ঢাকা ০৪:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বিচারকদের মতো শিক্ষকদের জন্যও পৃথক পে-স্কেল হবে: শিক্ষামন্ত্রী Logo সোমবার থেকে আমানতের মূল টাকা ফেরত পাবেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা Logo পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার ঘটনায় মূল হোতা আটক Logo বিদেশে জাতীয় দলের খেলা দেখার সুযোগ পেলেন মেহেরপুরের নাফিজ Logo গোপালগ‌ঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাঁদে পড়ে নিহত ৩, আহত ৩০ Logo প্রতিবাদ করায় প্রাণ যায় এসবি সদস্যের, ছেলের কারখানাতেও হামলা Logo ডাক্তার দেখানোর আগে শরীর সম্পর্কে যে তথ্যগুলো লিখে রাখা জরুরি? Logo ট্রাম্পের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পুতিনের ৩ ঘণ্টার বৈঠক Logo জরুরি প্রয়োজনে টাকা না থাকলেও মিলবে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত তাৎক্ষণিক ঋণ Logo মৃত্যুর ৩০ বছর পরেও নায়ক সালমান শাহকে ঘিরে আগ্রহ ও কৌতুহল কেন?

পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার ঘটনায় মূল হোতা আটক

ঢাকার সাভারের আমিনবাজার এলাকায় পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) এক সদস্যকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত এবং মামলার প্রধান আসামি জহিরুল ইসলামকে সম্প্রতি আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, জহিরুল পেশায় একজন প্রাইভেটকার চালক এবং একই সঙ্গে ওই গাড়ির মালিকও। ঘটনার পর থেকেই তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন এবং বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে আটক করতে সমর্থ হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার বিষয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে চলা ছায়া তদন্ত এবং আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। এর পরই যৌথ বা বিশেষ টিম গঠন করে তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আমিনবাজার এলাকায় একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জেরে ওই পুলিশ সদস্যের ওপর হামলা চালানো হয়। সংঘবদ্ধ একটি চক্র নৃশংসভাবে তাকে পিটিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত করতে এবং আইনের মুখোমুখি করতে জহিরুলকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রেখেছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দের প্রক্রিয়াও চলছে বলে জানা গেছে।

এই হত্যাকাণ্ডের পর দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছিল এবং পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শুরু থেকেই অপরাধীদের ছাড় না দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে আসছে। গ্রেপ্তারকৃত জহিরুল ইসলামকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে এই ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ বা আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

জনপ্রিয়

বিচারকদের মতো শিক্ষকদের জন্যও পৃথক পে-স্কেল হবে: শিক্ষামন্ত্রী

পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার ঘটনায় মূল হোতা আটক

প্রকাশিত ০৩:৩৫:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকার সাভারের আমিনবাজার এলাকায় পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) এক সদস্যকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত এবং মামলার প্রধান আসামি জহিরুল ইসলামকে সম্প্রতি আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, জহিরুল পেশায় একজন প্রাইভেটকার চালক এবং একই সঙ্গে ওই গাড়ির মালিকও। ঘটনার পর থেকেই তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন এবং বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে আটক করতে সমর্থ হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার বিষয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে চলা ছায়া তদন্ত এবং আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। এর পরই যৌথ বা বিশেষ টিম গঠন করে তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আমিনবাজার এলাকায় একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জেরে ওই পুলিশ সদস্যের ওপর হামলা চালানো হয়। সংঘবদ্ধ একটি চক্র নৃশংসভাবে তাকে পিটিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত করতে এবং আইনের মুখোমুখি করতে জহিরুলকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রেখেছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দের প্রক্রিয়াও চলছে বলে জানা গেছে।

এই হত্যাকাণ্ডের পর দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছিল এবং পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শুরু থেকেই অপরাধীদের ছাড় না দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে আসছে। গ্রেপ্তারকৃত জহিরুল ইসলামকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে এই ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ বা আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।