ঢাকা ১২:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বায়ার্ন ম্যাচের আগে ‘অবিশ্বাস্য’ কেইনকে অভিনন্দন জানালেন সিমেওনে Logo বাদাম বিক্রির জীবন থেকে স্কুলের আঙিনায় ৮ বছরের হাসান Logo গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নের বিষয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ Logo রাজধানীতে বসছে আদিবাসী খাদ্য ও শস্য মেলা Logo কানাডায় যাচ্ছেন শিবলী-নিপা, শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক মঞ্চে পরিবেশনা Logo পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইনের সংশোধনে চূড়ান্ত অনুমোদন Logo কুবির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তরের নতুন পরিচালক ড. আব্দুল আহাদ Logo ‘পাটওয়ারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হলে ছাগল-ল্যাপটপ চুরি বেড়ে যাবে’ Logo জাবি উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ চীনের টিজিএস গ্রুপের চেয়ারম্যানের Logo নোবিপ্রবির তৃতীয় সমার্বতনের নিবন্ধনের সময় বাড়ানোর দাবি শিক্ষার্থীদের

পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার ঘটনায় মূল হোতা আটক

ঢাকার সাভারের আমিনবাজার এলাকায় পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) এক সদস্যকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত এবং মামলার প্রধান আসামি জহিরুল ইসলামকে সম্প্রতি আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, জহিরুল পেশায় একজন প্রাইভেটকার চালক এবং একই সঙ্গে ওই গাড়ির মালিকও। ঘটনার পর থেকেই তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন এবং বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে আটক করতে সমর্থ হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার বিষয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে চলা ছায়া তদন্ত এবং আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। এর পরই যৌথ বা বিশেষ টিম গঠন করে তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আমিনবাজার এলাকায় একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জেরে ওই পুলিশ সদস্যের ওপর হামলা চালানো হয়। সংঘবদ্ধ একটি চক্র নৃশংসভাবে তাকে পিটিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত করতে এবং আইনের মুখোমুখি করতে জহিরুলকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রেখেছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দের প্রক্রিয়াও চলছে বলে জানা গেছে।

এই হত্যাকাণ্ডের পর দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছিল এবং পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শুরু থেকেই অপরাধীদের ছাড় না দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে আসছে। গ্রেপ্তারকৃত জহিরুল ইসলামকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে এই ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ বা আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

জনপ্রিয়

বায়ার্ন ম্যাচের আগে ‘অবিশ্বাস্য’ কেইনকে অভিনন্দন জানালেন সিমেওনে

পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার ঘটনায় মূল হোতা আটক

প্রকাশিত ০৩:৩৫:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকার সাভারের আমিনবাজার এলাকায় পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) এক সদস্যকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত এবং মামলার প্রধান আসামি জহিরুল ইসলামকে সম্প্রতি আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, জহিরুল পেশায় একজন প্রাইভেটকার চালক এবং একই সঙ্গে ওই গাড়ির মালিকও। ঘটনার পর থেকেই তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন এবং বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে আটক করতে সমর্থ হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার বিষয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে চলা ছায়া তদন্ত এবং আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। এর পরই যৌথ বা বিশেষ টিম গঠন করে তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আমিনবাজার এলাকায় একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জেরে ওই পুলিশ সদস্যের ওপর হামলা চালানো হয়। সংঘবদ্ধ একটি চক্র নৃশংসভাবে তাকে পিটিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত করতে এবং আইনের মুখোমুখি করতে জহিরুলকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রেখেছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দের প্রক্রিয়াও চলছে বলে জানা গেছে।

এই হত্যাকাণ্ডের পর দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছিল এবং পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শুরু থেকেই অপরাধীদের ছাড় না দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে আসছে। গ্রেপ্তারকৃত জহিরুল ইসলামকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে এই ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ বা আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।