ঢাকা ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ইন্টারকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রিয়ালের শুভসূচনা Logo দামুড়হুদার মেয়ে অস্ট্রেলিয়ার ক্যামডেন কাউন্সিলের ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত Logo স্কুলে যাওয়া সন্তান ফিরবে কি না- ভয় বাড়ছে ফিলিস্তিনি মা-বাবাদের Logo ঢাকার আবহাওয়া দুপুর পর্যন্ত কেমন থাকবে Logo গেস্টরুম-গণরুমের নির্যাতনের ইতিহাস নিয়ে ডাকসুর গ্রন্থ, মোড়ক উন্মোচন Logo মালয়েশিয়ার তিন কারখানায় অভিযান, আটক ১৫৫ বাংলাদেশি Logo অনলাইন জুয়ার ৭ সদস্য গ্রেফতার, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ৪৮৪ সিম জব্দ Logo চাঁদপুরের নাম ভাঙিয়ে ইলিশ বিক্রির নামে প্রতারণা, গ্রেফতার ৪ Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo ঢাবি শিক্ষকদের মূল্যায়ন করবেন শিক্ষার্থীরা, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চালু

মালয়েশিয়ার তিন কারখানায় অভিযান, আটক ১৫৫ বাংলাদেশি

মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন কারখানা থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি শ্রমিককে আটক করেছে। দেশটির অভিবাসন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সম্প্রতি পৃথক কয়েকটি স্থানে চালানো এই ঝটিকা অভিযানে ১৫৫ জন বাংলাদেশিসহ মোট ২৩৪ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। মূলত বৈধ কাগজপত্রের অনুপস্থিতি এবং অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এই সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়।

জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম বড় অভিযানটি পরিচালিত হয় মুয়ার অঞ্চলের পারিত জামিল এলাকার দুটি পৃথক আসবাবপত্র কারখানায়। স্থানীয় সময় সকাল ১১টার দিকে মুয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের অপারেশন প্রধান মোহাম্মদ ইজওয়ান ওসমানের নেতৃত্বে এই অভিযান শুরু হয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা স্থায়ী হয়। ‘অপস মাহির’ নামের ওই বিশেষ অভিযানে ১৭৬ জন পুরুষ বিদেশি শ্রমিককে আটক করা হয়, যার মধ্যে ১৪৭ জনই বাংলাদেশি নাগরিক। এছাড়া ওই কারখানায় দায়িত্ব পালনকারী দুজন স্থানীয় নারী কর্মীকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়।

অন্যদিকে, একই দিনে বাতু পাহাত এলাকার জালান আয়ার হিতাম-ইয়ং পেং অঞ্চলে অবস্থিত একটি কাঠের কারখানায় পরিচালিত হয় আরেকটি অভিযান। বাতু পাহাত ইমিগ্রেশন বিভাগের অপারেশন প্রধান ইখমাল ফাউজির নেতৃত্বে ৫৫ জন কর্মকর্তার একটি দল দুপুর ১২টার দিকে এই অভিযান সম্পন্ন করে। সেখানে সাতজন নারীসহ মোট ৫৮ জন বিদেশি শ্রমিককে আটক করা হয়, যাদের মধ্যে আটজন বাংলাদেশি ছাড়াও মিয়ানমার, ভারত, চীন, নেপাল ও পাকিস্তানের নাগরিকরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

অভিযানের সময় কিছু বিদেশি শ্রমিক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালালেও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা দ্রুত পুরো কারখানা চত্বর ঘিরে ফেলেন ফলে তাদের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। আটকদের বয়স বিশ থেকে পঞ্চাশ বছরের মধ্যে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রশাসন এবং তাদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার ১৯৫৯ সালের ইমিগ্রেশন আইনের বিভিন্ন ধারায় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। পরবর্তীতে সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আটক ২৩৪ জন শ্রমিককে পন্তিয়ানের পেকান নানাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে স্থানান্তর করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

ইন্টারকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রিয়ালের শুভসূচনা

মালয়েশিয়ার তিন কারখানায় অভিযান, আটক ১৫৫ বাংলাদেশি

প্রকাশিত ০৭:১৭:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন কারখানা থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি শ্রমিককে আটক করেছে। দেশটির অভিবাসন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সম্প্রতি পৃথক কয়েকটি স্থানে চালানো এই ঝটিকা অভিযানে ১৫৫ জন বাংলাদেশিসহ মোট ২৩৪ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। মূলত বৈধ কাগজপত্রের অনুপস্থিতি এবং অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এই সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়।

জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম বড় অভিযানটি পরিচালিত হয় মুয়ার অঞ্চলের পারিত জামিল এলাকার দুটি পৃথক আসবাবপত্র কারখানায়। স্থানীয় সময় সকাল ১১টার দিকে মুয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের অপারেশন প্রধান মোহাম্মদ ইজওয়ান ওসমানের নেতৃত্বে এই অভিযান শুরু হয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা স্থায়ী হয়। ‘অপস মাহির’ নামের ওই বিশেষ অভিযানে ১৭৬ জন পুরুষ বিদেশি শ্রমিককে আটক করা হয়, যার মধ্যে ১৪৭ জনই বাংলাদেশি নাগরিক। এছাড়া ওই কারখানায় দায়িত্ব পালনকারী দুজন স্থানীয় নারী কর্মীকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়।

অন্যদিকে, একই দিনে বাতু পাহাত এলাকার জালান আয়ার হিতাম-ইয়ং পেং অঞ্চলে অবস্থিত একটি কাঠের কারখানায় পরিচালিত হয় আরেকটি অভিযান। বাতু পাহাত ইমিগ্রেশন বিভাগের অপারেশন প্রধান ইখমাল ফাউজির নেতৃত্বে ৫৫ জন কর্মকর্তার একটি দল দুপুর ১২টার দিকে এই অভিযান সম্পন্ন করে। সেখানে সাতজন নারীসহ মোট ৫৮ জন বিদেশি শ্রমিককে আটক করা হয়, যাদের মধ্যে আটজন বাংলাদেশি ছাড়াও মিয়ানমার, ভারত, চীন, নেপাল ও পাকিস্তানের নাগরিকরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

অভিযানের সময় কিছু বিদেশি শ্রমিক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালালেও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা দ্রুত পুরো কারখানা চত্বর ঘিরে ফেলেন ফলে তাদের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। আটকদের বয়স বিশ থেকে পঞ্চাশ বছরের মধ্যে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রশাসন এবং তাদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার ১৯৫৯ সালের ইমিগ্রেশন আইনের বিভিন্ন ধারায় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। পরবর্তীতে সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আটক ২৩৪ জন শ্রমিককে পন্তিয়ানের পেকান নানাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে স্থানান্তর করা হয়েছে।