ঢাকা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo গেমিং প্রযুক্তিতে ২০ বছরের যাত্রা উদ্‌যাপন করলো আসুস রিপাবলিক অফ গেমার্স (আরওজি) Logo মানবতার পথে, সেবার প্রত্যয়ে: বড় ঘাগুটিয়ায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত Logo বিভিন্ন খাতের সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের সাইবার সক্ষমতা জোরদার করবে ফিনিক্স সামিট ২০২৬ Logo বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার Logo আশুলিয়ায় ইউসিবির ২৩৬তম শাখার উদ্বোধন Logo জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি বাংলাদেশের খলিলুর রহমান Logo মির্জাগঞ্জে ৫ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে হামলা, জমি দখলকারী মেম্বার সরোয়ারের বিরুদ্ধে অভিযোগ Logo প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়ায় Logo উদ্বোধনের আগেই ফাটল ধরেছে রাবির ১০ তলা হলে; আতংকে শিক্ষার্থীরা  Logo মারা গেছেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ 

হামে শিশুমৃত্যু: দায়ীদের শাস্তি ও জরুরি জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি ঘোষণার দাবি ডিপিপিএইচের

দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুমৃত্যুর জন্য দায়ীদের শাস্তির আওতায় আনা এবং একে ‘জরুরি জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি’ হিসেবে ঘোষণার দাবি জানিয়েছে চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস প্ল্যাটফর্ম ফর পিপলস হেলথ (ডিপিপিএইচ)।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘হামে শিশুমৃত্যু: জরুরি জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতিতে করণীয়’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি এ দাবি জানায়।

সংবাদ সম্মেলনে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও ডিপিপিএইচের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ডা. মুশতাক হোসেন জানান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী গত ১৫ মার্চ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র এক মাসে হাম ও হাম সদৃশ উপসর্গে ২০৬ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৩৪ জনের মৃত্যু ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া গেছে এবং বাকিদের শরীরে হামের স্পষ্ট লক্ষণ ছিল।
বর্তমানে সারাদেশে ২০ হাজারেরও বেশি শিশু এই রোগে আক্রান্ত এবং ৩ হাজারের বেশি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

মুশতাক হোসেন বলেন, এই মৃত্যুগুলো প্রতিরোধযোগ্য ছিল। সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ নিলে শিশুদের প্রাণ বাঁচানো যেত। আমরা মনে করি, অন্তর্বর্তী সরকারের টিকা সংগ্রহে গাফিলতি ও আমলাতান্ত্রিক বিলম্ব সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিকে (ইপিআই) দুর্বল করে দিয়েছে। এই অবহেলার জন্য দায়ীদের অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।

দেশে হামের মহামারি চলছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার স্বীকার করুক বা না করুক, দেশে বর্তমানে হামের মহামারি চলছে। জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি বা রাজনৈতিক পরিণতির ভয়ে হয়তো সরকার এটিকে জরুরি জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি হিসেবে ঘোষণা করতে দ্বিধা করছে।
তবে সরকার ইতোমধ্যে গণটিকা কর্মসূচি শুরু করায় আগামী দেড় মাসের মধ্যে সংক্রমণ এবং আড়াই মাসের মধ্যে মৃত্যুহার কমে আসতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সংগঠনটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মাহবুব-ই-রশিদ বলেন, বাংলাদেশ এক সময় সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণে সফল দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মহলের দায়িত্বহীনতায় আজ হামের মতো রোগ নিয়ন্ত্রণে দেশ পিছিয়ে পড়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

গেমিং প্রযুক্তিতে ২০ বছরের যাত্রা উদ্‌যাপন করলো আসুস রিপাবলিক অফ গেমার্স (আরওজি)

হামে শিশুমৃত্যু: দায়ীদের শাস্তি ও জরুরি জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি ঘোষণার দাবি ডিপিপিএইচের

প্রকাশিত ০৯:০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুমৃত্যুর জন্য দায়ীদের শাস্তির আওতায় আনা এবং একে ‘জরুরি জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি’ হিসেবে ঘোষণার দাবি জানিয়েছে চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস প্ল্যাটফর্ম ফর পিপলস হেলথ (ডিপিপিএইচ)।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘হামে শিশুমৃত্যু: জরুরি জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতিতে করণীয়’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি এ দাবি জানায়।

সংবাদ সম্মেলনে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও ডিপিপিএইচের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ডা. মুশতাক হোসেন জানান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী গত ১৫ মার্চ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র এক মাসে হাম ও হাম সদৃশ উপসর্গে ২০৬ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৩৪ জনের মৃত্যু ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া গেছে এবং বাকিদের শরীরে হামের স্পষ্ট লক্ষণ ছিল।
বর্তমানে সারাদেশে ২০ হাজারেরও বেশি শিশু এই রোগে আক্রান্ত এবং ৩ হাজারের বেশি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

মুশতাক হোসেন বলেন, এই মৃত্যুগুলো প্রতিরোধযোগ্য ছিল। সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ নিলে শিশুদের প্রাণ বাঁচানো যেত। আমরা মনে করি, অন্তর্বর্তী সরকারের টিকা সংগ্রহে গাফিলতি ও আমলাতান্ত্রিক বিলম্ব সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিকে (ইপিআই) দুর্বল করে দিয়েছে। এই অবহেলার জন্য দায়ীদের অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।

দেশে হামের মহামারি চলছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার স্বীকার করুক বা না করুক, দেশে বর্তমানে হামের মহামারি চলছে। জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি বা রাজনৈতিক পরিণতির ভয়ে হয়তো সরকার এটিকে জরুরি জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি হিসেবে ঘোষণা করতে দ্বিধা করছে।
তবে সরকার ইতোমধ্যে গণটিকা কর্মসূচি শুরু করায় আগামী দেড় মাসের মধ্যে সংক্রমণ এবং আড়াই মাসের মধ্যে মৃত্যুহার কমে আসতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সংগঠনটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মাহবুব-ই-রশিদ বলেন, বাংলাদেশ এক সময় সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণে সফল দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মহলের দায়িত্বহীনতায় আজ হামের মতো রোগ নিয়ন্ত্রণে দেশ পিছিয়ে পড়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।