ঢাকা ১১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে Logo রোজায় ত্বকের যত্ন: ফুড ও লাইফস্টাইলেই লুকিয়ে স্কিন গ্লো Logo কেন্দ্রীয়ভাবে সকল শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতার আয়োজন করবে যবিপ্রবি Logo জাবিতে গাইবান্ধা জেলা সমিতির ইফতার মাহফিল, নবীন-প্রবীণদের মিলনমেলা Logo কুবিতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে গণ-ইফতার  Logo কুবির আর্ট অ্যান্ড হেরিটেজ সোসাইটির নেতৃত্বে মুজাহিদ–লাবিব Logo বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘ইনক্লুসিভ জাহাঙ্গীরনগর’র ইফতার মাহফিল Logo হাবিপ্রবিতে জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা পরিষদের দোয়া ও ইফতার মাহফিল Logo কঠোর সমালোচনা’ না করে সরকারকে সময় দেওয়া উচিত: ডিএসসিসি প্রশাসক

২২ বছর পর ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশিত ১২:১৫:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ১১০ বার পঠিত

২২ বছর পর ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

২২ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান অবশেষে ঘটল। সবশেষ ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে গোল্ডেন গোলে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। সেই স্মৃতি ধূসর হওয়ার পর দুই দশক পর আবারও ভারতের বিপক্ষে জয়ের স্বাদ পেল লাল-সবুজরা।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। দলের হয়ে একমাত্র ও জয়সূচক গোলটি করেন তরুণ ফুটবলার শেখ মোরসালিন। যদিও গোল না পেলেও পুরো ম্যাচজুড়ে অনবদ্য পারফরম্যান্সে নজর কেড়েছেন ব্রিটিশ-বংশোদ্ভূত বাংলাদেশি তারকা হামজা দেওয়ান চৌধুরী।

ম্যাচের ১১তম মিনিটেই দুর্দান্ত এক পাল্টা আক্রমণে লিড নেয় বাংলাদেশ। বাঁ দিক থেকে রাকিব হোসেনের নিখুঁত পাস থেকে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল জালে পাঠান মোরসালিন। ম্যাচের বাকি সময় জুড়ে আর কোনো গোল না হলেও এই গোলই নির্ধারণ করে বিজয়ীর ভাগ্য।

ম্যাচজুড়ে ভারত বারবার আক্রমণে উঠলেও বাংলাদেশকে রক্ষা করেন মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী। বিশেষ করে ৩১তম মিনিটে গোলরক্ষক মিতুল মারমার ভুলের সুযোগে নেওয়া লালিয়ানজুয়ালার শটটি গোললাইন থেকে মাথা দিয়ে ক্লিয়ার করে দেন তিনি।

এছাড়া প্রথমার্ধের শেষ দিকে হামজার নেওয়া একটি দুর্দান্ত শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৩৪তম মিনিটে তপু বর্মণ ও ভারতের বিক্রমের সংঘর্ষের পর মাঠে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রেফারি দুজনকেই হলুদ কার্ড দেখিয়ে পরিস্থিতি সামলে নেন।

দ্বিতীয়ার্ধে ভারত প্রবল আক্রমণ চালালেও বাংলাদেশ রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলে লিড ধরে রাখে। শেষ মুহূর্তে ভারতের একের পর এক আক্রমণও রুখে দিয়ে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মতিউর রহমান মুন্নার গোল্ডেন গোলে ভারতকে হারানোর পর দীর্ঘ ২২ বছর ভারতের বিপক্ষে জয় পায়নি বাংলাদেশ। এর মাঝে ১০ ম্যাচে ৬টি ড্র ও ৪টি হারের হতাশা ছিল। অবশেষে মোরসালিন-হামজাদের নৈপুণ্যে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে এল কাঙ্ক্ষিত জয়।

বাংলাদেশের এই জয় দেশজুড়ে এনে দিয়েছে নতুন উচ্ছ্বাস ও আশাবাদ।

জনপ্রিয়

সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে

২২ বছর পর ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

প্রকাশিত ১২:১৫:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

২২ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান অবশেষে ঘটল। সবশেষ ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে গোল্ডেন গোলে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। সেই স্মৃতি ধূসর হওয়ার পর দুই দশক পর আবারও ভারতের বিপক্ষে জয়ের স্বাদ পেল লাল-সবুজরা।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। দলের হয়ে একমাত্র ও জয়সূচক গোলটি করেন তরুণ ফুটবলার শেখ মোরসালিন। যদিও গোল না পেলেও পুরো ম্যাচজুড়ে অনবদ্য পারফরম্যান্সে নজর কেড়েছেন ব্রিটিশ-বংশোদ্ভূত বাংলাদেশি তারকা হামজা দেওয়ান চৌধুরী।

ম্যাচের ১১তম মিনিটেই দুর্দান্ত এক পাল্টা আক্রমণে লিড নেয় বাংলাদেশ। বাঁ দিক থেকে রাকিব হোসেনের নিখুঁত পাস থেকে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল জালে পাঠান মোরসালিন। ম্যাচের বাকি সময় জুড়ে আর কোনো গোল না হলেও এই গোলই নির্ধারণ করে বিজয়ীর ভাগ্য।

ম্যাচজুড়ে ভারত বারবার আক্রমণে উঠলেও বাংলাদেশকে রক্ষা করেন মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী। বিশেষ করে ৩১তম মিনিটে গোলরক্ষক মিতুল মারমার ভুলের সুযোগে নেওয়া লালিয়ানজুয়ালার শটটি গোললাইন থেকে মাথা দিয়ে ক্লিয়ার করে দেন তিনি।

এছাড়া প্রথমার্ধের শেষ দিকে হামজার নেওয়া একটি দুর্দান্ত শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৩৪তম মিনিটে তপু বর্মণ ও ভারতের বিক্রমের সংঘর্ষের পর মাঠে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রেফারি দুজনকেই হলুদ কার্ড দেখিয়ে পরিস্থিতি সামলে নেন।

দ্বিতীয়ার্ধে ভারত প্রবল আক্রমণ চালালেও বাংলাদেশ রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলে লিড ধরে রাখে। শেষ মুহূর্তে ভারতের একের পর এক আক্রমণও রুখে দিয়ে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মতিউর রহমান মুন্নার গোল্ডেন গোলে ভারতকে হারানোর পর দীর্ঘ ২২ বছর ভারতের বিপক্ষে জয় পায়নি বাংলাদেশ। এর মাঝে ১০ ম্যাচে ৬টি ড্র ও ৪টি হারের হতাশা ছিল। অবশেষে মোরসালিন-হামজাদের নৈপুণ্যে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে এল কাঙ্ক্ষিত জয়।

বাংলাদেশের এই জয় দেশজুড়ে এনে দিয়েছে নতুন উচ্ছ্বাস ও আশাবাদ।