ঢাকা ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo প্রযুক্তিভিত্তিক সেবায় ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও নগরজীবনের নতুন সম্ভাবনা গড়ছে বি-ট্র্যাক সলিউশন্স Logo বিশ্বকাপ উপলক্ষে ৭০ লাখ কনডম বিনামূল্যে বিতরণ করবে মেক্সিকো Logo ব্রাজিলকে ৭ গোল দিয়েছে যে সব দেশ Logo সিমাগো ইনস্টিটিউশন র‍্যাংকিংয়ে দেশে গণিতে তৃতীয় পাবিপ্রবি Logo যেভাবে মোবাইলে দেখবেন বিশ্বকাপের খেলা Logo ফিফার জাদুঘরে জায়গা পেল বাংলাদেশ ফুটবল দলের জার্সি Logo আর্জেন্টিনা সমর্থককে পেটানোর অভিযোগ ব্রাজিল সমর্থকের বিরুদ্ধে Logo রাতে পরকীয়া প্রেমিকার বাড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় আটক বিএনপি নেতা Logo বিশ্ব দুগ্ধ দিবসে বাকৃবিতে চিত্রাঙ্কন ও ডেইরি রেসিপি প্রতিযোগিতা Logo নারীদের নগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণই আলিফের নেশা, বাদ যায়নি নিজের স্ত্রী

২২ বছর পর ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশিত ১২:১৫:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৭৮ বার পঠিত

২২ বছর পর ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

২২ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান অবশেষে ঘটল। সবশেষ ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে গোল্ডেন গোলে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। সেই স্মৃতি ধূসর হওয়ার পর দুই দশক পর আবারও ভারতের বিপক্ষে জয়ের স্বাদ পেল লাল-সবুজরা।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। দলের হয়ে একমাত্র ও জয়সূচক গোলটি করেন তরুণ ফুটবলার শেখ মোরসালিন। যদিও গোল না পেলেও পুরো ম্যাচজুড়ে অনবদ্য পারফরম্যান্সে নজর কেড়েছেন ব্রিটিশ-বংশোদ্ভূত বাংলাদেশি তারকা হামজা দেওয়ান চৌধুরী।

ম্যাচের ১১তম মিনিটেই দুর্দান্ত এক পাল্টা আক্রমণে লিড নেয় বাংলাদেশ। বাঁ দিক থেকে রাকিব হোসেনের নিখুঁত পাস থেকে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল জালে পাঠান মোরসালিন। ম্যাচের বাকি সময় জুড়ে আর কোনো গোল না হলেও এই গোলই নির্ধারণ করে বিজয়ীর ভাগ্য।

ম্যাচজুড়ে ভারত বারবার আক্রমণে উঠলেও বাংলাদেশকে রক্ষা করেন মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী। বিশেষ করে ৩১তম মিনিটে গোলরক্ষক মিতুল মারমার ভুলের সুযোগে নেওয়া লালিয়ানজুয়ালার শটটি গোললাইন থেকে মাথা দিয়ে ক্লিয়ার করে দেন তিনি।

এছাড়া প্রথমার্ধের শেষ দিকে হামজার নেওয়া একটি দুর্দান্ত শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৩৪তম মিনিটে তপু বর্মণ ও ভারতের বিক্রমের সংঘর্ষের পর মাঠে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রেফারি দুজনকেই হলুদ কার্ড দেখিয়ে পরিস্থিতি সামলে নেন।

দ্বিতীয়ার্ধে ভারত প্রবল আক্রমণ চালালেও বাংলাদেশ রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলে লিড ধরে রাখে। শেষ মুহূর্তে ভারতের একের পর এক আক্রমণও রুখে দিয়ে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মতিউর রহমান মুন্নার গোল্ডেন গোলে ভারতকে হারানোর পর দীর্ঘ ২২ বছর ভারতের বিপক্ষে জয় পায়নি বাংলাদেশ। এর মাঝে ১০ ম্যাচে ৬টি ড্র ও ৪টি হারের হতাশা ছিল। অবশেষে মোরসালিন-হামজাদের নৈপুণ্যে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে এল কাঙ্ক্ষিত জয়।

বাংলাদেশের এই জয় দেশজুড়ে এনে দিয়েছে নতুন উচ্ছ্বাস ও আশাবাদ।

জনপ্রিয়

প্রযুক্তিভিত্তিক সেবায় ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও নগরজীবনের নতুন সম্ভাবনা গড়ছে বি-ট্র্যাক সলিউশন্স

২২ বছর পর ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

প্রকাশিত ১২:১৫:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

২২ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান অবশেষে ঘটল। সবশেষ ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে গোল্ডেন গোলে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। সেই স্মৃতি ধূসর হওয়ার পর দুই দশক পর আবারও ভারতের বিপক্ষে জয়ের স্বাদ পেল লাল-সবুজরা।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। দলের হয়ে একমাত্র ও জয়সূচক গোলটি করেন তরুণ ফুটবলার শেখ মোরসালিন। যদিও গোল না পেলেও পুরো ম্যাচজুড়ে অনবদ্য পারফরম্যান্সে নজর কেড়েছেন ব্রিটিশ-বংশোদ্ভূত বাংলাদেশি তারকা হামজা দেওয়ান চৌধুরী।

ম্যাচের ১১তম মিনিটেই দুর্দান্ত এক পাল্টা আক্রমণে লিড নেয় বাংলাদেশ। বাঁ দিক থেকে রাকিব হোসেনের নিখুঁত পাস থেকে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল জালে পাঠান মোরসালিন। ম্যাচের বাকি সময় জুড়ে আর কোনো গোল না হলেও এই গোলই নির্ধারণ করে বিজয়ীর ভাগ্য।

ম্যাচজুড়ে ভারত বারবার আক্রমণে উঠলেও বাংলাদেশকে রক্ষা করেন মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী। বিশেষ করে ৩১তম মিনিটে গোলরক্ষক মিতুল মারমার ভুলের সুযোগে নেওয়া লালিয়ানজুয়ালার শটটি গোললাইন থেকে মাথা দিয়ে ক্লিয়ার করে দেন তিনি।

এছাড়া প্রথমার্ধের শেষ দিকে হামজার নেওয়া একটি দুর্দান্ত শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৩৪তম মিনিটে তপু বর্মণ ও ভারতের বিক্রমের সংঘর্ষের পর মাঠে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রেফারি দুজনকেই হলুদ কার্ড দেখিয়ে পরিস্থিতি সামলে নেন।

দ্বিতীয়ার্ধে ভারত প্রবল আক্রমণ চালালেও বাংলাদেশ রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলে লিড ধরে রাখে। শেষ মুহূর্তে ভারতের একের পর এক আক্রমণও রুখে দিয়ে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মতিউর রহমান মুন্নার গোল্ডেন গোলে ভারতকে হারানোর পর দীর্ঘ ২২ বছর ভারতের বিপক্ষে জয় পায়নি বাংলাদেশ। এর মাঝে ১০ ম্যাচে ৬টি ড্র ও ৪টি হারের হতাশা ছিল। অবশেষে মোরসালিন-হামজাদের নৈপুণ্যে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে এল কাঙ্ক্ষিত জয়।

বাংলাদেশের এই জয় দেশজুড়ে এনে দিয়েছে নতুন উচ্ছ্বাস ও আশাবাদ।