ঢাকা ০১:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বিরতির পর পর্দায় ফিরলেন অনন্যা অনু Logo সংসদ গ্যালারিতে বসে বাজেট অধিবেশন প্রত্যক্ষ করলো গোপালগঞ্জের সন্তান রাবি শিক্ষার্থী তানভীর Logo ট্রাম্পকে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ২ হাজার মানুষ শহীদ হয়েছেন: প্রধানমন্ত্রী Logo দুর্নীতি করলে বদলি নয়, চাকরি যাবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo ভূমিকম্পে পরিবার হারানো শিশুর স্বপ্ন পূরণ করলেন রোনালদো Logo কেপ ভার্দেকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা, এবার প্রতিপক্ষ মিশর Logo মেসির প্রশংসায় ভাসলেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিয়া, উপহার পেলেন জার্সি Logo বাভাসি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের প্রধান বিচারক মোশাররফ করিম Logo সমালোচনার মুখে কবি নজরুল কলেজ রোভার স্কাউটে পুনরায় অন্তর্ভুক্ত ছাত্রদল কর্মী মমিন

ট্রাম্পকে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতান্ত্রিক ও উন্নয়ন যাত্রায় এক মূল্যবান বন্ধু এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে পাশে রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মার্কিন জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার (৪ জুলাই) পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি এ অভিনন্দন জানান।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে পাঠানো চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার, এদেশের জনগণ এবং আমি ব্যক্তিগতভাবে যুক্তরাষ্ট্রের এ ঐতিহাসিক মাইলফলকে আপনাকে ও আপনার দেশের জনগণকে উষ্ণ অভিনন্দন জানাই। আমরা বিশ্বাস করি- আপনার বাস্তবমুখী ও প্রজ্ঞাবান নেতৃত্বে আগামী দশকগুলোতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আরও শ্রেষ্ঠত্বের পথে এগিয়ে যাবে।

তারেক রহমান উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র যখন এ গৌরবময় উপলক্ষটি উদযাপন করছে, তখন ‘আমেরিকা ২৫০’ সারা বিশ্বের মানুষকে মার্কিন স্বপ্ন, ত্যাগ, স্বাধীনতা, মূল্যবোধ, ঐতিহ্য ও বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবদান থেকে অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী এবং বহুমুখী সম্পর্কের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতান্ত্রিক ও উন্নয়ন যাত্রায় এক মূল্যবান বন্ধু এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে পাশে রয়েছে। গত পাঁচ দশকে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, প্রতিরক্ষা এবং জনগণের মধ্যকার নিবিড় যোগাযোগের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী অংশীদারিত্বে পরিণত হয়েছে।

চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, চলতি বছরের শুরু থেকে বাণিজ্য, জ্বালানি সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায় সূচিত হয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সমর্থন ও মহানুভবতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি এবং আমার সরকার অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে আমাদের অংশীদারিত্বকে আরও সুসংহত ও গভীর করতে আপনার এবং আপনার প্রশাসনের সাথে কাজ চালিয়ে যেতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সাফল্য কামনা করেন এবং বন্ধুপ্রতিম মার্কিন জনগণের জন্য টেকসই শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুখের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয়

বিরতির পর পর্দায় ফিরলেন অনন্যা অনু

ট্রাম্পকে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত ০৮:০৭:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতান্ত্রিক ও উন্নয়ন যাত্রায় এক মূল্যবান বন্ধু এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে পাশে রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মার্কিন জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার (৪ জুলাই) পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি এ অভিনন্দন জানান।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে পাঠানো চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার, এদেশের জনগণ এবং আমি ব্যক্তিগতভাবে যুক্তরাষ্ট্রের এ ঐতিহাসিক মাইলফলকে আপনাকে ও আপনার দেশের জনগণকে উষ্ণ অভিনন্দন জানাই। আমরা বিশ্বাস করি- আপনার বাস্তবমুখী ও প্রজ্ঞাবান নেতৃত্বে আগামী দশকগুলোতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আরও শ্রেষ্ঠত্বের পথে এগিয়ে যাবে।

তারেক রহমান উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র যখন এ গৌরবময় উপলক্ষটি উদযাপন করছে, তখন ‘আমেরিকা ২৫০’ সারা বিশ্বের মানুষকে মার্কিন স্বপ্ন, ত্যাগ, স্বাধীনতা, মূল্যবোধ, ঐতিহ্য ও বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবদান থেকে অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী এবং বহুমুখী সম্পর্কের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতান্ত্রিক ও উন্নয়ন যাত্রায় এক মূল্যবান বন্ধু এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে পাশে রয়েছে। গত পাঁচ দশকে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, প্রতিরক্ষা এবং জনগণের মধ্যকার নিবিড় যোগাযোগের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী অংশীদারিত্বে পরিণত হয়েছে।

চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, চলতি বছরের শুরু থেকে বাণিজ্য, জ্বালানি সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায় সূচিত হয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সমর্থন ও মহানুভবতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি এবং আমার সরকার অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে আমাদের অংশীদারিত্বকে আরও সুসংহত ও গভীর করতে আপনার এবং আপনার প্রশাসনের সাথে কাজ চালিয়ে যেতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সাফল্য কামনা করেন এবং বন্ধুপ্রতিম মার্কিন জনগণের জন্য টেকসই শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুখের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।