo রোজায় ত্বকের যত্ন: ফুড ও লাইফস্টাইলেই লুকিয়ে স্কিন গ্লো Logo কেন্দ্রীয়ভাবে সকল শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতার আয়োজন করবে যবিপ্রবি

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বিশ্বরেকর্ড গড়ে অস্ট্রেলিয়ার জয়

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বিশ্বরেকর্ড গড়ে অস্ট্রেলিয়ার জয়

জস ইংলিশের অতি মানবীয় সেঞ্চুরির কাছে ম্লান হয়ে গেল বেন ডাকেটের রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরি। এতে করে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ইতিহাসে রেকর্ড রান তাড়া করে জয় তুলে নিয়েছে দুইবারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বেন ডাকেটের ১৬৫, জো রুটের ৬৮ ও শেষ দিকে আর্চারের ১০ বলে ২১ রানের ছোট ক্যামিওতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩৫১ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। যা চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ইতিহাসে সর্বোচ্চ দলীয় ইনিংস।

লক্ষ্য বড় হলেও অজি অধিনায়ক স্মিথ ইংল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে যে ভুল করেনি তা প্রমাণ করে দিয়েছেন তার সতীর্থরা। জবাব দিতে নেমে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ইতিহাস গড়ে ইংল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় জয় চেজ করে।

এর আগে ২০১৭ সালে ভারতের দেওয়া ৩২২ রানের জবাব দিতে নেমে জয় তুলে নিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। এটি এখন দুই মেনে এসেছে, আর তৃতীয়তে রয়েছে বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ড ম্যাচ। একই আসরে ৩০৬ রানের জবাবে ৮ উইকেটের জয় পেয়েছিল ইংল্যান্ড। তবে অস্ট্রেলিয়ার এই জয় সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়াকে পাহাড় সমান ৩৫২ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল ইংল্যান্ড। জবাব দিতে নেমে ১৫ বল এবং ৫ উইকেট হাতে থাকতেই জয় তুলে নিয়েছে অজিরা।

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। ৫ বলে ৬ রান করে শুরুতেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার ট্রাভিস হেড। ৬ বলে ৫ রান করে তাকে সঙ্গ দেন অভিজ্ঞ স্মিথ। তবে মানার্স লাবুশেনকে সঙ্গে নিয়ে রান তুলতে থাকেন ম্যাথিউ শর্ট।৪৭ বলে ফিফটি তুলে নেন এই অজি ওপেনার। তবে তিন রানের জন্য ফিফটি তুলতে পারেননি লাবুশেন। ৪৫ বলে ৪৭ রান করে আউট হন এই ডান হাতি ব্যাটার। এরপর ৬৬ বলে ৬৩ রান করে ক্যাচ আউট হন শর্ট।

এরপর দলের হাল ধরেন অ্যালেক্স ক্যারি ও জস ইংলিশ। দুজনের ব্যাটে ভর করে জয়ের পথে ছুটতে থাকে অস্ট্রেলিয়া। ৬৩ বলে ৬৯ রান করে ক্যারি আউট হলেও ৭৭ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন ইংলিশ। শেষ দিকে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।তার ১৫ বলে ৩২ রান এবং ইংলিশের ৮৬ বলের অপরাজিত ১২০ রানে ভর করে ১৫ বল এবং ৫ উইকেট হাতে থাকতেই জয় তুলে নেয় অস্ট্রেলিয়া। এতে জয় দিয়ে আসর শুরু করেছে তারা।ইংল্যান্ডের হয়ে মার্ক উড, জোফরা আর্চার, ব্রাইডন কার্সি, আদিল রশিদ ও লাইম লিভিংস্টোন একটি করে উইকেট শিকার করেন।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি ইংল্যান্ড। ৬ বলে ১০ রান করে ফেরেন ওপেনার ফিল সল্ট। তিনে ব্যাট করতে নামা স্মিথ করেন ১৩ বলে ১৫ রান। তবে জো রুটকে সঙ্গে নিয়ে রান তুলতে থাকেন বেন ডাকেট।দুজনের ব্যাটে ভর করে ২০ রানের কোটা পার করে ইংল্যান্ড। ৪৯ বলে ডাকেট এবং ৫৬ বলে ফিফটি তুলে নেন রুট। তবে বেশি দূর যেতে পারেনি রুট। ৭৮ বলে ৬৮ রান করে লেগ বিফোরে কাটা পড়েন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। কিন্তু অপর প্রান্ত আগলে রেখে ৯৫ বলে ফিফটি তুলে নেন ডাকেট।

এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি হ্যারি ব্রুক ও জস বাটলার। ৬ বলে ৩ রান করেন ব্রুক এবং ২১ বলে ২৩ রান করে বাউন্ডারি লাইনে কাটা পড়েন ইংলিশ অধিনায়ক। তবে ব্যাট চালিয়ে ১৩৪ বলে ব্যক্তিগত ১৫০ রান তুলে নেন ডাকেন। শেষ দিকে তাকে সঙ্গ দিয়ে ব্যাট চালাতে থাকেন লাইম লিভিংস্টোন।

১৭ বলে ১৪ রান করে লিভিংস্টোন আউট হলে নিজেকে ধরে রাখতে পারেন ডাকেটও। ৪৭তম ওভারের দ্বিতীয় বলে এই ইংলিশ ওপেনারকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন লাবুশেন। ১৪৩ বলে ১৬৫ রান করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত আর্চারের ১০ বলের অপরাজিত ২১ রানে ভরে করে ৩৫১ রানের বড় পুঁজি পেয়েছিল ইংল্যান্ড।

জনপ্রিয়

বাকৃবি ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১০দিন ব্যাপি কুরআন শিক্ষা কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠিত

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বিশ্বরেকর্ড গড়ে অস্ট্রেলিয়ার জয়

প্রকাশিত ১১:৫৪:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

জস ইংলিশের অতি মানবীয় সেঞ্চুরির কাছে ম্লান হয়ে গেল বেন ডাকেটের রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরি। এতে করে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ইতিহাসে রেকর্ড রান তাড়া করে জয় তুলে নিয়েছে দুইবারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বেন ডাকেটের ১৬৫, জো রুটের ৬৮ ও শেষ দিকে আর্চারের ১০ বলে ২১ রানের ছোট ক্যামিওতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩৫১ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। যা চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ইতিহাসে সর্বোচ্চ দলীয় ইনিংস।

লক্ষ্য বড় হলেও অজি অধিনায়ক স্মিথ ইংল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে যে ভুল করেনি তা প্রমাণ করে দিয়েছেন তার সতীর্থরা। জবাব দিতে নেমে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ইতিহাস গড়ে ইংল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় জয় চেজ করে।

এর আগে ২০১৭ সালে ভারতের দেওয়া ৩২২ রানের জবাব দিতে নেমে জয় তুলে নিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। এটি এখন দুই মেনে এসেছে, আর তৃতীয়তে রয়েছে বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ড ম্যাচ। একই আসরে ৩০৬ রানের জবাবে ৮ উইকেটের জয় পেয়েছিল ইংল্যান্ড। তবে অস্ট্রেলিয়ার এই জয় সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়াকে পাহাড় সমান ৩৫২ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল ইংল্যান্ড। জবাব দিতে নেমে ১৫ বল এবং ৫ উইকেট হাতে থাকতেই জয় তুলে নিয়েছে অজিরা।

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। ৫ বলে ৬ রান করে শুরুতেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার ট্রাভিস হেড। ৬ বলে ৫ রান করে তাকে সঙ্গ দেন অভিজ্ঞ স্মিথ। তবে মানার্স লাবুশেনকে সঙ্গে নিয়ে রান তুলতে থাকেন ম্যাথিউ শর্ট।৪৭ বলে ফিফটি তুলে নেন এই অজি ওপেনার। তবে তিন রানের জন্য ফিফটি তুলতে পারেননি লাবুশেন। ৪৫ বলে ৪৭ রান করে আউট হন এই ডান হাতি ব্যাটার। এরপর ৬৬ বলে ৬৩ রান করে ক্যাচ আউট হন শর্ট।

এরপর দলের হাল ধরেন অ্যালেক্স ক্যারি ও জস ইংলিশ। দুজনের ব্যাটে ভর করে জয়ের পথে ছুটতে থাকে অস্ট্রেলিয়া। ৬৩ বলে ৬৯ রান করে ক্যারি আউট হলেও ৭৭ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন ইংলিশ। শেষ দিকে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।তার ১৫ বলে ৩২ রান এবং ইংলিশের ৮৬ বলের অপরাজিত ১২০ রানে ভর করে ১৫ বল এবং ৫ উইকেট হাতে থাকতেই জয় তুলে নেয় অস্ট্রেলিয়া। এতে জয় দিয়ে আসর শুরু করেছে তারা।ইংল্যান্ডের হয়ে মার্ক উড, জোফরা আর্চার, ব্রাইডন কার্সি, আদিল রশিদ ও লাইম লিভিংস্টোন একটি করে উইকেট শিকার করেন।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি ইংল্যান্ড। ৬ বলে ১০ রান করে ফেরেন ওপেনার ফিল সল্ট। তিনে ব্যাট করতে নামা স্মিথ করেন ১৩ বলে ১৫ রান। তবে জো রুটকে সঙ্গে নিয়ে রান তুলতে থাকেন বেন ডাকেট।দুজনের ব্যাটে ভর করে ২০ রানের কোটা পার করে ইংল্যান্ড। ৪৯ বলে ডাকেট এবং ৫৬ বলে ফিফটি তুলে নেন রুট। তবে বেশি দূর যেতে পারেনি রুট। ৭৮ বলে ৬৮ রান করে লেগ বিফোরে কাটা পড়েন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। কিন্তু অপর প্রান্ত আগলে রেখে ৯৫ বলে ফিফটি তুলে নেন ডাকেট।

এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি হ্যারি ব্রুক ও জস বাটলার। ৬ বলে ৩ রান করেন ব্রুক এবং ২১ বলে ২৩ রান করে বাউন্ডারি লাইনে কাটা পড়েন ইংলিশ অধিনায়ক। তবে ব্যাট চালিয়ে ১৩৪ বলে ব্যক্তিগত ১৫০ রান তুলে নেন ডাকেন। শেষ দিকে তাকে সঙ্গ দিয়ে ব্যাট চালাতে থাকেন লাইম লিভিংস্টোন।

১৭ বলে ১৪ রান করে লিভিংস্টোন আউট হলে নিজেকে ধরে রাখতে পারেন ডাকেটও। ৪৭তম ওভারের দ্বিতীয় বলে এই ইংলিশ ওপেনারকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন লাবুশেন। ১৪৩ বলে ১৬৫ রান করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত আর্চারের ১০ বলের অপরাজিত ২১ রানে ভরে করে ৩৫১ রানের বড় পুঁজি পেয়েছিল ইংল্যান্ড।