ঢাকা ১১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে Logo রোজায় ত্বকের যত্ন: ফুড ও লাইফস্টাইলেই লুকিয়ে স্কিন গ্লো Logo কেন্দ্রীয়ভাবে সকল শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতার আয়োজন করবে যবিপ্রবি Logo জাবিতে গাইবান্ধা জেলা সমিতির ইফতার মাহফিল, নবীন-প্রবীণদের মিলনমেলা Logo কুবিতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে গণ-ইফতার  Logo কুবির আর্ট অ্যান্ড হেরিটেজ সোসাইটির নেতৃত্বে মুজাহিদ–লাবিব Logo বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘ইনক্লুসিভ জাহাঙ্গীরনগর’র ইফতার মাহফিল Logo হাবিপ্রবিতে জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা পরিষদের দোয়া ও ইফতার মাহফিল Logo কঠোর সমালোচনা’ না করে সরকারকে সময় দেওয়া উচিত: ডিএসসিসি প্রশাসক

খুবির ৩ নাম্বার একাডেমিক ভবনে খাবারে মানহীনতা ও অতিরিক্ত দামের অভিযোগ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নাম্বার বিল্ডিং এর ক্যান্টিনে খাবারের মান ও মূল্য নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন এই ক্যান্টিনে শতাধিক শিক্ষার্থী খাবার খেলেও, খাবারের স্বাদ, পরিমাণ ও দামের ভারসাম্য নিয়ে অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

খাবারের দাম ও মান সম্পর্কে ক্যান্টিন পরিচালনাকারী রোকন চাচার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৩ নম্বরে থাকা ডিন স্যারদের অনুমতি নিয়েই খাবারের দাম এবং মান নির্ধারণ করা হয়।

তবে বিষয়টি যাচাই করতে ভবনের কলা ও মানবিক স্কুল এর ডিন অধ্যাপক ড. শাহজাহান কবির স্যারের সঙ্গে দেখা করলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে রোকন চাচাকে ডেকে পাঠান এবং তার কাছে বিষয়টির ব্যাখ্যা চান। স্যারের প্রশ্নের জবাবে রোকন চাচা স্বীকার করেন যে, খাবারের দামে ও মানে অনিয়ম হয়েছে এবং তিনি ভুল করেছেন বলেও ক্ষমা চান।

পরবর্তীতে ডিন ড. শাহজাহান কবির স্পষ্ট করে বলেন, আমরা ক্যান্টিনের খাবারের দাম বা মান নির্ধারণ করি না।

তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ আমলে নিয়ে খুব শিগগিরই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলেও জানান তিনি।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, প্রতিদিন ক্লাস ও ল্যাবের ব্যস্ততার মাঝে এই ক্যান্টিনই তাদের প্রধান ভরসা। কিন্তু এখানকার খাবার অস্বাস্থ্যকর হওয়ায় প্রতিদিন ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

৩ নাম্বারে অধ্যায়নরত মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ডিসিপ্লিনের রুহিন রুমি বলেন বাইরে দোকানের তুলনায় ৩ নাম্বারের ক্যান্টিনে খাবারের দাম বেশি যা একদম স্টুডেন্ট ফ্রেন্ডলি না। খাবারের দাম স্টুডেন্ট ফ্রেন্ডলি হওয়া উচিত।

একই বিল্ডিংয়ে অধ্যায়নরত গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের অর্পিতা বলেন আমি একদিন ক্যান্টিন থেকে নুডুলস কিনেছিলাম। তবে সেই নুডুলস ছিল খাওয়ার অযোগ্য। কিছু টা বাসি ছিল নুডুলস। খেতে না পেরে পরবর্তীতে ফেলে দিতে বাধ্য হয়েছি।

শিক্ষার্থীরা এই সমস্যার দ্রুত সমাধান চান। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আশ্বাসে কিছুটা আশ্বস্ত শিক্ষার্থীরা এখন দ্রুত পরিবর্তনের অপেক্ষায়।

জনপ্রিয়

সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে

খুবির ৩ নাম্বার একাডেমিক ভবনে খাবারে মানহীনতা ও অতিরিক্ত দামের অভিযোগ

প্রকাশিত ১১:৪২:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নাম্বার বিল্ডিং এর ক্যান্টিনে খাবারের মান ও মূল্য নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন এই ক্যান্টিনে শতাধিক শিক্ষার্থী খাবার খেলেও, খাবারের স্বাদ, পরিমাণ ও দামের ভারসাম্য নিয়ে অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

খাবারের দাম ও মান সম্পর্কে ক্যান্টিন পরিচালনাকারী রোকন চাচার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৩ নম্বরে থাকা ডিন স্যারদের অনুমতি নিয়েই খাবারের দাম এবং মান নির্ধারণ করা হয়।

তবে বিষয়টি যাচাই করতে ভবনের কলা ও মানবিক স্কুল এর ডিন অধ্যাপক ড. শাহজাহান কবির স্যারের সঙ্গে দেখা করলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে রোকন চাচাকে ডেকে পাঠান এবং তার কাছে বিষয়টির ব্যাখ্যা চান। স্যারের প্রশ্নের জবাবে রোকন চাচা স্বীকার করেন যে, খাবারের দামে ও মানে অনিয়ম হয়েছে এবং তিনি ভুল করেছেন বলেও ক্ষমা চান।

পরবর্তীতে ডিন ড. শাহজাহান কবির স্পষ্ট করে বলেন, আমরা ক্যান্টিনের খাবারের দাম বা মান নির্ধারণ করি না।

তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ আমলে নিয়ে খুব শিগগিরই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলেও জানান তিনি।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, প্রতিদিন ক্লাস ও ল্যাবের ব্যস্ততার মাঝে এই ক্যান্টিনই তাদের প্রধান ভরসা। কিন্তু এখানকার খাবার অস্বাস্থ্যকর হওয়ায় প্রতিদিন ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

৩ নাম্বারে অধ্যায়নরত মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ডিসিপ্লিনের রুহিন রুমি বলেন বাইরে দোকানের তুলনায় ৩ নাম্বারের ক্যান্টিনে খাবারের দাম বেশি যা একদম স্টুডেন্ট ফ্রেন্ডলি না। খাবারের দাম স্টুডেন্ট ফ্রেন্ডলি হওয়া উচিত।

একই বিল্ডিংয়ে অধ্যায়নরত গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের অর্পিতা বলেন আমি একদিন ক্যান্টিন থেকে নুডুলস কিনেছিলাম। তবে সেই নুডুলস ছিল খাওয়ার অযোগ্য। কিছু টা বাসি ছিল নুডুলস। খেতে না পেরে পরবর্তীতে ফেলে দিতে বাধ্য হয়েছি।

শিক্ষার্থীরা এই সমস্যার দ্রুত সমাধান চান। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আশ্বাসে কিছুটা আশ্বস্ত শিক্ষার্থীরা এখন দ্রুত পরিবর্তনের অপেক্ষায়।