ঢাকা ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ৩২ বছর পূর্বে ছাত্রদলের হামলায় নিহত কামরুলের স্মরণে জাবিতে শিবিরের বৃক্ষরোপণ Logo নামফলকহীন জরাজীর্ণ ফটকেই চলছে কুবির বিজয়-২৪ হল Logo বাবার দোকানে একা পেয়ে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, ১৪ বছরের কিশোরকে পুলিশে সোপর্দ Logo কবি নজরুল কলেজে ৬ টি বাস দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৬ বছরেও কথা রাখেননি কাদির মোল্লা Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির Logo খুবি ছাত্রী হলের বাথরুমে গোপনে ৬ মাসে ৯০০ ভিডিও ধারণ করে টেলিগ্রাম গ্রুপে বিক্রি, ক্যান্টিন কর্মী আটক Logo তদন্ত চলাকালীন সিএমওকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম জাকসুর Logo ববিতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ শীর্ষক সেমিনার ও নেগেরি পাডাং বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে MoU স্বাক্ষরিত Logo ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তর করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বাংলাদেশ সরকার : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

৩২ বছর পূর্বে ছাত্রদলের হামলায় নিহত কামরুলের স্মরণে জাবিতে শিবিরের বৃক্ষরোপণ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ভর্তি পরীক্ষার সাক্ষাৎকার দিতে এসে তৎকালীন ছাত্রদলের হামলায় নিহত ছাত্রশিবিরের কর্মী ‘কামরুল ইসলামের’ স্মরণে স্মারক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, জাবি শাখা।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মওলানা ভাসানী হল প্রাঙ্গণে এ স্মারক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচি থেকে প্রয়াত কামরুল ইসলামের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

ছাত্রশিবির সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় শাখার এই উদ্যোগে মওলানা ভাসানী হলের চারপাশের বিভিন্ন ফাঁকা স্থানে কদবেল, সফেদা, আমড়া, আতা, লটকন, জলপাই, দেশি বেল ও হরবড়ইসহ বিভিন্ন প্রজাতির অর্ধশতাধিক ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে জাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মাজহারুল ইসলাম বলেন, “ইসলামে বৃক্ষরোপণকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে গণ্য করা হয়। একটি গাছ থেকে মানুষ বা অন্য যেকোনো প্রাণী উপকৃত হলে তার সওয়াব রোপণকারীর আমলনামায় যুক্ত হতে থাকে। সেই ধর্মীয় বিশ্বাস ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই আমাদের এই আয়োজন।”

তিনি আরও বলেন, “জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় আমাদের একমাত্র শহীদ কামরুল ইসলাম ভাইয়ের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ও তাঁর আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতেই আমাদের এই প্রয়াস। সামাজিক কল্যাণে আমাদের এ ধরনের ইতিবাচক কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

কর্মসূচিতে জাবি শাখা ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালের ১৬ আগস্ট পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি পরীক্ষার সাক্ষাৎকার দিতে এসে মওলানা ভাসানী হলে অবস্থান নেন কামরুল ইসলাম। সে সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হামলায় তিনি নিহত হন। সংগঠনটি কামরুল ইসলামকে জাবি শাখার একমাত্র ‘শহীদ’ হিসেবে গণ্য করে প্রতি বছর তাঁর স্মরণে নানা কর্মসূচি পালন করে থাকে।

জনপ্রিয়

৩২ বছর পূর্বে ছাত্রদলের হামলায় নিহত কামরুলের স্মরণে জাবিতে শিবিরের বৃক্ষরোপণ

৩২ বছর পূর্বে ছাত্রদলের হামলায় নিহত কামরুলের স্মরণে জাবিতে শিবিরের বৃক্ষরোপণ

প্রকাশিত ১০:৫৪:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ভর্তি পরীক্ষার সাক্ষাৎকার দিতে এসে তৎকালীন ছাত্রদলের হামলায় নিহত ছাত্রশিবিরের কর্মী ‘কামরুল ইসলামের’ স্মরণে স্মারক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, জাবি শাখা।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মওলানা ভাসানী হল প্রাঙ্গণে এ স্মারক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচি থেকে প্রয়াত কামরুল ইসলামের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

ছাত্রশিবির সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় শাখার এই উদ্যোগে মওলানা ভাসানী হলের চারপাশের বিভিন্ন ফাঁকা স্থানে কদবেল, সফেদা, আমড়া, আতা, লটকন, জলপাই, দেশি বেল ও হরবড়ইসহ বিভিন্ন প্রজাতির অর্ধশতাধিক ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে জাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মাজহারুল ইসলাম বলেন, “ইসলামে বৃক্ষরোপণকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে গণ্য করা হয়। একটি গাছ থেকে মানুষ বা অন্য যেকোনো প্রাণী উপকৃত হলে তার সওয়াব রোপণকারীর আমলনামায় যুক্ত হতে থাকে। সেই ধর্মীয় বিশ্বাস ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই আমাদের এই আয়োজন।”

তিনি আরও বলেন, “জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় আমাদের একমাত্র শহীদ কামরুল ইসলাম ভাইয়ের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ও তাঁর আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতেই আমাদের এই প্রয়াস। সামাজিক কল্যাণে আমাদের এ ধরনের ইতিবাচক কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

কর্মসূচিতে জাবি শাখা ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালের ১৬ আগস্ট পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি পরীক্ষার সাক্ষাৎকার দিতে এসে মওলানা ভাসানী হলে অবস্থান নেন কামরুল ইসলাম। সে সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হামলায় তিনি নিহত হন। সংগঠনটি কামরুল ইসলামকে জাবি শাখার একমাত্র ‘শহীদ’ হিসেবে গণ্য করে প্রতি বছর তাঁর স্মরণে নানা কর্মসূচি পালন করে থাকে।