ঢাকা ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo মেঘনার তীরে মোবাইলে গেম খেলছিলেন ৫ যুবক, হঠাৎ বাঁধ ধসে নিখোঁজ ২ Logo দেশের খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের ‘শোকেস’ বাপা ফুডপ্রো Logo সার সংকট নিয়ে সংসদে জাগো নিউজের প্রতিবেদন তুলে ধরলেন এমপি মাসুদ Logo বিদেশ থেকে বাবার আনা আখরোট দিলো সহপাঠীদের, খেয়ে হাসপাতালে ৭ ছাত্রী Logo সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডে নিয়োগ কীভাবে হয়? Logo দেশে ১৬ লাখ টন সার উদ্বৃত্ত থাকবে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী Logo মেঘমল্লার বসুর শারীরিক অবস্থার উন্নতি, জানালো এনপিএ Logo মাঠপর্যায়ে তীব্র সার সংকটে কৃষকরা হাহাকার করছেন: সংসদে শফিকুল ইসলাম Logo সারের কোনো সংকট নেই, ঘাটতি অভিযোগ সঠিক নয়: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী Logo চাহিদার তুলনায় প্রায় ১৬ লাখ টন সার উদ্বৃত্ত থাকবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু

দেশে ১৬ লাখ টন সার উদ্বৃত্ত থাকবে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

কৃষি খাতের জন্য এটি একটি অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক ও ইতিবাচক খবর যে, বর্তমানে দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই এবং আগামী মৌসুমেও পর্যাপ্ত সরবরাহ বজায় থাকবে। সম্প্রতি সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দেশের কৃষকদের চাহিদা মিটিয়েও বিপুল পরিমাণ সার অতিরিক্ত বা উদ্বৃত্ত হিসেবে মজুত থাকবে। সরকারের নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর দক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে এই সংকটহীন পরিস্থিতি তৈরি করা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে জানান যে, সারা দেশের কৃষকদের সামগ্রিক চাহিদা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে প্রায় ১৬ লাখ টন সার উদ্বৃত্ত থেকে যাবে। এই বিশাল পরিমাণ উদ্বৃত্ত সার কৃষিক্ষেত্রে এক ধরনের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করবে, যা যেকোনো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। বিশেষ করে মৌসুমের যেকোনো সময়ে আকস্মিক চাহিদা বাড়লেও সারের বাজারে কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট বা অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা নেই।

কৃষি উৎপাদনের মূল চালিকাশক্তি হলো সময়মতো সঠিক মাত্রায় সার ও অন্যান্য উপকরণের জোগান নিশ্চিত করা, যা এবার সফলভাবে অর্জিত হতে চলেছে। সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলের এই আশ্বাসের ফলে দেশের সাধারণ চাষিরা অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠছেন এবং তাঁরা নির্বিঘ্নে তাঁদের কৃষিকাজ চালিয়ে যেতে পারছেন। অতীতে বিভিন্ন সময়ে মৌসুমের শুরুতে সারের জন্য হাহাকার দেখা দিলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই দুর্ভোগ থেকে কৃষকরা সম্পূর্ণ মুক্ত থাকবেন বলেই আশা করা হচ্ছে।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এবং দেশের সামগ্রিক কৃষির প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে এই সার উদ্বৃত্ত থাকার বিষয়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, সঠিক সময়ে সার সরবরাহ নিশ্চিত করার এই ধারা অব্যাহত থাকলে দেশের কৃষিপণ্যের উৎপাদন আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে কৃষকরা যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হবেন, তেমনি জাতীয় অর্থনীতিও আরও বেশি শক্তিশালী ও গতিশীল হয়ে উঠবে।

জনপ্রিয়

মেঘনার তীরে মোবাইলে গেম খেলছিলেন ৫ যুবক, হঠাৎ বাঁধ ধসে নিখোঁজ ২

দেশে ১৬ লাখ টন সার উদ্বৃত্ত থাকবে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত ০৭:১৬:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কৃষি খাতের জন্য এটি একটি অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক ও ইতিবাচক খবর যে, বর্তমানে দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই এবং আগামী মৌসুমেও পর্যাপ্ত সরবরাহ বজায় থাকবে। সম্প্রতি সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দেশের কৃষকদের চাহিদা মিটিয়েও বিপুল পরিমাণ সার অতিরিক্ত বা উদ্বৃত্ত হিসেবে মজুত থাকবে। সরকারের নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর দক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে এই সংকটহীন পরিস্থিতি তৈরি করা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে জানান যে, সারা দেশের কৃষকদের সামগ্রিক চাহিদা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে প্রায় ১৬ লাখ টন সার উদ্বৃত্ত থেকে যাবে। এই বিশাল পরিমাণ উদ্বৃত্ত সার কৃষিক্ষেত্রে এক ধরনের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করবে, যা যেকোনো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। বিশেষ করে মৌসুমের যেকোনো সময়ে আকস্মিক চাহিদা বাড়লেও সারের বাজারে কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট বা অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা নেই।

কৃষি উৎপাদনের মূল চালিকাশক্তি হলো সময়মতো সঠিক মাত্রায় সার ও অন্যান্য উপকরণের জোগান নিশ্চিত করা, যা এবার সফলভাবে অর্জিত হতে চলেছে। সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলের এই আশ্বাসের ফলে দেশের সাধারণ চাষিরা অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠছেন এবং তাঁরা নির্বিঘ্নে তাঁদের কৃষিকাজ চালিয়ে যেতে পারছেন। অতীতে বিভিন্ন সময়ে মৌসুমের শুরুতে সারের জন্য হাহাকার দেখা দিলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই দুর্ভোগ থেকে কৃষকরা সম্পূর্ণ মুক্ত থাকবেন বলেই আশা করা হচ্ছে।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এবং দেশের সামগ্রিক কৃষির প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে এই সার উদ্বৃত্ত থাকার বিষয়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, সঠিক সময়ে সার সরবরাহ নিশ্চিত করার এই ধারা অব্যাহত থাকলে দেশের কৃষিপণ্যের উৎপাদন আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে কৃষকরা যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হবেন, তেমনি জাতীয় অর্থনীতিও আরও বেশি শক্তিশালী ও গতিশীল হয়ে উঠবে।